রাজশাহীর পুঠিয়ায় পরকীয়ার অভিযোগে এক নারী ও এক যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাত নয়টার দিকে উপজেলার ভাল্লুকগাছি ইউনিয়নের সিংড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিংড়া গ্রামের মো. জসিম উদ্দিনের স্ত্রী মোসা. রাখি (৩৫) ও একই এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে মো. সজল (৩০) পরকীয়ায় জড়িত—এমন অভিযোগ ওঠে। এ অভিযোগের জেরে স্থানীয় কয়েকজন তাঁদের আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন বলে জানা গেছে।
পরে খবর পেয়ে পুঠিয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে। আহত অবস্থায় তাঁদের পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সজলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আর রাখি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, পরকীয়ার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি নারী ও যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের ঘটনাটিও তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তদন্ত শেষে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে মারধর করা বা অপমান করার সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাত নয়টার দিকে উপজেলার ভাল্লুকগাছি ইউনিয়নের সিংড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিংড়া গ্রামের মো. জসিম উদ্দিনের স্ত্রী মোসা. রাখি (৩৫) ও একই এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে মো. সজল (৩০) পরকীয়ায় জড়িত—এমন অভিযোগ ওঠে। এ অভিযোগের জেরে স্থানীয় কয়েকজন তাঁদের আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন বলে জানা গেছে।
পরে খবর পেয়ে পুঠিয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে। আহত অবস্থায় তাঁদের পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সজলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আর রাখি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, পরকীয়ার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি নারী ও যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের ঘটনাটিও তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তদন্ত শেষে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে মারধর করা বা অপমান করার সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।
আরিফুল হক (রুবেল),