রাজশাহীর তানোরের পাঁচন্দর ইউনিয়নে (ইউপি) মাত্র ২ দশমিক ৮০ কিলোমিটার মাটির কাঁচা রাস্তার কারণে ইউপির কয়েক গ্রামের হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গ্রামের সিংহভাগ মানুষ বিএনপি মতাদর্শী হওয়ায় এসব রাস্তার উন্নয়ন হয়নি। আওয়ামী লীগের ১৭ বছরে এসব রাস্তার উন্নয়নে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) থেকে একাধিকবার প্রকল্প দেয়া হলেও তা কেটে নিয়ে অন্য এলাকার রাস্তার কাজ করা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও রাস্তাটি এখানো কাঁচাই রয়েছে।এতে গ্রামবাসির মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) কোয়েল হাট থেকে বৈদ্যপুর মাত্র ২ দশমিক ৮০ কিলোমিটার মাটির কাচা রাস্তা কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষের দুর্ভোগের অন্যতম কারণ। রাস্তার পুর্ব মাথায় কোয়েল হাট, কোয়েল কলেজ, কোয়েল উচ্চ বিদ্যালয়, কোয়েল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কোয়েল হাফেজিয়া মাদরাসাসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।আর পশ্চিম মাথায় বৈদ্যপুর হাট,বৈদ্যপুর দাখিল মাদরাসা,গাল্লা উচ্চ বিদ্যালয়, গাল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হাফেজিয়া মাদরাসাসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।এছাড়াও কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম পথ।এলাকার কয়েকটি মাঠের জমির ফসল উঠানো হয় এই রাস্তা দিয়ে।এ রাস্তা দিয়ে কয়েকটি গ্রামের হাজারো কৃষকদের ফসলি মাঠে যাতায়াত করতে হয়।খরা মৌসুমে কোনো রকমে যাতায়াত করতে পারলেও বর্ষা মৌসুমে অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘদিন যাবত রাস্তা সংস্কার বা পাকা না করায় বর্ষা মৌসুমে রাস্তার বেহালদশা। এ যেনো এক স্থায়ী দুর্ভোগ। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটু সমান কাদায় পরিণত হয়। চলাচল তো দূরের কথা, অনেক সময় পথচারীরা এই কাদার মধ্যে পড়ে গিয়ে আহতও হচ্ছেন।কয়েক গ্রামের হাজারো মানুষ প্রতিদিন এই ভোগান্তি পোহাতে বাধ্য হচ্ছেন। কৃষক, দিনমজুর, শিক্ষার্থী, নারী ও শিশু সবাইকে এসব রাস্তা ব্যবহার করতে হয় নিত্যদিন। বর্ষা মৌসুমে একমাত্র মহিষের গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন চালানো প্রায় অসম্ভব।তবে বেশী বৃষ্টি হলে সেই মহিষের গাড়ীও চলে না।কোয়েল গ্রামের বাসিন্দা গ্রামের বাসিন্দা আলামিন আলী ও জসিম আলী বলেন, “সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে, কিন্তু আমরা এখানো কাদার সঙ্গে যুদ্ধ করি। অনেক সময় রাস্তায় চলতে গিয়ে মা ও বোনেরা পড়ে গিয়ে আঘাত পান। কৃষিপণ্য নিয়ে বের হলে মাঝপথেই সব নষ্ট হয়ে যায়। একই গ্রামের বাসিন্দা আমিরুল ইসলাম বলেন, ভোটের সময় আমাদের দরজায় দরজায় এসে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় উন্নয়নের, কিন্তু নির্বাচনের পরে কেউ আর খবর রাখেন না। আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়ে রেখে আমাদেরকে পিছিয়ে রাখা হচ্ছে একটি রাস্তার অভাবে। ফসলের মাঠ থেকে ফসল উঠাতে তাদের দুর্ভোগের অন্ত থাকে না, অনেক সময় রাস্তার কারনে শ্রমিকেরা কাজ করতে চাই না।
এবিষয়ে পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) বিএনপির সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন,তাদের মাটির এই রাস্তার সংস্কার না হওয়ায় কৃষকদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ সহ্য করতে হয়।মাঠের ফসল উঠাতে তাদের কষ্টের শেষ নাই।শুধুমাত্র রাস্তার কারণে মাঠের ফসল (ধান) কাটতে শ্রমিক পাওয়া যায়না।আবার পাওয়া গেলেও মজুরি হিসেবে তাদের অর্ধেক ফসল দিতে হয়।তিনি দ্রুত রাস্তাটি পাকাকরণে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন এলাকার মানুষের জনদুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, রাস্তাগুলো দ্রুত পাকা হওয়া প্রয়োজন।তিনি বলেন,মাত্র একটি রাস্তার কারণে কয়েকটি গ্রামের মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
স্থানীয়রা জানান, গ্রামের সিংহভাগ মানুষ বিএনপি মতাদর্শী হওয়ায় এসব রাস্তার উন্নয়ন হয়নি। আওয়ামী লীগের ১৭ বছরে এসব রাস্তার উন্নয়নে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) থেকে একাধিকবার প্রকল্প দেয়া হলেও তা কেটে নিয়ে অন্য এলাকার রাস্তার কাজ করা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও রাস্তাটি এখানো কাঁচাই রয়েছে।এতে গ্রামবাসির মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) কোয়েল হাট থেকে বৈদ্যপুর মাত্র ২ দশমিক ৮০ কিলোমিটার মাটির কাচা রাস্তা কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষের দুর্ভোগের অন্যতম কারণ। রাস্তার পুর্ব মাথায় কোয়েল হাট, কোয়েল কলেজ, কোয়েল উচ্চ বিদ্যালয়, কোয়েল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কোয়েল হাফেজিয়া মাদরাসাসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।আর পশ্চিম মাথায় বৈদ্যপুর হাট,বৈদ্যপুর দাখিল মাদরাসা,গাল্লা উচ্চ বিদ্যালয়, গাল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হাফেজিয়া মাদরাসাসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।এছাড়াও কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম পথ।এলাকার কয়েকটি মাঠের জমির ফসল উঠানো হয় এই রাস্তা দিয়ে।এ রাস্তা দিয়ে কয়েকটি গ্রামের হাজারো কৃষকদের ফসলি মাঠে যাতায়াত করতে হয়।খরা মৌসুমে কোনো রকমে যাতায়াত করতে পারলেও বর্ষা মৌসুমে অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘদিন যাবত রাস্তা সংস্কার বা পাকা না করায় বর্ষা মৌসুমে রাস্তার বেহালদশা। এ যেনো এক স্থায়ী দুর্ভোগ। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটু সমান কাদায় পরিণত হয়। চলাচল তো দূরের কথা, অনেক সময় পথচারীরা এই কাদার মধ্যে পড়ে গিয়ে আহতও হচ্ছেন।কয়েক গ্রামের হাজারো মানুষ প্রতিদিন এই ভোগান্তি পোহাতে বাধ্য হচ্ছেন। কৃষক, দিনমজুর, শিক্ষার্থী, নারী ও শিশু সবাইকে এসব রাস্তা ব্যবহার করতে হয় নিত্যদিন। বর্ষা মৌসুমে একমাত্র মহিষের গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন চালানো প্রায় অসম্ভব।তবে বেশী বৃষ্টি হলে সেই মহিষের গাড়ীও চলে না।কোয়েল গ্রামের বাসিন্দা গ্রামের বাসিন্দা আলামিন আলী ও জসিম আলী বলেন, “সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে, কিন্তু আমরা এখানো কাদার সঙ্গে যুদ্ধ করি। অনেক সময় রাস্তায় চলতে গিয়ে মা ও বোনেরা পড়ে গিয়ে আঘাত পান। কৃষিপণ্য নিয়ে বের হলে মাঝপথেই সব নষ্ট হয়ে যায়। একই গ্রামের বাসিন্দা আমিরুল ইসলাম বলেন, ভোটের সময় আমাদের দরজায় দরজায় এসে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় উন্নয়নের, কিন্তু নির্বাচনের পরে কেউ আর খবর রাখেন না। আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়ে রেখে আমাদেরকে পিছিয়ে রাখা হচ্ছে একটি রাস্তার অভাবে। ফসলের মাঠ থেকে ফসল উঠাতে তাদের দুর্ভোগের অন্ত থাকে না, অনেক সময় রাস্তার কারনে শ্রমিকেরা কাজ করতে চাই না।
এবিষয়ে পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) বিএনপির সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন,তাদের মাটির এই রাস্তার সংস্কার না হওয়ায় কৃষকদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ সহ্য করতে হয়।মাঠের ফসল উঠাতে তাদের কষ্টের শেষ নাই।শুধুমাত্র রাস্তার কারণে মাঠের ফসল (ধান) কাটতে শ্রমিক পাওয়া যায়না।আবার পাওয়া গেলেও মজুরি হিসেবে তাদের অর্ধেক ফসল দিতে হয়।তিনি দ্রুত রাস্তাটি পাকাকরণে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন এলাকার মানুষের জনদুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, রাস্তাগুলো দ্রুত পাকা হওয়া প্রয়োজন।তিনি বলেন,মাত্র একটি রাস্তার কারণে কয়েকটি গ্রামের মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
আলিফ হোসেন