বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ফরিদ আহমেদকে মহাপরিচালকের দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম) আহম্মেদ হোসেন মাসুমকে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপকের চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পথ) মোঃ আহসান জাবিরকে প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম) পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রকৌশলী আহম্মেদ হোসেন মাসুম রেলের সঙ্গে যার নিবিড় সম্পর্ক কেবল একজন শীর্ষ কর্মকর্তার নয়, বরং দীর্ঘদিনের পেশাগত পথচলার। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের নতুন নেতৃত্ব, মাঠ পর্যায়ে স্বচ্ছতা,জবাবদিহিতা ও শৃঙ্খলা ফেরানোর প্রত্যাশা।
রেলপথ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই রদবদলের কথা জানানো হয়েছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-৫ শাখার উপসচিব কামরুল হাসান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তিন কর্মকর্তার নতুন দায়িত্ব ও পদায়নের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাংলাদেশ রেলওয়ে (পশ্চিম), রাজশাহীর মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদকে মহাপরিচালকের দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাঁর স্থলে একই দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম) আহম্মেদ হোসেন মাসুমকে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপকের চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পথ) মোঃ আহসান জাবিরকে প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম) পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি যমুনা রেলসেতু নির্মাণ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক হিসেবে তাঁর বর্তমান দায়িত্বও পালন করবেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও প্রকৌশলগত দায়িত্বে একসঙ্গে এ পরিবর্তনকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক পদে পরিবর্তনের ফলে রাজশাহী সদর দপ্তরকেন্দ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন নেতৃত্বের সূচনা হলো।
এদিকে একজন কর্মকর্তার মূল্যায়ন শুধু তার পদবি দিয়ে হয় না, দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি কী দায়িত্ব পালন করেছেন, কতটা অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন এবং প্রতিষ্ঠানের জন্য তার সেই অভিজ্ঞতা কতটা কাজে লাগছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।আহম্মেদ হোসেন মাসুমের ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, রেলের
মাঠপর্যায় থেকে শুরু করে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম)দায়িত্ব, পুরো পথটাই রেলওয়ের ভেতর দিয়ে তৈরি।রেলকে যারা কাছ থেকে দেখেন, তাদের কাছে এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মূল্য নিশ্চয়ই অনেক। ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে একটি কথা বলা যায় বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মতো বিশাল ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে একজন দীর্ঘদিনের রেলওয়ে প্রকৌশলীর অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।তার দুরদর্শিতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে রেলওয়ে আরো এগিয়ে যাবে ইনশাল্লাহ্।
রেলপথ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই রদবদলের কথা জানানো হয়েছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-৫ শাখার উপসচিব কামরুল হাসান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তিন কর্মকর্তার নতুন দায়িত্ব ও পদায়নের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাংলাদেশ রেলওয়ে (পশ্চিম), রাজশাহীর মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদকে মহাপরিচালকের দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাঁর স্থলে একই দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম) আহম্মেদ হোসেন মাসুমকে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপকের চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পথ) মোঃ আহসান জাবিরকে প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম) পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি যমুনা রেলসেতু নির্মাণ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক হিসেবে তাঁর বর্তমান দায়িত্বও পালন করবেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও প্রকৌশলগত দায়িত্বে একসঙ্গে এ পরিবর্তনকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক পদে পরিবর্তনের ফলে রাজশাহী সদর দপ্তরকেন্দ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন নেতৃত্বের সূচনা হলো।
এদিকে একজন কর্মকর্তার মূল্যায়ন শুধু তার পদবি দিয়ে হয় না, দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি কী দায়িত্ব পালন করেছেন, কতটা অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন এবং প্রতিষ্ঠানের জন্য তার সেই অভিজ্ঞতা কতটা কাজে লাগছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।আহম্মেদ হোসেন মাসুমের ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, রেলের
মাঠপর্যায় থেকে শুরু করে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম)দায়িত্ব, পুরো পথটাই রেলওয়ের ভেতর দিয়ে তৈরি।রেলকে যারা কাছ থেকে দেখেন, তাদের কাছে এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মূল্য নিশ্চয়ই অনেক। ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে একটি কথা বলা যায় বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মতো বিশাল ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে একজন দীর্ঘদিনের রেলওয়ে প্রকৌশলীর অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।তার দুরদর্শিতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে রেলওয়ে আরো এগিয়ে যাবে ইনশাল্লাহ্।
আলিফ হোসেন