অফিসে ঢোকামাত্র একগুচ্ছ কাজ নিয়ে বসে পড়ছেন। এক ঘণ্টার মধ্যেই সব সেরে ফেলতে হবে। তার পর রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মিটিং। সেই সব কাজ করতে গিয়ে শৌচাগারে যাওয়ারই সময় হয় না। যত ক্ষণ না পেট ফেটে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, তত ক্ষণ কাজ করেই চলেন। তার পর বাড়ি ফেরা মাত্রই পিঠ-কোমর জানান দেয়। রাতে শুয়েও শান্তি নেই। পিঠ-কোমরের যন্ত্রণায় ছটফট করেন। অফিসে একটানা বসে বসে কাজ করার ফলে ওবেসিটি, ডায়াবিটিস, কোলেস্টেরলের মতো সমস্যাই বাড়ছে না, হাঁটু-কোমরের ব্যথা থেকে শুরু করে ঘাড়ে ব্যথা, কোনও যন্ত্রণাই ছেড়ে কথা বলছে না। বিশেষ করে শিরদাঁড়ায় যন্ত্রণা হলে হাঁটাচলা বা স্বাভাবিক কাজকর্ম করাও মুশকিল হয়ে পড়ছে।
মেরুদণ্ডের ব্যথার বিভিন্ন কারণের মধ্যে আছে স্লিপ ডিস্ক, যার ডাক্তারি নাম ‘ডিস্ক হার্নিয়েশন’। মূলত মেরুদণ্ডের তলার দিকের দু’টি হাড়ের মধ্যবর্তী ডিস্ক স্লিপ করে বেরিয়ে এসে স্নায়ুতে চাপ দিলেই ভয়ানক ব্যথার সূত্রপাত হয়। এই সমস্যা এড়াতে চাইলে কিন্তু অফিসের ৫টি অভ্যাস এখনই বদলে ফেলতে হবে। শুধু বসে থাকার কারণেই নয়, যন্ত্রণার নেপথ্যে থাকতে পারে আরও কারণ। কিন্তু অফিস না গিয়ে তো উপায় নেই, তা হলে কী কী মাথায় রাখলে সমস্যার সমাধান হতে পারে, রইল হদিস।
ভুল বসার ভঙ্গি: সামনের দিকে ঝুঁকে বসা, কাঁধ কুঁকড়ে রাখা বা স্ক্রিনের দিকে ঝুঁকে পড়ার ফলে মেরুদণ্ডের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। দীর্ঘ সময় ধরে এমন ভঙ্গিতে বসে থাকলে পিঠে ব্যথা হতে পারে, কারণ এর ফলে মেরুদণ্ডের ডিস্কগুলি হয়ে সঙ্কুচিত পড়ে। তাই সবার আগে বসার ভঙ্গিমায় বদল আনুন। মাথা উঁচু রেখে ল্যাপটপটি চোখ বরাবর রাখুন, প্রয়োজনে ল্যাপটপ স্ট্যান্ড ব্যবহার করুন।
কোর পেশির দুর্বলতা: পেট ও পিঠের পেশিগুলি আপনার মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক অবলম্বন হিসেবে কাজ করে। দীর্ঘ সময় ধরে এ সব পেশি ব্যবহার না করে বসে থাকলে সেগুলি ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে আপনার কোমরের নীচের অংশে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি চাপ পড়ে। তাই যাঁদের ডেস্কে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করতে হয়, তাঁদের শারীরচর্চার জন্য সময় বার করতেই হবে। দিনে ১৫ মিনিট থেকে আধ ঘণ্টা বরাদ্দ করলেই হবে।
ভুল চেয়ারে বসা: পিঠের নীচের অংশের (লাম্বার) সঠিক সাপোর্ট বা অবলম্বন ছাড়া কোনও চেয়ারে বসা কিংবা খুব উঁচু বা নিচু ডেস্কে বসার ফলে শরীরের ভঙ্গিতে নেতিবাচক বদল আসতে পারে। দৈনন্দিন ছোটখাটো ভুল ভঙ্গি দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যা দূর করতে লাম্বার কুশন ব্যবহার করতে পারেন।
শরীর সচল না রাখা: মেরুদণ্ডকে সচল ও সুস্থ রাখার জন্য নড়াচড়া করা প্রয়োজন। দীর্ঘ সময় ধরে একই অবস্থায় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকলে মেরুদণ্ডের বিভিন্ন অংশে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়, ফলে সেখানে আড়ষ্টতা তৈরি হয়। এর ফলে ক্রমশ উঠে দাঁড়ানোর সময় ব্যথা অনুভূত হতে পারে কিংবা রাতে শোয়ার সময় তীব্র যন্ত্রণা অনুভব হতে পারে। এই সমস্যা এড়াতে কাজের মাঝে ঘণ্টাখানেক পর পর উঠে দাঁড়িয়ে মিনিট পাঁচেক ঘোরাঘুরি করুন।
