মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে আমাকে তিনবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও নেত্রকোণা-৪ (মোহনগঞ্জ-মদন-খালিয়াজুরী) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার মদন উপজেলার জোবাইদা রহমান মহিলা ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, আমি সাড়ে ১৭ বছর জেলে ছিলাম। আমাকে অন্যায়ভাবে, মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে তিনবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি যদি দেশে আসতে চান এবং বিচারের মুখোমুখি হন, তবে আমি তাকে সাধুবাদ জানাব।
বিগত সরকারের আমলে নিজের ওপর হওয়া অন্যায়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, আমার বিচার হয়েছিল সম্পূর্ণ অন্যায় ও মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে প্রত্যাবর্তন করতে চাইলে করতে পারবেন, তবে উনার ব্যাপারে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর বিষয়ে জাতিসংঘ বর্তমানে তদন্ত করছে। তিনি বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হয়ে বিচারের রায় মেনে নেবেন, দেশের মানুষ সেটাই প্রত্যাশা করে।
উপস্থিত দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় লোকজনের উদ্দেশে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জেলে থেকেও আমি মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে বলেছি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশে এসে তিনিও মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করে দিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ। যেখানেই মাদকসেবী বা কারবারি পাবেন, ধরে উত্তমমধ্যম দিয়ে পুলিশে দেবেন।
বাবর বলেন, মাদক হলো সকল অপরাধের মূল। মাদকের কারণে একটা পরিবার ধ্বংস হয়, সমাজ নষ্ট হয়, এলাকা ধ্বংস হয়, এবং জাতি ধ্বংস হয়। মাদকসেবীরা যখন মাদক না পায়, তখন চুরি করে, ছিনতাই করে, সংসারে অশান্তি করে, বউকে মারধর করে, খুন করে- সবকিছু করে। এটা আমরা বাড়তে দিতে পারি না। তাদেরকে কোনোভাবে আমরা আশ্রয় প্রশ্রয় দেব না। মাদক কারবারির বিষয়ে আপনারা আমাকে জানাবেন, প্রয়োজনে আমরা ভিন্নভাবে হ্যান্ডেল করব।
এর আগে তিনি পূবালী ব্যাংকের ময়মনসিংহ অঞ্চলের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।
তিনি নিজ হাতে কলেজ প্রাঙ্গণে একটি চারা গাছ রোপণ করে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন এবং উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাসরিন সুলতানা এবং পূবালী ব্যাংকের ময়মনসিংহ অঞ্চল প্রধান ও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. হুমায়ুন মিয়া।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যাংকের কর্মকর্তা, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে আমাকে তিনবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও নেত্রকোণা-৪ (মোহনগঞ্জ-মদন-খালিয়াজুরী) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার মদন উপজেলার জোবাইদা রহমান মহিলা ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, আমি সাড়ে ১৭ বছর জেলে ছিলাম। আমাকে অন্যায়ভাবে, মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে তিনবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি যদি দেশে আসতে চান এবং বিচারের মুখোমুখি হন, তবে আমি তাকে সাধুবাদ জানাব।
বিগত সরকারের আমলে নিজের ওপর হওয়া অন্যায়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, আমার বিচার হয়েছিল সম্পূর্ণ অন্যায় ও মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে প্রত্যাবর্তন করতে চাইলে করতে পারবেন, তবে উনার ব্যাপারে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর বিষয়ে জাতিসংঘ বর্তমানে তদন্ত করছে। তিনি বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হয়ে বিচারের রায় মেনে নেবেন, দেশের মানুষ সেটাই প্রত্যাশা করে।
উপস্থিত দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় লোকজনের উদ্দেশে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জেলে থেকেও আমি মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে বলেছি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশে এসে তিনিও মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করে দিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ। যেখানেই মাদকসেবী বা কারবারি পাবেন, ধরে উত্তমমধ্যম দিয়ে পুলিশে দেবেন।
বাবর বলেন, মাদক হলো সকল অপরাধের মূল। মাদকের কারণে একটা পরিবার ধ্বংস হয়, সমাজ নষ্ট হয়, এলাকা ধ্বংস হয়, এবং জাতি ধ্বংস হয়। মাদকসেবীরা যখন মাদক না পায়, তখন চুরি করে, ছিনতাই করে, সংসারে অশান্তি করে, বউকে মারধর করে, খুন করে- সবকিছু করে। এটা আমরা বাড়তে দিতে পারি না। তাদেরকে কোনোভাবে আমরা আশ্রয় প্রশ্রয় দেব না। মাদক কারবারির বিষয়ে আপনারা আমাকে জানাবেন, প্রয়োজনে আমরা ভিন্নভাবে হ্যান্ডেল করব।
এর আগে তিনি পূবালী ব্যাংকের ময়মনসিংহ অঞ্চলের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।
