মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে একাধিকবার নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী বর্তমানে প্রায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
অভিযোগ সুত্রে জানাজায়, উপজেলার হোগলাকান্দি গ্রামের ওই কিশোরীকে কয়েক মাস আগে বাড়িতে একা পেয়ে প্রতিবেশী তাজুল ইসলামের ছেলে ইসমাম (১৮) নামে এক যুবক প্রথমে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণ করে এবং ঘটনাটি গোপনে মোবাইল ফোনে ধারণ করে। পরবর্তীতে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, একই ভিডিও দেখিয়ে অভিযুক্তের আরও দুই বন্ধু দুই বন্ধু মারুফ (১৯) ও অহিদুলও (১৮) ভুক্তভোগীকে ব্ল্যাকমেইল করে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে তাকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। পরে আল্ট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষায় তার গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন চিকিৎসকরা।
ভুক্তভোগীর বড় বোন অভিযোগ করে বলেন, আমরা গরিব মানুষ, কাজের জন্য বাড়ির বাইরে থাকতে হয়। সেই সুযোগে আমার বোনের সর্বনাশ করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।
কিশোরীর মা বলেন, মেয়েটি ভয়ে এতদিন কিছু বলতে পারেনি। পরে সব খুলে বলেছে। আমরা জড়িতদের কঠোর শাস্তি চাই।
এদিকে মূল অভিযুক্ত ইসমাম তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানো হচ্ছে। তিনি প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে ডিএনএ পরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন।
গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নকীব আকরাম হোসেন জানান, ভুক্তভোগী পরিবার থানায় এসেছে তাদের মুখ থেকে বিষয়টি শুনছি। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগ সুত্রে জানাজায়, উপজেলার হোগলাকান্দি গ্রামের ওই কিশোরীকে কয়েক মাস আগে বাড়িতে একা পেয়ে প্রতিবেশী তাজুল ইসলামের ছেলে ইসমাম (১৮) নামে এক যুবক প্রথমে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণ করে এবং ঘটনাটি গোপনে মোবাইল ফোনে ধারণ করে। পরবর্তীতে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, একই ভিডিও দেখিয়ে অভিযুক্তের আরও দুই বন্ধু দুই বন্ধু মারুফ (১৯) ও অহিদুলও (১৮) ভুক্তভোগীকে ব্ল্যাকমেইল করে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে তাকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। পরে আল্ট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষায় তার গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন চিকিৎসকরা।
ভুক্তভোগীর বড় বোন অভিযোগ করে বলেন, আমরা গরিব মানুষ, কাজের জন্য বাড়ির বাইরে থাকতে হয়। সেই সুযোগে আমার বোনের সর্বনাশ করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।
কিশোরীর মা বলেন, মেয়েটি ভয়ে এতদিন কিছু বলতে পারেনি। পরে সব খুলে বলেছে। আমরা জড়িতদের কঠোর শাস্তি চাই।
এদিকে মূল অভিযুক্ত ইসমাম তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানো হচ্ছে। তিনি প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে ডিএনএ পরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন।
গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নকীব আকরাম হোসেন জানান, ভুক্তভোগী পরিবার থানায় এসেছে তাদের মুখ থেকে বিষয়টি শুনছি। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনলাইন ডেস্ক