বগুড়ার এরুলিয়া এলাকায় শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের বাসচাপায় সাত দিনমজুর নিহতের ঘটনার প্রধান আসামি বাসচালক নেছারুল ইসলামকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১২)।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভোরে শিবগঞ্জ উপজেলার দৌহপাড়া-সৈয়দপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ফিরোজ আহমেদ।
আসামিকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান তিনি।
গ্রেপ্তার নেছারুল ইসলাম (৪৫) সোনাতলা উপজেলার আগুনিয়া তাইড় গ্রামের প্রয়াত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৭ আগস্ট সকাল ৬টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের এরুলিয়া বাজার এলাকায় এরুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা দিনমজুরদের ওপর উঠে যায় শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি এসি বাস। এতে ঘটনাস্থলেই কয়েকজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মোট সাতজন নিহত এবং ১৪ জন আহত হন।
দুর্ঘটনার পর বাসচালক নেছারুল ইসলাম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ৮ আগস্ট বগুড়া সদর থানায় অজ্ঞাতনামা বাসচালককে আসামি করে মামলা করা হয়।
ফিরোজ আহমেদ বলেন, দুর্ঘটনার পর থেকেই পলাতক বাসচালককে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সোয়া ৪টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার দৌহপাড়া-সৈয়দপুর এলাকায় রশিদ নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব। এসময় সেখান থেকে নেছারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারের পর নেছারুল ইসলামকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভোরে শিবগঞ্জ উপজেলার দৌহপাড়া-সৈয়দপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ফিরোজ আহমেদ।
আসামিকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান তিনি।
গ্রেপ্তার নেছারুল ইসলাম (৪৫) সোনাতলা উপজেলার আগুনিয়া তাইড় গ্রামের প্রয়াত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৭ আগস্ট সকাল ৬টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের এরুলিয়া বাজার এলাকায় এরুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা দিনমজুরদের ওপর উঠে যায় শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি এসি বাস। এতে ঘটনাস্থলেই কয়েকজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মোট সাতজন নিহত এবং ১৪ জন আহত হন।
দুর্ঘটনার পর বাসচালক নেছারুল ইসলাম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ৮ আগস্ট বগুড়া সদর থানায় অজ্ঞাতনামা বাসচালককে আসামি করে মামলা করা হয়।
ফিরোজ আহমেদ বলেন, দুর্ঘটনার পর থেকেই পলাতক বাসচালককে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সোয়া ৪টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার দৌহপাড়া-সৈয়দপুর এলাকায় রশিদ নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব। এসময় সেখান থেকে নেছারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারের পর নেছারুল ইসলামকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রতিনিধি :