নওগাঁর মান্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের মহাদেবপুর সীমানার বলিহার ব্রিজের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তি হলেন আব্দুস সোবাহান (৬২)। তিনি নিয়ামতপুর উপজেলার রাজাপুর দরগাপাড়া গ্রামের মৃত আজিবুল্লাহর ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আব্দুস সোবাহান তার নাতিকে সঙ্গে নিয়ে সান্তাহারে মেয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বলিহার ব্রিজের কাছে চলন্ত সিএনজির সামনের অংশে বসে থাকা অবস্থায় তিনি ছিটকে সড়কের ওপর পড়ে যান। এতে তার পায়ে ও বুকে গুরুতর আঘাত লাগে।
পরে এক ভ্যানচালক তাকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পথিমধ্যে তার মৃত্যু হলে ভ্যানচালক ভয়ে ফেরিঘাট এলাকায় লাশ রেখে চলে যান বলে জানা গেছে।
এদিকে পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশটি প্রথমে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় এবং বর্তমানে মান্দা থানায় রাখা হয়েছে।
মান্দা থানার ওসি খোরশেদ আলম বলেন, ঘটনাস্থল মহাদেব পুর থানা এলাকায় হওয়ায় ঐ থানায় মামলা রুজু প্রক্রিয়া শেষ করে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।
নিহত ব্যক্তি হলেন আব্দুস সোবাহান (৬২)। তিনি নিয়ামতপুর উপজেলার রাজাপুর দরগাপাড়া গ্রামের মৃত আজিবুল্লাহর ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আব্দুস সোবাহান তার নাতিকে সঙ্গে নিয়ে সান্তাহারে মেয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বলিহার ব্রিজের কাছে চলন্ত সিএনজির সামনের অংশে বসে থাকা অবস্থায় তিনি ছিটকে সড়কের ওপর পড়ে যান। এতে তার পায়ে ও বুকে গুরুতর আঘাত লাগে।
পরে এক ভ্যানচালক তাকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পথিমধ্যে তার মৃত্যু হলে ভ্যানচালক ভয়ে ফেরিঘাট এলাকায় লাশ রেখে চলে যান বলে জানা গেছে।
এদিকে পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশটি প্রথমে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় এবং বর্তমানে মান্দা থানায় রাখা হয়েছে।
মান্দা থানার ওসি খোরশেদ আলম বলেন, ঘটনাস্থল মহাদেব পুর থানা এলাকায় হওয়ায় ঐ থানায় মামলা রুজু প্রক্রিয়া শেষ করে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।
এস. এ সিরাজুল ইসলাম, মান্দা :