নওগাঁর রাণীনগরে থানা হেফাজতে বাছুরের জন্ম দেওয়া সেই আলোচিত বাছুরসহ ৬টি গরুর প্রকাশ্যে নিলাম কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) আদালতের নির্দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই নিলাম স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, জেলাজুড়ে অপরাধ দমন ও চুরি-ডাকাতি রোধে বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে গত ১৫ জুলাই নাটোরের সিংড়া উপজেলার ছোট চৌগ্রাম এলাকা থেকে পাঁচটি চোরাই গরু উদ্ধার করে রাণীনগর থানা পুলিশ। ঘটনার পর গরুর প্রকৃত মালিক খুঁজে না পাওয়ায় আদালত সেগুলো রাণীনগর থানা হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।
থানা হেফাজতে থাকা অবস্থায় স্থানীয় এক খামারির তত্ত্বাবধান ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের নিয়মিত চিকিৎসায় গর্ভবতী একটি গাভী সুস্থ বাছুরের জন্ম দেয়। ফলে গরুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬টিতে। থানা প্রাঙ্গণে বাছুরের জন্ম দেওয়ার এ ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে।
পরবর্তীতে চুরির মামলার (জি.আর নং-৭০/২০২৬) ধারাবাহিকতায় আদালত উদ্ধারকৃত বাছুরসহ ৬টি গরু ৩০ আগস্ট প্রকাশ্যে নিলামের দিন নির্ধারণ করেন। তবে নিলাম প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে নাটোরের সিংড়া উপজেলার পপি রানী হালদার নামের এক ব্যক্তি আদালতে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করেন।
নওগাঁর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এ বিষয়টি বিচারাধীন থাকায় আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিলাম স্থগিতের বিজ্ঞপ্তি জারি করেন নিলাম বিক্রয় কমিটির সভাপতি ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মেহেদী হাসান।
রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মণ্ডল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আদালতের আদেশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই নিলাম কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রোববার (৩০ আগস্ট) আদালতের নির্দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই নিলাম স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, জেলাজুড়ে অপরাধ দমন ও চুরি-ডাকাতি রোধে বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে গত ১৫ জুলাই নাটোরের সিংড়া উপজেলার ছোট চৌগ্রাম এলাকা থেকে পাঁচটি চোরাই গরু উদ্ধার করে রাণীনগর থানা পুলিশ। ঘটনার পর গরুর প্রকৃত মালিক খুঁজে না পাওয়ায় আদালত সেগুলো রাণীনগর থানা হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।
থানা হেফাজতে থাকা অবস্থায় স্থানীয় এক খামারির তত্ত্বাবধান ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের নিয়মিত চিকিৎসায় গর্ভবতী একটি গাভী সুস্থ বাছুরের জন্ম দেয়। ফলে গরুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬টিতে। থানা প্রাঙ্গণে বাছুরের জন্ম দেওয়ার এ ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে।
পরবর্তীতে চুরির মামলার (জি.আর নং-৭০/২০২৬) ধারাবাহিকতায় আদালত উদ্ধারকৃত বাছুরসহ ৬টি গরু ৩০ আগস্ট প্রকাশ্যে নিলামের দিন নির্ধারণ করেন। তবে নিলাম প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে নাটোরের সিংড়া উপজেলার পপি রানী হালদার নামের এক ব্যক্তি আদালতে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করেন।
নওগাঁর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এ বিষয়টি বিচারাধীন থাকায় আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিলাম স্থগিতের বিজ্ঞপ্তি জারি করেন নিলাম বিক্রয় কমিটির সভাপতি ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মেহেদী হাসান।
রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মণ্ডল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আদালতের আদেশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই নিলাম কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অনলাইন ডেস্ক