একদিকে দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকা বিশালাকৃতির ঐতিহ্যবাহী সূর্যপুরী আমগাছ, অন্যদিকে সমতলের মাটিতে গড়ে ওঠা সম্ভাবনাময় চা-বাগান—ঠাকুরগাঁওয়ের প্রকৃতি, কৃষি ও স্থানীয় ঐতিহ্যের এমন বৈচিত্র্য কাছ থেকে দেখলেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় পৃথক দুটি স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি।
সফরের শুরুতে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সীমান্তবর্তী নিটলডোবা গ্রামের সুলতান টি স্টেট পরিদর্শন করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। সেখানে পৌঁছালে টি স্টেটের মালিক ফয়জুল ইসলাম হিরু, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনসহ সরকারি কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত চা-বাগানের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। সমতলের মাটিতে চা চাষের কার্যক্রম, উৎপাদন ও সম্ভাবনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানতে চান। সবুজে ঘেরা চা-বাগানের সৌন্দর্য এবং সমতলে চা চাষের সম্ভাবনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
এ সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমি সমতলে কখনো চা দেখিনি। বাংলাদেশে এবারই প্রথম সমতলে চা চাষ দেখে আমি খুশি হয়েছি। আমরা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। এখানকার মানুষ খুবই পরিশ্রমী। তাদের সহযোগিতা করলে তারা দ্রুত উন্নতি করবেন।
আমরা সবসময় আপনাদের সঙ্গে থাকব।’পরে তিনি চা-বাগানের শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের কাজের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সুলতান টি স্টেট পরিদর্শন শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের হরিণমারি এলাকায় যান। সেখানে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এবং এশিয়া মহাদেশের বৃহৎ আমগাছ হিসেবে পরিচিত ২০০ বছরেরও বেশি পুরোনো সূর্যপুরী আমগাছ পরিদর্শন করেন।
রাষ্ট্রদূত বিশাল আকৃতির প্রাচীন আমগাছটি ঘুরে দেখেন এবং এর আকার, বয়স ও ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে চান। শতবর্ষের সাক্ষী এই গাছের বৈচিত্র্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব জেনে তিনি অভিভূত হন।
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এ সফরে একসঙ্গে উঠে আসে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষি, প্রকৃতি ও স্থানীয় ঐতিহ্যের অনন্য চিত্র। একদিকে সমতলে চা চাষের নতুন সম্ভাবনা, অন্যদিকে শতবর্ষের সাক্ষী সূর্যপুরী আমগাছ—দুটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের স্থান পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে জেলার সম্ভাবনা ও ঐতিহ্যের প্রতি তার আগ্রহের বিষয়টিও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় পৃথক দুটি স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি।
সফরের শুরুতে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সীমান্তবর্তী নিটলডোবা গ্রামের সুলতান টি স্টেট পরিদর্শন করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। সেখানে পৌঁছালে টি স্টেটের মালিক ফয়জুল ইসলাম হিরু, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনসহ সরকারি কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত চা-বাগানের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। সমতলের মাটিতে চা চাষের কার্যক্রম, উৎপাদন ও সম্ভাবনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানতে চান। সবুজে ঘেরা চা-বাগানের সৌন্দর্য এবং সমতলে চা চাষের সম্ভাবনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
এ সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমি সমতলে কখনো চা দেখিনি। বাংলাদেশে এবারই প্রথম সমতলে চা চাষ দেখে আমি খুশি হয়েছি। আমরা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। এখানকার মানুষ খুবই পরিশ্রমী। তাদের সহযোগিতা করলে তারা দ্রুত উন্নতি করবেন।
আমরা সবসময় আপনাদের সঙ্গে থাকব।’পরে তিনি চা-বাগানের শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের কাজের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সুলতান টি স্টেট পরিদর্শন শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের হরিণমারি এলাকায় যান। সেখানে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এবং এশিয়া মহাদেশের বৃহৎ আমগাছ হিসেবে পরিচিত ২০০ বছরেরও বেশি পুরোনো সূর্যপুরী আমগাছ পরিদর্শন করেন।
রাষ্ট্রদূত বিশাল আকৃতির প্রাচীন আমগাছটি ঘুরে দেখেন এবং এর আকার, বয়স ও ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে চান। শতবর্ষের সাক্ষী এই গাছের বৈচিত্র্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব জেনে তিনি অভিভূত হন।
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এ সফরে একসঙ্গে উঠে আসে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষি, প্রকৃতি ও স্থানীয় ঐতিহ্যের অনন্য চিত্র। একদিকে সমতলে চা চাষের নতুন সম্ভাবনা, অন্যদিকে শতবর্ষের সাক্ষী সূর্যপুরী আমগাছ—দুটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের স্থান পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে জেলার সম্ভাবনা ও ঐতিহ্যের প্রতি তার আগ্রহের বিষয়টিও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি