রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতে ভয়াবহ বন্যা ও নদীভাঙন দেখা দিয়েছে।
গত দুই সপ্তাহে চর রুবেলপাড়া, আলাতুলি, মাঝচর, চার কোদালকাটি, আশারাদহ ও বগচরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ পরিবার বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। অনেক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। টিকে থাকা ঘরগুলোতেও এক গলা পর্যন্ত পানি উঠেছে।
চরম দুর্ভোগে থাকা মানুষের অভিযোগ, প্রায় ২০ দিন ধরে পানিবন্দী থাকলেও তাদের খোঁজ নিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা প্রশাসনের কেউ আসেননি। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে অনেক পরিবার অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। রাত কাটছে পানির মধ্যে খাটের ওপর সন্তানদের নিয়ে আতঙ্কে।
আলাতুলি ইউনিয়নের সুলতানা বেগম (৪৫) বলেন, “দুই শতকের বসতভিটা নদীর পেটে চলে গেছে। চার সন্তান নিয়ে সারারাত খাটের ওপর পানির মধ্যে বসে ছিলাম।
ভোটের সময় নেতাদের পায়ের নিচে জায়গা থাকে না, এখন এক মুঠো মুড়ি দেওয়ারও কেউ নেই। আমরা ত্রাণ চাই না, শুধু মাথা গোঁজার একটু ঠাঁই চাই।চর রুবেলপাড়ার রহিম উদ্দিন (৫৮) বলেন, তাঁর কৃষিকাজ ও দুটি গরুই ছিল একমাত্র সম্বল। বন্যায় গোখাদ্য ভেসে গেছে। গরু বাঁচাতে গিয়ে নিজেরাই না খেয়ে আছেন।
মাঝচরের আয়েশা খাতুন (৩০) জানান, তাঁর আট মাসের শিশুটি বিশুদ্ধ পানির অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। নদীর গর্জনে প্রতিরাতেই আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে।
এদিকে বসতভিটা হারানো মানুষজন নৌকায় করে ঘরের আসবাব ও গবাদিপশু নিয়ে বিভিন্ন ঘাটে আশ্রয় নিচ্ছেন। কিন্তু সেখানেও নেই পর্যাপ্ত শুকনো
জায়গা, খাবার কিংবা পশুর খাদ্যের ব্যবস্থা।
তবে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান বলেন, তাঁর কাছে নদীভাঙনে ঘরবাড়ি সরিয়ে নেওয়ার কোনো তথ্য নেই। আশারাদহেও
নদীভাঙনের খবর পাননি তিনি। তবে ২০০ পরিবারকে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। নদীভাঙন বাড়লে প্রয়োজনীয় ত্রাণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চরবাসীর দাবি, পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আগেই খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হোক।
গত দুই সপ্তাহে চর রুবেলপাড়া, আলাতুলি, মাঝচর, চার কোদালকাটি, আশারাদহ ও বগচরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ পরিবার বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। অনেক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। টিকে থাকা ঘরগুলোতেও এক গলা পর্যন্ত পানি উঠেছে।
চরম দুর্ভোগে থাকা মানুষের অভিযোগ, প্রায় ২০ দিন ধরে পানিবন্দী থাকলেও তাদের খোঁজ নিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা প্রশাসনের কেউ আসেননি। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে অনেক পরিবার অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। রাত কাটছে পানির মধ্যে খাটের ওপর সন্তানদের নিয়ে আতঙ্কে।
আলাতুলি ইউনিয়নের সুলতানা বেগম (৪৫) বলেন, “দুই শতকের বসতভিটা নদীর পেটে চলে গেছে। চার সন্তান নিয়ে সারারাত খাটের ওপর পানির মধ্যে বসে ছিলাম।
ভোটের সময় নেতাদের পায়ের নিচে জায়গা থাকে না, এখন এক মুঠো মুড়ি দেওয়ারও কেউ নেই। আমরা ত্রাণ চাই না, শুধু মাথা গোঁজার একটু ঠাঁই চাই।চর রুবেলপাড়ার রহিম উদ্দিন (৫৮) বলেন, তাঁর কৃষিকাজ ও দুটি গরুই ছিল একমাত্র সম্বল। বন্যায় গোখাদ্য ভেসে গেছে। গরু বাঁচাতে গিয়ে নিজেরাই না খেয়ে আছেন।
মাঝচরের আয়েশা খাতুন (৩০) জানান, তাঁর আট মাসের শিশুটি বিশুদ্ধ পানির অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। নদীর গর্জনে প্রতিরাতেই আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে।
এদিকে বসতভিটা হারানো মানুষজন নৌকায় করে ঘরের আসবাব ও গবাদিপশু নিয়ে বিভিন্ন ঘাটে আশ্রয় নিচ্ছেন। কিন্তু সেখানেও নেই পর্যাপ্ত শুকনো
জায়গা, খাবার কিংবা পশুর খাদ্যের ব্যবস্থা।
তবে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান বলেন, তাঁর কাছে নদীভাঙনে ঘরবাড়ি সরিয়ে নেওয়ার কোনো তথ্য নেই। আশারাদহেও
নদীভাঙনের খবর পাননি তিনি। তবে ২০০ পরিবারকে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। নদীভাঙন বাড়লে প্রয়োজনীয় ত্রাণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চরবাসীর দাবি, পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আগেই খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হোক।
নিজস্ব প্রতিবেদক