ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ১০২ বস্তা সরকারি চাল পাচারের সময় আটক করেছে স্থানীয়রা।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চালসহ ট্রলির ড্রাইভার হেলফারকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন-উপজেলার দুর্লভপুর এলাকার মৃত মেধা মাহমুদের ছেলে মজিবর রহমান (৫৫) নেকমরদ ফরিদপাড়া এলাকার ফজলি উদ্দিনের ছেলে আব্দুল সোবহান (৫২)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট রাতে সরকারি কর্মসূচির এই চাল অবৈধভাবে পাচার করা হচ্ছিল। রাতোর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনারুল হক হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত এই চাল নেকমরদ বাজারের চাল ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরের কাছে গোপনে বিক্রি করে। বিষয়টি টের পেয়ে রাতোর ও নেকমরদ এলাকার লোকজন চাল বহনকারী গাড়িটি আটকে দেয় এবং পুলিশে খবর দেয়। থানা পুলিশ জব্দকৃত চাল ও আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
দরিদ্র মানুষের অধিকার হরণ ও সরকারি বরাদ্দের এ ধরনের অনিয়ম নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মূল হোতাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। এ প্রসঙ্গে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনারুল হকের মতামত জানতে চাওয়া হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আক্তারুল ইসলাম বলেন, আমাদের এলাকায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ডিলারের ২টি পয়েন্ট রয়েছে । আনারুলের গুদামে নিয়ম অনুযায়ী যে পরিমান চাল থাকার কথা তা রয়েছে। কিন্তু আপনিতো জানেন এচাল অনেকেই বিক্রি করে দেয় সেই চাল এগুলি।
এব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ আমানুল্লাহ আল বারী বলেন,খাদ্য অফিসের লোকজন আসছে তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা রজু করা হবে। তদন্তকালে বিএনপি নেতার নাম উঠে আসলে তাকেও আসামী করা হবে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মজিবুর রহমান মুঠোফোনে জানান,বিষয়টি যেহেতু আমরা সরাসরি গিয়ে তদারকি করিনি, সাধারণ জনগণ গাড়িটি আটক করার পর পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে, তাই এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা হবে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চালসহ ট্রলির ড্রাইভার হেলফারকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন-উপজেলার দুর্লভপুর এলাকার মৃত মেধা মাহমুদের ছেলে মজিবর রহমান (৫৫) নেকমরদ ফরিদপাড়া এলাকার ফজলি উদ্দিনের ছেলে আব্দুল সোবহান (৫২)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট রাতে সরকারি কর্মসূচির এই চাল অবৈধভাবে পাচার করা হচ্ছিল। রাতোর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনারুল হক হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত এই চাল নেকমরদ বাজারের চাল ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরের কাছে গোপনে বিক্রি করে। বিষয়টি টের পেয়ে রাতোর ও নেকমরদ এলাকার লোকজন চাল বহনকারী গাড়িটি আটকে দেয় এবং পুলিশে খবর দেয়। থানা পুলিশ জব্দকৃত চাল ও আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
দরিদ্র মানুষের অধিকার হরণ ও সরকারি বরাদ্দের এ ধরনের অনিয়ম নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মূল হোতাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। এ প্রসঙ্গে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনারুল হকের মতামত জানতে চাওয়া হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আক্তারুল ইসলাম বলেন, আমাদের এলাকায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ডিলারের ২টি পয়েন্ট রয়েছে । আনারুলের গুদামে নিয়ম অনুযায়ী যে পরিমান চাল থাকার কথা তা রয়েছে। কিন্তু আপনিতো জানেন এচাল অনেকেই বিক্রি করে দেয় সেই চাল এগুলি।
এব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ আমানুল্লাহ আল বারী বলেন,খাদ্য অফিসের লোকজন আসছে তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা রজু করা হবে। তদন্তকালে বিএনপি নেতার নাম উঠে আসলে তাকেও আসামী করা হবে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মজিবুর রহমান মুঠোফোনে জানান,বিষয়টি যেহেতু আমরা সরাসরি গিয়ে তদারকি করিনি, সাধারণ জনগণ গাড়িটি আটক করার পর পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে, তাই এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা হবে।
মোঃ মোবারক আলী, রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও: