নওগাঁর সাপাহারে পাঁচ বছরের এক শিশুকে পোল্ট্রি খামারে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে বর্তমানে নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার উপজেলার তিলনা ইউনিয়নের বারদোয়াস গ্রামে এ নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তের নাম আব্দুল্লাহ (১৩)। সে সম্পর্কে ভিক্টিমের দূর সম্পর্কের চাচা।
শিশুটির পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে তার মাকে বিষয়টি জানায়। স্বজনেরা দ্রুত তাকে প্রথমে সাপাহার ও পরে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। একজন প্রতিবেশী এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বলে জানিয়েছেন ভিক্টিমের পরিবার।
এ বিষয়ে নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান জানান, শিশুটির চিকিৎসা চলমান রয়েছে এবং শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় আলামত ও নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তিনি এটিকে মানবিকতার চরম অবক্ষয় বলে অভিহিত করেন।
নির্যাতিত শিশুর মা সুবিচারের দাবি জানিয়ে বলেন, আমার পাঁচ বছরের শিশুর ওপর যে নির্যাতন চালানো হয়েছে, আমি তার সঠিক ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। দোষীর উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে প্রাথমিক অবস্থায় পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা না নেওয়ার অভিযোগ তুললেও সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাটি সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছি। ভিক্টিমের পরিবার থানায় আসেনি, তারা আসলে তাৎক্ষণিক মামলা নিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মঙ্গলবার উপজেলার তিলনা ইউনিয়নের বারদোয়াস গ্রামে এ নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তের নাম আব্দুল্লাহ (১৩)। সে সম্পর্কে ভিক্টিমের দূর সম্পর্কের চাচা।
শিশুটির পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে তার মাকে বিষয়টি জানায়। স্বজনেরা দ্রুত তাকে প্রথমে সাপাহার ও পরে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। একজন প্রতিবেশী এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বলে জানিয়েছেন ভিক্টিমের পরিবার।
এ বিষয়ে নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান জানান, শিশুটির চিকিৎসা চলমান রয়েছে এবং শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় আলামত ও নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তিনি এটিকে মানবিকতার চরম অবক্ষয় বলে অভিহিত করেন।
নির্যাতিত শিশুর মা সুবিচারের দাবি জানিয়ে বলেন, আমার পাঁচ বছরের শিশুর ওপর যে নির্যাতন চালানো হয়েছে, আমি তার সঠিক ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। দোষীর উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে প্রাথমিক অবস্থায় পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা না নেওয়ার অভিযোগ তুললেও সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাটি সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছি। ভিক্টিমের পরিবার থানায় আসেনি, তারা আসলে তাৎক্ষণিক মামলা নিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিনিধি :