দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে সবাইকে সর্তক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করার সুযোগ পায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে জনগণ। আর পেছনে পড়ে থাকা যাবে না। এখন একটি লক্ষ্য, একটিই উদ্দেশ্য-জনগণের জীবনমান উন্নত করা।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মহেশখালীর মাতাবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে বাঁশখালী বাহারছড়ায় আসেন। সেখানে তিনি পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে পশ্চিম বাঁশখালীর বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে নতুন টিনের ঘর ও ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন। কয়েক হাজার গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সমাবেশে রুপ নেয়।
তিনি বলেন, দেশে শান্তি শৃঙ্খলা ঠিক থাকতে হবে। ছোট দোকানদার বা ছোট ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসার যেন ক্ষতি না হয়। দেশীয় বা বিদেশি বিনিয়োগকারী যারা আছেন তারা যখন বিনিয়োগ করবেন, তারা তো চাইবেন যেন তাদের মিল-কারখানার উৎপাদিত পণ্য ঠিকভাবে বন্দর নিয়ে যেতে পারেন। রাস্তাঘাটে যেন শান্তি থাকে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যদি মিল-কারখানা সঠিকভাবে না চলে তাহলে কি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব? হবে না। যারা শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায় তাদের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, সজাগ থাকতে হবে।
শিশুদের পড়াশোনা ও বেড়ে ওঠার পরিবেশের জন্য আইন-শৃঙ্খলার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যদি সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করতে হয়, সুন্দরভাবে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করতে হয়, স্কুল-কলেজ সুন্দরভাবে তৈরি করতে হয়, শিক্ষকদের যদি ট্রেনিং দিতে হয়, ছাত্রছাত্রীদের যদি নতুন বই দিতে হয়, তাহলে আমাদেরকে দেশের আইন-শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে হবে।
জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একইভাবে সতর্ক থাকতে হবে আমাদের যারা বিভ্রান্ত করতে চায় তারা যেন কোনো সুযোগ না পায়। কারণ, বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করার সুযোগ পায় তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে জনগণ। বিভ্রান্তকারী যারা তারা তো নিজেদের মত করে চলে যাবে। তারা তো জনগণের সঙ্গে থাকবে না। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, বাংলাদেশের মানুষকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আমরা কি আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো নাকি আমরা ঝগড়া-ফ্যাসাদে লিপ্ত থাকবো? নাকি আমরা বিভ্রান্তকারীদের সঙ্গে থাকবো?
সংসদে জ্বালানি পরিকল্পনা দেবে সরকার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমরা জানি বিগত স্বৈরাচার আমলে এই দেশের জ্বালানি বা বিদ্যুৎ খাতকে গুটিসংখ্যক ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা করা হয়েছিল যা এই দেশের মানুষের পক্ষে যায়নি।
তিনি বলেন, দেশের জনগণের স্বার্থে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিকল্পনা করতে স্বাভাবিকভাবে কিছু সময়ের প্রয়োজন। আমরা এরই ভেতরে এই কাজে হাত দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের সামনে আগামী ১০ বছর আমাদের জ্বালানি পরিকল্পনা কী হবে সেই প্রস্তাবনা আমরা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবো। জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করার মাধ্যমে সেই কাজ আমরা শুরু করবো। স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, মিল-কারখানা, বাসা-বাড়ি যাই হোক না কেন, মানুষ যেন ঠিকভাবে বিদ্যুৎ পেতে পারে। গাড়ি-ঘোড়া, মোটরসাইকেল সবকিছুতে যেন মানুষ ঠিকভাবে গ্যাস পেতে পারে সেই পরিকল্পনা আমরা গ্রহণ করবো।
বিগত কিছুদিন ধরে কিছু মানুষ এই ব্যাপারে (জ্বালানি ) বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, বিএনপি সরকার সংসদে পরিকল্পনা উপস্থাপন করবে।
