পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র রূপ নিয়েছে। ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরের একটি বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ‘নৌ চলাচল বিধিনিষেধ এলাকা’ (মারিটাইম রেস্ট্রিক্টেড জোন) ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
আইআরজিসির এক মুখপাত্র জানান, ইরানের চাবাহার থেকে শুরু করে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের নির্ধারিত অংশে এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ওই নির্দিষ্ট এলাকা অতিক্রমকারী যেকোনো আন্তর্জাতিক জাহাজ বা নৌযানের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। দ্রুতই উক্ত এলাকার সঠিক ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক (কোঅর্ডিনেটস) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।
এর আগে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মহসিন রেজাই দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে জানান, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালীর বাইরে এই বিধিনিষেধ এলাকা গড়ে তোলা হবে।
ইরানের এই পদক্ষেপ বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ ওমান উপসাগর ও আরব সাগরে আন্তর্জাতিক শিপিং নেটওয়ার্কে বড় ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সামরিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
আইআরজিসির এক মুখপাত্র জানান, ইরানের চাবাহার থেকে শুরু করে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের নির্ধারিত অংশে এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ওই নির্দিষ্ট এলাকা অতিক্রমকারী যেকোনো আন্তর্জাতিক জাহাজ বা নৌযানের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। দ্রুতই উক্ত এলাকার সঠিক ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক (কোঅর্ডিনেটস) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।
এর আগে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মহসিন রেজাই দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে জানান, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালীর বাইরে এই বিধিনিষেধ এলাকা গড়ে তোলা হবে।
ইরানের এই পদক্ষেপ বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ ওমান উপসাগর ও আরব সাগরে আন্তর্জাতিক শিপিং নেটওয়ার্কে বড় ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সামরিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
আন্তজার্তিক ডেস্ক