ঢাকা , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ , ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে সারের সংকট ও কালোবাজারি: বিপাকে কৃষকরা কারিগরি শিক্ষাই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের একমাত্র পথ: শিক্ষামন্ত্রী বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পগুলো পুনরুজ্জীবিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য, রাজশাহীতে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী বর্ষবরণে রাবি: শোভাযাত্রায় যুদ্ধ-জ্বালানিসংকটের প্রতিচ্ছবি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই : শিক্ষামন্ত্রী গাছে ডাল কাটতে উঠে অজ্ঞান শ্রমিক কুষ্টিয়ার ছত্রগাছা বিদ্যালয়ের পিয়ন ক্লাসরুমে ছাত্রীকে ধর্ষণ বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে শালা-দুলাভাইয়ের ধর্ষণ সিংড়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ভূ-গর্ভস্থ পানির পাইপ লাইন নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন আগামী বাজেটে কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে সিংড়ায় হাজী সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর যশোর সফরের সময় জানালেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী রাণীনগরে পুকুর খননকালে মিলল মরিচাধরা থ্রি-নট-থ্রি বন্দুকের অংশ উদ্ধার চাঁদাবাজদের তালিকা করা হচ্ছে: র‍্যাব রাণীনগরে করজগ্রাম খাঁনপুকুর বাজারে বিকাশের দোকানে দিনে-দুপুরে দুর্ধর্ষ চুরি পাকিস্তানে শান্তি আলোচনার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া সতর্কবার্তা ইরানের জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে রাণীশংকৈলে পুনঃ খাল-খনন কর্মসূচির উদ্বোধন হামের উপসর্গ নিয়ে ২৮ দিনে ১৬৯ শিশুর মৃত্যু রাণীশংকৈলে খাল পুনঃ খনন কর্মসূচীর উদ্বোধন সীমান্ত পারের পর সিবিপি'র হেফাজতে আটক শিশুর মৃত্যু, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পরিবারের মামলা

আদানির বকেয়া সম্পন্ন পরিশোধ

  • আপলোড সময় : ০২-০৭-২০২৫ ০১:৩৮:০২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০৭-২০২৫ ০১:৩৮:০২ অপরাহ্ন
আদানির বকেয়া সম্পন্ন পরিশোধ ছবি: সংগৃহীত
ভারতের আদানি পাওয়ারের কাছে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিপরীতে বাংলাদেশের সব বকেয়া পরিশোধ করা হয়েছে। জুন মাসে বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে এককালীন ৪৩৭ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করে। ফলে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত আদানির পাওনা ছিল এমন সব অর্থই ‘সম্পূর্ণভাবে পরিশোধ’ হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বুধবার (২ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমস জানিয়েছে, এই অর্থ আদানি পাওয়ার এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে পাওয়া সবচেয়ে বড় এককালীন অর্থপ্রাপ্তি। আগে তারা প্রতিমাসে বাংলাদেশ থেকে গড়ে ৯০ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার করে পেত।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বকেয়া বিল, বিলম্ব সুদ এবং অন্যান্য খরচসহ সব কিছু মিটিয়ে দেওয়ার ফলে বাংলাদেশ ও আদানি পাওয়ারের মধ্যকার আন্তঃদেশীয় বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি আর্থিক ও আইনি দিক থেকে এখন আবারও স্বাভাবিক হয়েছে। পাশাপাশি চুক্তি ঘিরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উত্থাপিত প্রশ্নগুলোরও সমাধান হয়েছে।

ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আদানি পাওয়ার বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছে। সব পাওনা পরিশোধের পর এখন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আদানিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন দুইটি ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটই বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চাহিদা অনুযায়ী চালু থাকে।

চুক্তি অনুযায়ী, ৩০ জুনের মধ্যে সব বকেয়া পরিশোধ করলে বিলম্ব ফি মওকুফ করা হবে বলে জানানো হয়েছিল। বাংলাদেশ সময়মতো পরিশোধ করায় সেই সুবিধা পেয়েছে। পাশাপাশি এখন থেকে বিল পরিশোধে নিয়মিততা আনতে সরকার ১৮০ মিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ একটি এলসি খুলেছে এবং বাকি পাওনার জন্য রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিও দিয়েছে।

চলতি বছরের মে মাসে ইকোনমিক টাইমসের আরেক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আদানি পাওয়ারের কাছে বাংলাদেশের বকেয়ার পরিমাণ তখন প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল। কোম্পানিটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা দিলীপ ঝা তখন জানান, ২০২৫ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশ ১.২ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে। বিলম্বে পরিশোধের কারণে অতিরিক্ত ১৩৬ মিলিয়ন ডলার হিসেব করা হয়েছিল।

তবে আদানি পাওয়ারের প্রধান নির্বাহী এস.বি. খ্যালিয়া নিশ্চিত করেন, বকেয়া থাকলেও কখনোই বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়নি। জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে পাওনার পরিমাণ ৫০০ কোটি রুপি কমে এসেছে বলেও তিনি জানান।

এই অর্থনৈতিক নিশ্চয়তার পটভূমিতে ভারতের দিক থেকেও কিছু কাঠামোগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। গোড্ডা বিদ্যুৎ প্রকল্প, যা আগে আদানির একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠানের অধীনে ছিল, সেটিকে এখন মূল কোম্পানির সাথেই একীভূত করা হয়েছে। এতে অপারেশন ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় আরও গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহীতে সারের সংকট ও কালোবাজারি: বিপাকে কৃষকরা

রাজশাহীতে সারের সংকট ও কালোবাজারি: বিপাকে কৃষকরা