বিভ্রান্তকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের যদি পরিকল্পনা থাকে আসুন জনগণের সামনে উপস্থাপন করুন। কিন্তু বিভ্রান্তিকর কথা বলে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করবেন না, জনগণের শান্তি নষ্ট করবেন না। এখন জনগণের জন্য কাজ করার সময়, এখন দেশ গঠনের জন্য কাজ করার সময়। পৃথিবীর বহু দেশ আমাদের পরে স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু তারা কাজ করার মাধ্যমে, পরিশ্রম করার মাধ্যমে তাদের দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর পেছনে পড়ে থাকা যাবে না। এখন একটি লক্ষ্য, একটিই উদ্দেশ্য-জনগণের জীবনমান উন্নত করা, দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। জনগনের জন্য যেসব পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছি তাতে আপনাদের সমর্থন থাকতে হবে। কারণ, আমরা সবসময় বলি আমাদের অর্থাৎ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সব ক্ষমতার উৎস হচ্ছে জনগণ। জনগণের সমর্থন থাকলে আমরা জনগণের স্বার্থে যতগুলো কর্মসূচি সবগুলো আল্লাহর রহমতে আমরা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবো।
বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কর্মশক্তিতে রূপান্তর করতে চাই মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এতে করে প্রত্যেকটি মানুষ দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারবে। যেন প্রত্যেকটি মানুষ নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের এবং পরিবারের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারে। আমরা সেই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, আমরা সেই বাংলাদেশের জন্য অপেক্ষা করেছি।
তিনি বলেন, কিন্তু এটার জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকলে চলবে না। আমাদের কাজ করতে হবে। আমাদের ফসলের উৎপাদন বাড়াতে হবে, আমাদের কর্মসংস্থান এবং শিল্পের বিপ্লব ঘটাতে হবে।
উপস্থিত জনতা ও নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আসুন, আজকের এই জনসভায় আমরা সেই শপথ নিয়ে সেই প্রতিজ্ঞা করি যে, বাংলাদেশের মানুষ আর বিভ্রান্ত হবে না। বাংলাদেশের মানুষ এখন সামনের দিকে যাবে। বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন করবে।
এছাড়াও, বাঁশখালী বেড়িবাঁধ নির্মাণ, লবনমূল্য নির্ধারণসহ স্থানীয়দের বিভিন্ন দাবির প্রতি ইতিবাচক মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মহেশখালীর মাতাবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে বাঁশখালী বাহারছড়ায় আসেন। সেখানে তিনি পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে পশ্চিম বাঁশখালীর বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে নতুন টিনের ঘর ও ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন। কয়েক হাজার গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সমাবেশে রুপ নেয়।
তিনি বলেন, দেশে শান্তি শৃঙ্খলা ঠিক থাকতে হবে। ছোট দোকানদার বা ছোট ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসার যেন ক্ষতি না হয়। দেশীয় বা বিদেশি বিনিয়োগকারী যারা আছেন তারা যখন বিনিয়োগ করবেন, তারা তো চাইবেন যেন তাদের মিল-কারখানার উৎপাদিত পণ্য ঠিকভাবে বন্দর নিয়ে যেতে পারেন। রাস্তাঘাটে যেন শান্তি থাকে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যদি মিল-কারখানা সঠিকভাবে না চলে তাহলে কি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব? হবে না। যারা শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায় তাদের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, সজাগ থাকতে হবে।
শিশুদের পড়াশোনা ও বেড়ে ওঠার পরিবেশের জন্য আইন-শৃঙ্খলার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যদি সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করতে হয়, সুন্দরভাবে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করতে হয়, স্কুল-কলেজ সুন্দরভাবে তৈরি করতে হয়, শিক্ষকদের যদি ট্রেনিং দিতে হয়, ছাত্রছাত্রীদের যদি নতুন বই দিতে হয়, তাহলে আমাদেরকে দেশের আইন-শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে হবে।
জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একইভাবে সতর্ক থাকতে হবে আমাদের যারা বিভ্রান্ত করতে চায় তারা যেন কোনো সুযোগ না পায়। কারণ, বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করার সুযোগ পায় তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে জনগণ। বিভ্রান্তকারী যারা তারা তো নিজেদের মত করে চলে যাবে। তারা তো জনগণের সঙ্গে থাকবে না। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, বাংলাদেশের মানুষকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আমরা কি আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো নাকি আমরা ঝগড়া-ফ্যাসাদে লিপ্ত থাকবো? নাকি আমরা বিভ্রান্তকারীদের সঙ্গে থাকবো?
সংসদে জ্বালানি পরিকল্পনা দেবে সরকার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমরা জানি বিগত স্বৈরাচার আমলে এই দেশের জ্বালানি বা বিদ্যুৎ খাতকে গুটিসংখ্যক ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা করা হয়েছিল যা এই দেশের মানুষের পক্ষে যায়নি।
তিনি বলেন, দেশের জনগণের স্বার্থে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিকল্পনা করতে স্বাভাবিকভাবে কিছু সময়ের প্রয়োজন। আমরা এরই ভেতরে এই কাজে হাত দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের সামনে আগামী ১০ বছর আমাদের জ্বালানি পরিকল্পনা কী হবে সেই প্রস্তাবনা আমরা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবো। জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করার মাধ্যমে সেই কাজ আমরা শুরু করবো। স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, মিল-কারখানা, বাসা-বাড়ি যাই হোক না কেন, মানুষ যেন ঠিকভাবে বিদ্যুৎ পেতে পারে। গাড়ি-ঘোড়া, মোটরসাইকেল সবকিছুতে যেন মানুষ ঠিকভাবে গ্যাস পেতে পারে সেই পরিকল্পনা আমরা গ্রহণ করবো।
বিগত কিছুদিন ধরে কিছু মানুষ এই ব্যাপারে (জ্বালানি ) বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, বিএনপি সরকার সংসদে পরিকল্পনা উপস্থাপন করবে।
বিভ্রান্তকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের যদি পরিকল্পনা থাকে আসুন জনগণের সামনে উপস্থাপন করুন। কিন্তু বিভ্রান্তিকর কথা বলে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করবেন না, জনগণের শান্তি নষ্ট করবেন না। এখন জনগণের জন্য কাজ করার সময়, এখন দেশ গঠনের জন্য কাজ করার সময়। পৃথিবীর বহু দেশ আমাদের পরে স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু তারা কাজ করার মাধ্যমে, পরিশ্রম করার মাধ্যমে তাদের দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর পেছনে পড়ে থাকা যাবে না। এখন একটি লক্ষ্য, একটিই উদ্দেশ্য-জনগণের জীবনমান উন্নত করা, দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। জনগনের জন্য যেসব পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছি তাতে আপনাদের সমর্থন থাকতে হবে। কারণ, আমরা সবসময় বলি আমাদের অর্থাৎ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সব ক্ষমতার উৎস হচ্ছে জনগণ। জনগণের সমর্থন থাকলে আমরা জনগণের স্বার্থে যতগুলো কর্মসূচি সবগুলো আল্লাহর রহমতে আমরা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবো।
বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কর্মশক্তিতে রূপান্তর করতে চাই মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এতে করে প্রত্যেকটি মানুষ দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারবে। যেন প্রত্যেকটি মানুষ নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের এবং পরিবারের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারে। আমরা সেই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, আমরা সেই বাংলাদেশের জন্য অপেক্ষা করেছি।
তিনি বলেন, কিন্তু এটার জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকলে চলবে না। আমাদের কাজ করতে হবে। আমাদের ফসলের উৎপাদন বাড়াতে হবে, আমাদের কর্মসংস্থান এবং শিল্পের বিপ্লব ঘটাতে হবে।
উপস্থিত জনতা ও নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আসুন, আজকের এই জনসভায় আমরা সেই শপথ নিয়ে সেই প্রতিজ্ঞা করি যে, বাংলাদেশের মানুষ আর বিভ্রান্ত হবে না। বাংলাদেশের মানুষ এখন সামনের দিকে যাবে। বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন করবে।
এছাড়াও, বাঁশখালী বেড়িবাঁধ নির্মাণ, লবনমূল্য নির্ধারণসহ স্থানীয়দের বিভিন্ন দাবির প্রতি ইতিবাচক মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।
অনলাইন ডেস্ক