চুয়াডাঙ্গায় সড়ক পারাপারের সময় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় ছকিনা খাতুন (৫৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর মাইক্রোবাসটি ঘটনাস্থলে ফেলে পালিয়ে যান চালক।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়কের সদর উপজেলার আলুকদিয়া হাতিকাটা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ছকিনা খাতুন জীবননগর উপজেলার নিধীকুন্ড গ্রামের মৃত ছলিম উদ্দিনের স্ত্রী। তিনি কয়েক দিন আগে সদর উপজেলার হাতিকাটা গ্রামে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে হাতিকাটা এলাকায় চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়ক পার হচ্ছিলেন ছকিনা খাতুন। এ সময় চুয়াডাঙ্গা থেকে মেহেরপুরগামী একটি মাইক্রোবাস তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গাড়ির নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় জড়িত মাইক্রোবাসটি জব্দ করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান জানান, দুর্ঘটনাকবলিত মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়কের সদর উপজেলার আলুকদিয়া হাতিকাটা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ছকিনা খাতুন জীবননগর উপজেলার নিধীকুন্ড গ্রামের মৃত ছলিম উদ্দিনের স্ত্রী। তিনি কয়েক দিন আগে সদর উপজেলার হাতিকাটা গ্রামে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে হাতিকাটা এলাকায় চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়ক পার হচ্ছিলেন ছকিনা খাতুন। এ সময় চুয়াডাঙ্গা থেকে মেহেরপুরগামী একটি মাইক্রোবাস তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গাড়ির নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় জড়িত মাইক্রোবাসটি জব্দ করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান জানান, দুর্ঘটনাকবলিত মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক