মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার হরেকৃষ্ণপুর বাজারে উন্মুক্ত স্থানে মাদক (ইয়াবা ও গাঁজা) বিক্রির প্রতিবাদ করায় মাদক কারবারিদের অতর্কিত হামলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নারীসহ অন্তত ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে ফরিদ মোল্লাসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়ির সামনে মাদক কেনা-বেচা করতে নিষেধ করলে মাদক বিক্রেতা কাসেম ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং গালাগালি করেন।
পরবর্তীতে মাদক কারবারী কাসেম ও তার সহযোগীরা রামদা, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়ালসহ দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।
এদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায়, মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত আরও ৩ জন মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত চিহ্নিত মাদক কারবারি ও হামলাকারীদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম শামীম আহমেদ জানান, এখন পর্যন্ত মামলা রুজু না হওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। মামলা হলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে ফরিদ মোল্লাসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়ির সামনে মাদক কেনা-বেচা করতে নিষেধ করলে মাদক বিক্রেতা কাসেম ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং গালাগালি করেন।
পরবর্তীতে মাদক কারবারী কাসেম ও তার সহযোগীরা রামদা, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়ালসহ দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।
এদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায়, মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত আরও ৩ জন মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত চিহ্নিত মাদক কারবারি ও হামলাকারীদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম শামীম আহমেদ জানান, এখন পর্যন্ত মামলা রুজু না হওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। মামলা হলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।