টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে মা ও তার ১১ বছর বয়সী মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার আনাতাইতারা ইউনিয়নের ধুপুরিয়া গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন- কণিকা আক্তার (২৪) ও তার মেয়ে রাজিয়া (১১)।
পুলিশ জানায়, নিহত কনিকা ওই এলাকার রাজিব মিয়ার স্ত্রী। শুক্রবার দুপুরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। শিশুকন্যাকে হত্যার পর মা আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে রাজীব ও কনিকার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাতে রাজীব হোসেন সিলেটে বেড়াতে যান। শুক্রবার সকালে কনিকা তার মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে শ্বশুর নাজিমউদ্দিন ও শাশুড়ি তাকে বাবার বাড়িতে যেতে বাধা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।
বাড়িতে ফিরে কনিকা মেয়েকে নিয়ে বসতঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর ঘরের ভেতর থেকে শিশু রাজিয়ার চিৎকার শুনতে পান স্থানীয়রা। পরে দরজা ভেঙে কনিকাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। একই ঘরের মেঝেতে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে।
মির্জাপুর থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার আনাতাইতারা ইউনিয়নের ধুপুরিয়া গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন- কণিকা আক্তার (২৪) ও তার মেয়ে রাজিয়া (১১)।
পুলিশ জানায়, নিহত কনিকা ওই এলাকার রাজিব মিয়ার স্ত্রী। শুক্রবার দুপুরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। শিশুকন্যাকে হত্যার পর মা আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে রাজীব ও কনিকার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাতে রাজীব হোসেন সিলেটে বেড়াতে যান। শুক্রবার সকালে কনিকা তার মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে শ্বশুর নাজিমউদ্দিন ও শাশুড়ি তাকে বাবার বাড়িতে যেতে বাধা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।
বাড়িতে ফিরে কনিকা মেয়েকে নিয়ে বসতঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর ঘরের ভেতর থেকে শিশু রাজিয়ার চিৎকার শুনতে পান স্থানীয়রা। পরে দরজা ভেঙে কনিকাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। একই ঘরের মেঝেতে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে।
মির্জাপুর থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি।
অনলাইন ডেস্ক