পাবনার সাঁথিয়ায় জমি ও বসতবাড়ি নামে লিখে না দেওয়ায় মোছা. সুফিয়া খাতুন (৬৫) নামে এক নারীকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার ছেলে ও ছেলের বউয়ের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় সোমবার (৩১ আগস্ট) ভুক্তভোগী বৃদ্ধা সাঁথিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দৌলতপুর গ্রামের মৃত রতন আলী মিয়ার স্ত্রী সুফিয়া খাতুনের (৬৫) ছেলে মো. মোক্তার হোসেন (৫০) কৌশলে বাবার প্রায় ২৭ বিঘা জমি আগেই নিজের নামে লিখে নেন। পরবর্তীতে সুফিয়া খাতুনের নামে থাকা বসতবাড়িটিও নিজের নামে লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন মুক্তার ও তার স্ত্রী মোছা. সাফিনা খাতুন (৪৫)। এতে রাজি না হওয়ায় বৃদ্ধা মায়ের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করা হয়। এক মাস আগে বসতবাড়ি লিখে নেওয়ার বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে ও ছেলের বউ মিলে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন। বের করে দেয়ার পরে বসতঘরে তালা ঝুলিয়ে দেন। বর্তমানে ভুক্তভোগী মা নিজের ঘরে প্রবেশ করতে পারছেন না বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছেলে মোক্তার হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে মায়ের দেওয়া অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমার মা ও বোন আমার বউকে মেরে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল সেজন্য আমি দৌলতপুর গ্রামেই ভাড়া ছিলাম। এখন আমি পাবনা থাকি।
এ বিষয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় সোমবার (৩১ আগস্ট) ভুক্তভোগী বৃদ্ধা সাঁথিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দৌলতপুর গ্রামের মৃত রতন আলী মিয়ার স্ত্রী সুফিয়া খাতুনের (৬৫) ছেলে মো. মোক্তার হোসেন (৫০) কৌশলে বাবার প্রায় ২৭ বিঘা জমি আগেই নিজের নামে লিখে নেন। পরবর্তীতে সুফিয়া খাতুনের নামে থাকা বসতবাড়িটিও নিজের নামে লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন মুক্তার ও তার স্ত্রী মোছা. সাফিনা খাতুন (৪৫)। এতে রাজি না হওয়ায় বৃদ্ধা মায়ের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করা হয়। এক মাস আগে বসতবাড়ি লিখে নেওয়ার বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে ও ছেলের বউ মিলে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন। বের করে দেয়ার পরে বসতঘরে তালা ঝুলিয়ে দেন। বর্তমানে ভুক্তভোগী মা নিজের ঘরে প্রবেশ করতে পারছেন না বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছেলে মোক্তার হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে মায়ের দেওয়া অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমার মা ও বোন আমার বউকে মেরে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল সেজন্য আমি দৌলতপুর গ্রামেই ভাড়া ছিলাম। এখন আমি পাবনা থাকি।
এ বিষয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনলাইন ডেস্ক