সারাদেশের শিল্পী, সাহিত্যিক ও কবিদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। এর মাধ্যমে রাজধানী ঢাকা থেকে দেশের যেকোনো প্রান্তের শিল্পীদের কাজ ও পরিচয় সম্পর্কে সহজেই জানা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)।
বুধবার (১২ আগস্ট) বিকালে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলার সাংস্কৃতিককর্মী, সাংস্কৃতিক সংগঠক, লেখক, কবি ও সাহিত্যিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মহাপরিচালক বলেন, গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া অপসংস্কৃতি রোধে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ জরুরি। এ লক্ষ্যে যাত্রাপালাকে আধুনিক অপেরার আদলে গড়ে তোলা এবং নাটক ও পুতুলনাচকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বিদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ৪২টি দেশের সাংস্কৃতিক চুক্তি রয়েছে। এসব চুক্তির মাধ্যমে স্থানীয় শিল্পীদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
শিল্পকলা একাডেমির বাজেট প্রসঙ্গে শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ বলেন, একাডেমির মোট ১০৪ কোটি টাকার বাজেটের মধ্যে ৭২ কোটি টাকা বেতন খাতে ব্যয় হয়। ফলে জেলা পর্যায়ে বড় ধরনের বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা অর্থনৈতিক সংকট রয়েছে। তবে সীমাবদ্ধতার মধ্যেও গুণী শিল্পীদের যথাযথ সম্মান দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, গত দুই বছর শিল্পকলা পদক ও সম্মাননা প্রদান কার্যক্রম বন্ধ ছিল। চলতি বছর প্রতিটি জেলায় যোগ্য শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের শিল্পকলা পদক ও সম্মাননা দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে নওগাঁয় এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রাজশাহীতেও দ্রুত কমিটি গঠন করে যোগ্য ব্যক্তিদের পুরস্কৃত করা হবে।
প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, জেলা পর্যায়ে উপপরিচালক এবং বিভাগীয় পর্যায়ে পরিচালক নিয়োগের মাধ্যমে শিল্পকলা একাডেমির প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে আইন ও প্রবিধানমালা সংস্কারের কাজ চলছে।
এ সময় রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তন সংস্কার এবং উইপোকা দমনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আশ্বাস দেন মহাপরিচালক।
শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি নিজেকে মূলত একজন কবি হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। পরে অনুষ্ঠানের শেষে তিনি তাঁর স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন।
মতবিনিময় সভায় জেলা কালচারাল অফিসার মোঃ ফারুকুর রহমান ফয়সল, নৃত্য পরিচালক হাসিব পান্না, রাজশাহী মহানগর জাসদের সদস্য সচিব মোঃ সেলিম রেজাসহ জেলার সাংস্কৃতিককর্মী, সাংস্কৃতিক সংগঠক, লেখক, কবি ও সাহিত্যিকরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) বিকালে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলার সাংস্কৃতিককর্মী, সাংস্কৃতিক সংগঠক, লেখক, কবি ও সাহিত্যিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মহাপরিচালক বলেন, গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া অপসংস্কৃতি রোধে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ জরুরি। এ লক্ষ্যে যাত্রাপালাকে আধুনিক অপেরার আদলে গড়ে তোলা এবং নাটক ও পুতুলনাচকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বিদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ৪২টি দেশের সাংস্কৃতিক চুক্তি রয়েছে। এসব চুক্তির মাধ্যমে স্থানীয় শিল্পীদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
শিল্পকলা একাডেমির বাজেট প্রসঙ্গে শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ বলেন, একাডেমির মোট ১০৪ কোটি টাকার বাজেটের মধ্যে ৭২ কোটি টাকা বেতন খাতে ব্যয় হয়। ফলে জেলা পর্যায়ে বড় ধরনের বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা অর্থনৈতিক সংকট রয়েছে। তবে সীমাবদ্ধতার মধ্যেও গুণী শিল্পীদের যথাযথ সম্মান দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, গত দুই বছর শিল্পকলা পদক ও সম্মাননা প্রদান কার্যক্রম বন্ধ ছিল। চলতি বছর প্রতিটি জেলায় যোগ্য শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের শিল্পকলা পদক ও সম্মাননা দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে নওগাঁয় এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রাজশাহীতেও দ্রুত কমিটি গঠন করে যোগ্য ব্যক্তিদের পুরস্কৃত করা হবে।
প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, জেলা পর্যায়ে উপপরিচালক এবং বিভাগীয় পর্যায়ে পরিচালক নিয়োগের মাধ্যমে শিল্পকলা একাডেমির প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে আইন ও প্রবিধানমালা সংস্কারের কাজ চলছে।
এ সময় রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তন সংস্কার এবং উইপোকা দমনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আশ্বাস দেন মহাপরিচালক।
শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি নিজেকে মূলত একজন কবি হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। পরে অনুষ্ঠানের শেষে তিনি তাঁর স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন।
মতবিনিময় সভায় জেলা কালচারাল অফিসার মোঃ ফারুকুর রহমান ফয়সল, নৃত্য পরিচালক হাসিব পান্না, রাজশাহী মহানগর জাসদের সদস্য সচিব মোঃ সেলিম রেজাসহ জেলার সাংস্কৃতিককর্মী, সাংস্কৃতিক সংগঠক, লেখক, কবি ও সাহিত্যিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :