হরমুজ় প্রণালীকে আমেরিকার ‘ভূখণ্ডে’ যোগ করার ইচ্ছা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনেক দিনের। বার বার তিনি দাবি করেন, ইরানকে পরাস্ত করার পরে কৌশলগত ভাবে হরমুজ় ভূখণ্ডের দখল নেবে আমেরিকা! দু’দেশের চাপানউতরে মাঝে ট্রাম্প এ বার একটি ছবি শেয়ার করে হরমুজ়কে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি উড়িয়ে দিয়েছে ইরান। তাদের পাল্টা দাবি, ওই জলপথটি আপাতত বন্ধই রয়েছে। ওয়াশিংটন যত ক্ষণ পর্যন্ত না তাদের নীতি পরিবর্তন করছে, তত ক্ষণ বন্ধই থাকবে।
রবিবার নিজের ট্রুথ সোশ্যালে হরমুজ় প্রণালীর একটি ছবি শেয়ার করেন ট্রাম্প। গত ১৮ অগস্ট এই ছবি বিশ্বকে দেখিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তার কয়েক দিন আগে লং আইল্যান্ডের একটি পুলিশ অ্যাকাডেমিতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘‘খুব শীঘ্রই আমি হরমুজ় প্রণালীকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসাবে ঘোষণা করব।’’ রবিবার সমাজমাধ্যমে সেই ‘ঘোষণা’ই করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
যদিও ট্রাম্পের দাবিকে ‘গুরুত্ব’ দিতে নারাজ ইরান। সে দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মহসীন রেজাই জানান, আমেরিকা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা পূরণ না-করলে বা আচরণ না-পাল্টালে হরমুজ় প্রণালী পুনরায় খুলবে না তেহরান। তাঁর আরও দাবি, শুধু কথার কথা নয়। এ ব্যাপারে পদক্ষেপ করতে হবে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। সেই আবহে ট্রাম্পের ছবি পোস্ট আমেরিকা-ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।
অন্য দিকে, হরমুজ় বন্ধ রয়েছে বলে ইরান দাবি করলে সম্প্রতি এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বেড়েছে। নিউ ইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে। আমেরিকার সামুদ্রিক বাণিজ্য কার্যক্রমের তথ্য দিয়ে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, গত সপ্তাহে প্রায় ২০০টি জাহাজ হরমুজ় পার করেছে। তার আগের সপ্তাহে সেই সংখ্যাটা ছিল ১৫০। ট্রাম্প এ-ও দাবি করেছেন, এখনও পর্যন্ত আমেরিকা হরমুজ় প্রণালীতে হাজারের বেশি জাহাজ ‘এসকর্ট’ করে পার করিয়েছে। অর্থাৎ, ইরানের হামলা থেকে বাঁচাতে ওই জাহাজগুলিকে নিরাপত্তা দিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। ট্রাম্প আরও বলেছেন, ‘‘এক দিনে ওই জলপথ দিয়ে ১ কোটি ৬০ লক্ষ ব্যারেল তেল পারাপার করেছে।’’ পাশাপাশি এ-ও জানিয়েছে, ইরানের উপর আরও এক দফা আর্থিক চাপ প্রয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে আমেরিকা।
রবিবার নিজের ট্রুথ সোশ্যালে হরমুজ় প্রণালীর একটি ছবি শেয়ার করেন ট্রাম্প। গত ১৮ অগস্ট এই ছবি বিশ্বকে দেখিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তার কয়েক দিন আগে লং আইল্যান্ডের একটি পুলিশ অ্যাকাডেমিতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘‘খুব শীঘ্রই আমি হরমুজ় প্রণালীকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসাবে ঘোষণা করব।’’ রবিবার সমাজমাধ্যমে সেই ‘ঘোষণা’ই করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
যদিও ট্রাম্পের দাবিকে ‘গুরুত্ব’ দিতে নারাজ ইরান। সে দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মহসীন রেজাই জানান, আমেরিকা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা পূরণ না-করলে বা আচরণ না-পাল্টালে হরমুজ় প্রণালী পুনরায় খুলবে না তেহরান। তাঁর আরও দাবি, শুধু কথার কথা নয়। এ ব্যাপারে পদক্ষেপ করতে হবে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। সেই আবহে ট্রাম্পের ছবি পোস্ট আমেরিকা-ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।
অন্য দিকে, হরমুজ় বন্ধ রয়েছে বলে ইরান দাবি করলে সম্প্রতি এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বেড়েছে। নিউ ইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে। আমেরিকার সামুদ্রিক বাণিজ্য কার্যক্রমের তথ্য দিয়ে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, গত সপ্তাহে প্রায় ২০০টি জাহাজ হরমুজ় পার করেছে। তার আগের সপ্তাহে সেই সংখ্যাটা ছিল ১৫০। ট্রাম্প এ-ও দাবি করেছেন, এখনও পর্যন্ত আমেরিকা হরমুজ় প্রণালীতে হাজারের বেশি জাহাজ ‘এসকর্ট’ করে পার করিয়েছে। অর্থাৎ, ইরানের হামলা থেকে বাঁচাতে ওই জাহাজগুলিকে নিরাপত্তা দিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। ট্রাম্প আরও বলেছেন, ‘‘এক দিনে ওই জলপথ দিয়ে ১ কোটি ৬০ লক্ষ ব্যারেল তেল পারাপার করেছে।’’ পাশাপাশি এ-ও জানিয়েছে, ইরানের উপর আরও এক দফা আর্থিক চাপ প্রয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে আমেরিকা।
আন্তজার্তিক ডেস্ক