হিপ ফ্লেক্সরের আড়ষ্টতা: দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকার ফলে হিপ ফ্লেক্সর পেশিগুলি সঙ্কুচিত অবস্থায় থাকে। এই আড়ষ্টতা শ্রোণিদেশের উপর চাপ সৃষ্টি করে, যার ফলে কোমরের নীচের অংশে ছড়িয়ে পড়া টানের কারণে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। এই সমস্যা কমাতে শ্রোণিদেশের আড়ষ্টতা দূর করার যোগাসন, যেমন আনন্দ বালাসন, সেতুবন্ধাসন, মালাসন অভ্যাস করা জরুরি।
মেরুদণ্ডের ব্যথার বিভিন্ন কারণের মধ্যে আছে স্লিপ ডিস্ক, যার ডাক্তারি নাম ‘ডিস্ক হার্নিয়েশন’। মূলত মেরুদণ্ডের তলার দিকের দু’টি হাড়ের মধ্যবর্তী ডিস্ক স্লিপ করে বেরিয়ে এসে স্নায়ুতে চাপ দিলেই ভয়ানক ব্যথার সূত্রপাত হয়। এই সমস্যা এড়াতে চাইলে কিন্তু অফিসের ৫টি অভ্যাস এখনই বদলে ফেলতে হবে। শুধু বসে থাকার কারণেই নয়, যন্ত্রণার নেপথ্যে থাকতে পারে আরও কারণ। কিন্তু অফিস না গিয়ে তো উপায় নেই, তা হলে কী কী মাথায় রাখলে সমস্যার সমাধান হতে পারে, রইল হদিস।
ভুল বসার ভঙ্গি: সামনের দিকে ঝুঁকে বসা, কাঁধ কুঁকড়ে রাখা বা স্ক্রিনের দিকে ঝুঁকে পড়ার ফলে মেরুদণ্ডের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। দীর্ঘ সময় ধরে এমন ভঙ্গিতে বসে থাকলে পিঠে ব্যথা হতে পারে, কারণ এর ফলে মেরুদণ্ডের ডিস্কগুলি হয়ে সঙ্কুচিত পড়ে। তাই সবার আগে বসার ভঙ্গিমায় বদল আনুন। মাথা উঁচু রেখে ল্যাপটপটি চোখ বরাবর রাখুন, প্রয়োজনে ল্যাপটপ স্ট্যান্ড ব্যবহার করুন।
কোর পেশির দুর্বলতা: পেট ও পিঠের পেশিগুলি আপনার মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক অবলম্বন হিসেবে কাজ করে। দীর্ঘ সময় ধরে এ সব পেশি ব্যবহার না করে বসে থাকলে সেগুলি ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে আপনার কোমরের নীচের অংশে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি চাপ পড়ে। তাই যাঁদের ডেস্কে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করতে হয়, তাঁদের শারীরচর্চার জন্য সময় বার করতেই হবে। দিনে ১৫ মিনিট থেকে আধ ঘণ্টা বরাদ্দ করলেই হবে।
ভুল চেয়ারে বসা: পিঠের নীচের অংশের (লাম্বার) সঠিক সাপোর্ট বা অবলম্বন ছাড়া কোনও চেয়ারে বসা কিংবা খুব উঁচু বা নিচু ডেস্কে বসার ফলে শরীরের ভঙ্গিতে নেতিবাচক বদল আসতে পারে। দৈনন্দিন ছোটখাটো ভুল ভঙ্গি দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যা দূর করতে লাম্বার কুশন ব্যবহার করতে পারেন।
শরীর সচল না রাখা: মেরুদণ্ডকে সচল ও সুস্থ রাখার জন্য নড়াচড়া করা প্রয়োজন। দীর্ঘ সময় ধরে একই অবস্থায় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকলে মেরুদণ্ডের বিভিন্ন অংশে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়, ফলে সেখানে আড়ষ্টতা তৈরি হয়। এর ফলে ক্রমশ উঠে দাঁড়ানোর সময় ব্যথা অনুভূত হতে পারে কিংবা রাতে শোয়ার সময় তীব্র যন্ত্রণা অনুভব হতে পারে। এই সমস্যা এড়াতে কাজের মাঝে ঘণ্টাখানেক পর পর উঠে দাঁড়িয়ে মিনিট পাঁচেক ঘোরাঘুরি করুন।
হিপ ফ্লেক্সরের আড়ষ্টতা: দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকার ফলে হিপ ফ্লেক্সর পেশিগুলি সঙ্কুচিত অবস্থায় থাকে। এই আড়ষ্টতা শ্রোণিদেশের উপর চাপ সৃষ্টি করে, যার ফলে কোমরের নীচের অংশে ছড়িয়ে পড়া টানের কারণে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। এই সমস্যা কমাতে শ্রোণিদেশের আড়ষ্টতা দূর করার যোগাসন, যেমন আনন্দ বালাসন, সেতুবন্ধাসন, মালাসন অভ্যাস করা জরুরি।
ফারহানা জেরিন