চা ছাড়া সকাল শুরু হয় না, অফিসে কাজের ফাঁকে চা না হলে কাজ হয় না। এমন অভ্যাসের দাস হয়তো আপনিও। চায়ে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ছাড়াও বেশ কিছু উপকারী যৌগ রয়েছে, তাই পরিমিত পরিমাণে চা স্বাস্থ্যকর যাপনের অঙ্গ। কিন্তু চা খাওয়ার ধরন এবং সময়ের উপরেও অনেক কিছু নির্ভর করে। চা পানের কিছু ভুলভ্রান্তিতে নানাবিধ শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। চা পানের অভ্যাসকে যদি ‘স্বাস্থ্যকর’-এর তকমা দিতে চান, তা হলে ভুলগুলি শুধরে নেওয়া দরকার।
১. খাওয়ার পর চা: ভাত বা অন্য কোনও খাবার খাওয়ার পরেই চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকের। কিন্তু খাবারের সঙ্গে সঙ্গে চা খেলে বিশেষ করে উদ্ভিজ্জ খাবার থেকে আয়রন শোষণে বাধা তৈরি হতে পারে। যাঁদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি রয়েছে, রক্তাল্পতা আছে বা ঋতুস্রাবের সময়ে অতিরিক্ত রক্তপাত হয়, তাঁদের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। তাই আয়রনসমৃদ্ধ খাবার বা আয়রন সাপ্লিমেন্ট নেওয়ার সময় চা-কফির মধ্যে অন্তত ১-২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
২. চায়ে অতিরিক্ত চিনি: চা নিজে খুব বেশি ক্যালোরিযুক্ত না হলেও বার বার তাতে ১-২ চামচ করে চিনি মেশালে দিনের শেষে চিনির পরিমাণ যথেষ্ট বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে দিনে একাধিক বার চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে বিষয়টি নজরে রাখা জরুরি। স্বাদে অভ্যস্ত হতে একটু সময় লাগলেও ধীরে ধীরে চিনির পরিমাণ কমানো যায়। চাইলে চিনি ছাড়াই চায়ের স্বাদ উপভোগ করার অভ্যাস করা যেতে পারে।
৩. অত্যন্ত গরম চা পান: ধোঁয়া ওঠা গরম চায়ে চুমুক দিলে আরাম হয় নিঃসন্দেহে। কিন্তু তা বলে প্রায় ফুটন্ত চা পান করা একেবারেই উচিত নয়। অল্প একটু ঠান্ডা করে নিয়ে চা খাওয়া উচিত। অত্যন্ত গরম পানীয় নিয়মিত পান করলে মুখ এবং গলায় সমস্যা হতে পারে। চা একটু ঠান্ডা হতে দিন, যাতে পান করার সময়ে মুখ বা গলা অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে না আসে। চায়ের স্বাদ পেতে গিয়ে তাপমাত্রার বিষয়টি একেবারে উপেক্ষা করবেন না।
৪. খাবারের পরিবর্তে চা পান: চায়ে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে বলেই দিনে বার বার চা খেলে তার উপকারও তত বাড়বে, এমন নয়। অনেকেই রোগা হওয়ার জন্য খাবারের বদলে চা বেশি পান করেন, যাতে পেট ভরা থাকে। পাশাপাশি অতিরিক্ত চা খেলে কারও কারও হজমের অস্বস্তি বা অন্য সমস্যা হতে পারে। খাবার থেকে যে পুষ্টিকর উপাদানগুলির জোগান থাকে, চা তা পূরণ করতে পারে না। ফলে খাবারের প্রয়োজনীয়তার জায়গা কোনও দিনও চা নিতে পারবে না।
চা আপনার রোজের সঙ্গী হতে পারে। তা অস্বাস্থ্যকর নয়। তাই এই পানীয়কে জীবন থেকে বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। শুধু খাবারের সঙ্গে সঙ্গে না খাওয়া, অতিরিক্ত চিনি এড়ানো, খুব গরম অবস্থায় পান না করা এবং খাবারের বদলে চা পান এড়ানোর মতো বিষয়ের দিকে নজর রাখা দরকার।
১. খাওয়ার পর চা: ভাত বা অন্য কোনও খাবার খাওয়ার পরেই চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকের। কিন্তু খাবারের সঙ্গে সঙ্গে চা খেলে বিশেষ করে উদ্ভিজ্জ খাবার থেকে আয়রন শোষণে বাধা তৈরি হতে পারে। যাঁদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি রয়েছে, রক্তাল্পতা আছে বা ঋতুস্রাবের সময়ে অতিরিক্ত রক্তপাত হয়, তাঁদের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। তাই আয়রনসমৃদ্ধ খাবার বা আয়রন সাপ্লিমেন্ট নেওয়ার সময় চা-কফির মধ্যে অন্তত ১-২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
২. চায়ে অতিরিক্ত চিনি: চা নিজে খুব বেশি ক্যালোরিযুক্ত না হলেও বার বার তাতে ১-২ চামচ করে চিনি মেশালে দিনের শেষে চিনির পরিমাণ যথেষ্ট বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে দিনে একাধিক বার চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে বিষয়টি নজরে রাখা জরুরি। স্বাদে অভ্যস্ত হতে একটু সময় লাগলেও ধীরে ধীরে চিনির পরিমাণ কমানো যায়। চাইলে চিনি ছাড়াই চায়ের স্বাদ উপভোগ করার অভ্যাস করা যেতে পারে।
৩. অত্যন্ত গরম চা পান: ধোঁয়া ওঠা গরম চায়ে চুমুক দিলে আরাম হয় নিঃসন্দেহে। কিন্তু তা বলে প্রায় ফুটন্ত চা পান করা একেবারেই উচিত নয়। অল্প একটু ঠান্ডা করে নিয়ে চা খাওয়া উচিত। অত্যন্ত গরম পানীয় নিয়মিত পান করলে মুখ এবং গলায় সমস্যা হতে পারে। চা একটু ঠান্ডা হতে দিন, যাতে পান করার সময়ে মুখ বা গলা অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে না আসে। চায়ের স্বাদ পেতে গিয়ে তাপমাত্রার বিষয়টি একেবারে উপেক্ষা করবেন না।
৪. খাবারের পরিবর্তে চা পান: চায়ে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে বলেই দিনে বার বার চা খেলে তার উপকারও তত বাড়বে, এমন নয়। অনেকেই রোগা হওয়ার জন্য খাবারের বদলে চা বেশি পান করেন, যাতে পেট ভরা থাকে। পাশাপাশি অতিরিক্ত চা খেলে কারও কারও হজমের অস্বস্তি বা অন্য সমস্যা হতে পারে। খাবার থেকে যে পুষ্টিকর উপাদানগুলির জোগান থাকে, চা তা পূরণ করতে পারে না। ফলে খাবারের প্রয়োজনীয়তার জায়গা কোনও দিনও চা নিতে পারবে না।
চা আপনার রোজের সঙ্গী হতে পারে। তা অস্বাস্থ্যকর নয়। তাই এই পানীয়কে জীবন থেকে বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। শুধু খাবারের সঙ্গে সঙ্গে না খাওয়া, অতিরিক্ত চিনি এড়ানো, খুব গরম অবস্থায় পান না করা এবং খাবারের বদলে চা পান এড়ানোর মতো বিষয়ের দিকে নজর রাখা দরকার।
ফারহানা জেরিন