গাজীপুরের শ্রীপুরে পোশাকশ্রমিক স্ত্রীর পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় অটোরিকশাচালক স্বামী রুহুল আমিনকে (৩৮) নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের কুমারভিটা গ্রামের বাড়ির পাশের জঙ্গল থেকে রুহুল আমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে কুমারভিটা গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রুহুল আমিন একই ইউনিয়নের কায়েতপাড়া গ্রামের আতাহার আলীর ছেলে। কুমারভিটা গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে থেকে তিনি অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ব্যক্তিরা হলেন— নিহত রুহুল আমিনের শ্বশুর রফিক (৫৫), স্ত্রী হালিমা খাতুন (৩৫), শ্যালক শাহজাহান (২৭), চাচাশ্বশুর তাজউদ্দীন (৫০) ও তার মেয়ে রিমি (১৬)।
নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেন, রুহুল আমিন শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে থাকার কারণে স্ত্রী হালিমা খাতুনের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায়ই তার ঝগড়া হতো। হালিমা খাতুন একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। প্রায়ই তার সামনে স্ত্রীকে মুঠোফোনে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যেত। এ নিয়ে শুক্রবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে শ্বশুর রফিক, স্ত্রী হালিমা খাতুন ও শ্যালক শাহজাহানসহ স্বজনেরা রুহুল আমিনকে মারধর করেন।
তাদের অভিযোগ, রুহুল আমিনের শিশুকন্যা আফরিন বাবার চিৎকার শুনে ঘুম থেকে উঠে তাকে জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি করলেও অভিযুক্তরা মারধর চালিয়ে যেতে থাকেন। পরে রুহুল আমিন মারা গেছেন বুঝতে পেরে রাতেই মরদেহ বাড়ির পাশের জঙ্গলে ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের ছোটবোন ফাতেমা খাতুনের দাবি, পরিকল্পিতভাবে তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। মৃত্যুর ঘটনা ধামাচাপা দিতে মরদেহ বাড়ির পাশের জঙ্গলে রেখে দেওয়া হয়।
বড়ভাই লিটন বলেন, স্থানীয় একটি এনজিও থেকে রুহুল আমিন এক লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। তার চাচা শ্বশুরের ছেলে ওই ঋণের জামিনদার ছিলেন। ঋণের আরও ১৪ হাজার টাকা বকেয়া ছিল। এনজিওর কর্মীরা জামিনদারের বাড়িতে গিয়ে প্রায়ই কিস্তির টাকার জন্য চাপ দিতেন। এ নিয়ে রুহুল আমিন ও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। স্ত্রীর পরকীয়ার প্রতিবাদ এবং কিস্তির টাকা পরিশোধের বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
তবে নিহতের শ্যালক শাহজাহানের স্ত্রী অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, শুক্রবার রাতে তিনি ও তার স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। তারা ওই রাতে তার বাবার বাড়িতে ছিলেন। রুহুল আমিনকে কারা মারধর করেছে, তা তিনি বলতে পারবেন না। তার স্বামী বাড়িতে না থাকলেও পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে গেছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, নিহতের শিশুকন্যার বক্তব্যের ভিত্তিতে নিহতের শ্বশুর, স্ত্রী, শ্যালক, চাচা শ্বশুর এবং তার মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের কুমারভিটা গ্রামের বাড়ির পাশের জঙ্গল থেকে রুহুল আমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে কুমারভিটা গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রুহুল আমিন একই ইউনিয়নের কায়েতপাড়া গ্রামের আতাহার আলীর ছেলে। কুমারভিটা গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে থেকে তিনি অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ব্যক্তিরা হলেন— নিহত রুহুল আমিনের শ্বশুর রফিক (৫৫), স্ত্রী হালিমা খাতুন (৩৫), শ্যালক শাহজাহান (২৭), চাচাশ্বশুর তাজউদ্দীন (৫০) ও তার মেয়ে রিমি (১৬)।
নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেন, রুহুল আমিন শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে থাকার কারণে স্ত্রী হালিমা খাতুনের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায়ই তার ঝগড়া হতো। হালিমা খাতুন একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। প্রায়ই তার সামনে স্ত্রীকে মুঠোফোনে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যেত। এ নিয়ে শুক্রবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে শ্বশুর রফিক, স্ত্রী হালিমা খাতুন ও শ্যালক শাহজাহানসহ স্বজনেরা রুহুল আমিনকে মারধর করেন।
তাদের অভিযোগ, রুহুল আমিনের শিশুকন্যা আফরিন বাবার চিৎকার শুনে ঘুম থেকে উঠে তাকে জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি করলেও অভিযুক্তরা মারধর চালিয়ে যেতে থাকেন। পরে রুহুল আমিন মারা গেছেন বুঝতে পেরে রাতেই মরদেহ বাড়ির পাশের জঙ্গলে ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের ছোটবোন ফাতেমা খাতুনের দাবি, পরিকল্পিতভাবে তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। মৃত্যুর ঘটনা ধামাচাপা দিতে মরদেহ বাড়ির পাশের জঙ্গলে রেখে দেওয়া হয়।
বড়ভাই লিটন বলেন, স্থানীয় একটি এনজিও থেকে রুহুল আমিন এক লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। তার চাচা শ্বশুরের ছেলে ওই ঋণের জামিনদার ছিলেন। ঋণের আরও ১৪ হাজার টাকা বকেয়া ছিল। এনজিওর কর্মীরা জামিনদারের বাড়িতে গিয়ে প্রায়ই কিস্তির টাকার জন্য চাপ দিতেন। এ নিয়ে রুহুল আমিন ও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। স্ত্রীর পরকীয়ার প্রতিবাদ এবং কিস্তির টাকা পরিশোধের বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
তবে নিহতের শ্যালক শাহজাহানের স্ত্রী অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, শুক্রবার রাতে তিনি ও তার স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। তারা ওই রাতে তার বাবার বাড়িতে ছিলেন। রুহুল আমিনকে কারা মারধর করেছে, তা তিনি বলতে পারবেন না। তার স্বামী বাড়িতে না থাকলেও পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে গেছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, নিহতের শিশুকন্যার বক্তব্যের ভিত্তিতে নিহতের শ্বশুর, স্ত্রী, শ্যালক, চাচা শ্বশুর এবং তার মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।
অনলাইন ডেস্ক