তিনি নিজ হাতে কলেজ প্রাঙ্গণে একটি চারা গাছ রোপণ করে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন এবং উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাসরিন সুলতানা এবং পূবালী ব্যাংকের ময়মনসিংহ অঞ্চল প্রধান ও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. হুমায়ুন মিয়া।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যাংকের কর্মকর্তা, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার মদন উপজেলার জোবাইদা রহমান মহিলা ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, আমি সাড়ে ১৭ বছর জেলে ছিলাম। আমাকে অন্যায়ভাবে, মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে তিনবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি যদি দেশে আসতে চান এবং বিচারের মুখোমুখি হন, তবে আমি তাকে সাধুবাদ জানাব।
বিগত সরকারের আমলে নিজের ওপর হওয়া অন্যায়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, আমার বিচার হয়েছিল সম্পূর্ণ অন্যায় ও মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে প্রত্যাবর্তন করতে চাইলে করতে পারবেন, তবে উনার ব্যাপারে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর বিষয়ে জাতিসংঘ বর্তমানে তদন্ত করছে। তিনি বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হয়ে বিচারের রায় মেনে নেবেন, দেশের মানুষ সেটাই প্রত্যাশা করে।
উপস্থিত দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় লোকজনের উদ্দেশে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জেলে থেকেও আমি মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে বলেছি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশে এসে তিনিও মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করে দিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ। যেখানেই মাদকসেবী বা কারবারি পাবেন, ধরে উত্তমমধ্যম দিয়ে পুলিশে দেবেন।
বাবর বলেন, মাদক হলো সকল অপরাধের মূল। মাদকের কারণে একটা পরিবার ধ্বংস হয়, সমাজ নষ্ট হয়, এলাকা ধ্বংস হয়, এবং জাতি ধ্বংস হয়। মাদকসেবীরা যখন মাদক না পায়, তখন চুরি করে, ছিনতাই করে, সংসারে অশান্তি করে, বউকে মারধর করে, খুন করে- সবকিছু করে। এটা আমরা বাড়তে দিতে পারি না। তাদেরকে কোনোভাবে আমরা আশ্রয় প্রশ্রয় দেব না। মাদক কারবারির বিষয়ে আপনারা আমাকে জানাবেন, প্রয়োজনে আমরা ভিন্নভাবে হ্যান্ডেল করব।
এর আগে তিনি পূবালী ব্যাংকের ময়মনসিংহ অঞ্চলের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।
তিনি নিজ হাতে কলেজ প্রাঙ্গণে একটি চারা গাছ রোপণ করে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন এবং উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাসরিন সুলতানা এবং পূবালী ব্যাংকের ময়মনসিংহ অঞ্চল প্রধান ও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. হুমায়ুন মিয়া।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যাংকের কর্মকর্তা, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে আমাকে তিনবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও নেত্রকোণা-৪ (মোহনগঞ্জ-মদন-খালিয়াজুরী) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার মদন উপজেলার জোবাইদা রহমান মহিলা ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, আমি সাড়ে ১৭ বছর জেলে ছিলাম। আমাকে অন্যায়ভাবে, মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে তিনবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি যদি দেশে আসতে চান এবং বিচারের মুখোমুখি হন, তবে আমি তাকে সাধুবাদ জানাব।
বিগত সরকারের আমলে নিজের ওপর হওয়া অন্যায়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, আমার বিচার হয়েছিল সম্পূর্ণ অন্যায় ও মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে প্রত্যাবর্তন করতে চাইলে করতে পারবেন, তবে উনার ব্যাপারে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর বিষয়ে জাতিসংঘ বর্তমানে তদন্ত করছে। তিনি বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হয়ে বিচারের রায় মেনে নেবেন, দেশের মানুষ সেটাই প্রত্যাশা করে।
উপস্থিত দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় লোকজনের উদ্দেশে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জেলে থেকেও আমি মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে বলেছি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশে এসে তিনিও মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করে দিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ। যেখানেই মাদকসেবী বা কারবারি পাবেন, ধরে উত্তমমধ্যম দিয়ে পুলিশে দেবেন।
বাবর বলেন, মাদক হলো সকল অপরাধের মূল। মাদকের কারণে একটা পরিবার ধ্বংস হয়, সমাজ নষ্ট হয়, এলাকা ধ্বংস হয়, এবং জাতি ধ্বংস হয়। মাদকসেবীরা যখন মাদক না পায়, তখন চুরি করে, ছিনতাই করে, সংসারে অশান্তি করে, বউকে মারধর করে, খুন করে- সবকিছু করে। এটা আমরা বাড়তে দিতে পারি না। তাদেরকে কোনোভাবে আমরা আশ্রয় প্রশ্রয় দেব না। মাদক কারবারির বিষয়ে আপনারা আমাকে জানাবেন, প্রয়োজনে আমরা ভিন্নভাবে হ্যান্ডেল করব।
এর আগে তিনি পূবালী ব্যাংকের ময়মনসিংহ অঞ্চলের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।
তিনি নিজ হাতে কলেজ প্রাঙ্গণে একটি চারা গাছ রোপণ করে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন এবং উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাসরিন সুলতানা এবং পূবালী ব্যাংকের ময়মনসিংহ অঞ্চল প্রধান ও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. হুমায়ুন মিয়া।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যাংকের কর্মকর্তা, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
অনলাইন ডেস্ক