রাজশাহীর এয়ারপোর্ট থানার বিরস্তইল এলাকায় সাত বিঘা জমি উন্নয়ন করে প্লট আকারে বিক্রির চুক্তি করে প্রতারণা ও চেক ডিজঅনারের অভিযোগে করা মামলায় মাহাবুব রহমান (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি বিরস্তইল এলাকার মৃত শাহাদত হোসেনের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় বায়া ব্র্যাক স্কুলের সামনে থেকে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত মাহাবুব রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মামলার নথি ও বাদীপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে এয়ারপোর্ট থানার চারচিটের মোড় এলাকায় জমির মালিক আমিনুল ইসলামের সঙ্গে মাহাবুব রহমানের সাত বিঘা জমি উন্নয়ন করে প্লট আকারে বিক্রির চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, জমি উন্নয়ন ও প্লট বিক্রি থেকে অর্জিত নিট মুনাফা উভয়ের মধ্যে ভাগ হওয়ার কথা ছিল।
চুক্তির ভিত্তিতে জমির মালিক আমিনুল ইসলাম মাহাবুব রহমানকে জমিটির পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দেন। এর বিপরীতে মাহাবুব রহমান আমিনুল ইসলামকে ওয়ান ব্যাংক লিমিটেডের তিনটি চেক দেন। প্রতিটি চেকের মূল্য ছিল ৪০ লাখ টাকা। তিনটি চেকের মোট মূল্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকা।
বাদীপক্ষের অভিযোগ, জমি উন্নয়ন করে প্লট আকারে বিভিন্ন ক্রেতার কাছে বিক্রি না করে মাহাবুব রহমান প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে জমিটি নিজের স্ত্রীর নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। বিষয়টি জানতে পেরে আমিনুল ইসলাম মাহাবুব রহমানের দেওয়া তিনটি চেক ব্যাংকে জমা দেন। তবে হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকগুলো ডিজঅনার হয়।
পরে আমিনুল ইসলাম রাজশিয়ার জেলা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মাহাবুব রহমানের বিরুদ্ধে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় তিনটি মামলা করেন। মামলাগুলোর নম্বর ৫৩-সি/২০২৩, ৫৫-সি/২০২৩ ও ৬৫-সি/২০২৩।
মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে দুটি মামলার রায়ের পর মাহাবুব রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মাহাবুব রহমানকে আদালতে পাঠানোর পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় বায়া ব্র্যাক স্কুলের সামনে থেকে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত মাহাবুব রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মামলার নথি ও বাদীপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে এয়ারপোর্ট থানার চারচিটের মোড় এলাকায় জমির মালিক আমিনুল ইসলামের সঙ্গে মাহাবুব রহমানের সাত বিঘা জমি উন্নয়ন করে প্লট আকারে বিক্রির চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, জমি উন্নয়ন ও প্লট বিক্রি থেকে অর্জিত নিট মুনাফা উভয়ের মধ্যে ভাগ হওয়ার কথা ছিল।
চুক্তির ভিত্তিতে জমির মালিক আমিনুল ইসলাম মাহাবুব রহমানকে জমিটির পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দেন। এর বিপরীতে মাহাবুব রহমান আমিনুল ইসলামকে ওয়ান ব্যাংক লিমিটেডের তিনটি চেক দেন। প্রতিটি চেকের মূল্য ছিল ৪০ লাখ টাকা। তিনটি চেকের মোট মূল্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকা।
বাদীপক্ষের অভিযোগ, জমি উন্নয়ন করে প্লট আকারে বিভিন্ন ক্রেতার কাছে বিক্রি না করে মাহাবুব রহমান প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে জমিটি নিজের স্ত্রীর নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। বিষয়টি জানতে পেরে আমিনুল ইসলাম মাহাবুব রহমানের দেওয়া তিনটি চেক ব্যাংকে জমা দেন। তবে হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকগুলো ডিজঅনার হয়।
পরে আমিনুল ইসলাম রাজশিয়ার জেলা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মাহাবুব রহমানের বিরুদ্ধে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় তিনটি মামলা করেন। মামলাগুলোর নম্বর ৫৩-সি/২০২৩, ৫৫-সি/২০২৩ ও ৬৫-সি/২০২৩।
মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে দুটি মামলার রায়ের পর মাহাবুব রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মাহাবুব রহমানকে আদালতে পাঠানোর পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
নিজস্ব প্রতিবেদক