রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়ন পরিষদের(ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান টিটুসহ কয়েকজন ইউপি সদস্য ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা।
গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে মান্ডইল এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অপসারণ, ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
এদিকে এই মানববন্ধন নিয়ে এলাকায় জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।স্থানীয়রা বলছে,একটি গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে রাজনৈতিক ট্যাগ ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান টিটুকে ফাঁসিয়ে বসে আনতে উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচার শুরু করেছে।এরই অংশ হিসেবে পরিচিত মুখের হাতেগোনা কিছু ব্যক্তিকে নিয়ে কথিত এই মানববন্ধন করেছে।
অন্যদিকে সচেতন মহলের প্রশ্ন কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়। ইউপির কোনো সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী বা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ থাকে তাহলে আইনিভাবে সেটা মোকাবেলা করা উচিৎ। কথিত মানববন্ধন বা মব সৃষ্টি করা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইউপির প্রায় দেড় কিলোমিটার একটি খাল পুনঃখননের জন্য প্রায় ৩৮ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়।কিন্ত্ত তাদের অভিযোগ মাত্র ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার কাজ করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
অথচ খাল পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ একাধিক প্রতিনিধি দল খাল পুনঃখনন প্রকল্প পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।তাদের মতামতের ভিত্তিতে বিল পরিশোধ করা হয়েছে। তাহলে এখানে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রশ্ন আসছে কেন ?
অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে তো প্রতিনিধি দল সেটা ধরে ব্যবস্থা নিতে পারতেন।যেখানে একাধিক প্রতিনিধি দল কাজ পরিদর্শন করে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির সন্ধান পায়নি, সেখানে সাধারণ মানুষ কিভাবে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ আনে ? এটাতো হাস্যকর।
এছাড়াও ড্রেন, কালভার্ট, টিআর, কাবিখা, কাবিটাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের অর্থ যথাযথ কাজ না করেই উত্তোলনের অভিযোগ তোলেন বক্তারা। তারা বলেন, এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রত্যাশিত সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।অথচ এসব কাজের সঙ্গে চেয়ারম্যানের কোনো সম্পৃক্ততা নাই এগুলো সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যরা করে থাকেন। তাহলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ কি উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত নয় ?
স্থানীয়রা বলছে,একটি গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এসব প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।
এদিকে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রিশিকুল ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান টিটু বলেন, খাল খনন প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন এবং কাজের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান বলেন, তিনি মাত্র দুই মাস আগে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে (পিআইও) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে মান্ডইল এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অপসারণ, ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
এদিকে এই মানববন্ধন নিয়ে এলাকায় জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।স্থানীয়রা বলছে,একটি গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে রাজনৈতিক ট্যাগ ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান টিটুকে ফাঁসিয়ে বসে আনতে উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচার শুরু করেছে।এরই অংশ হিসেবে পরিচিত মুখের হাতেগোনা কিছু ব্যক্তিকে নিয়ে কথিত এই মানববন্ধন করেছে।
অন্যদিকে সচেতন মহলের প্রশ্ন কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়। ইউপির কোনো সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী বা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ থাকে তাহলে আইনিভাবে সেটা মোকাবেলা করা উচিৎ। কথিত মানববন্ধন বা মব সৃষ্টি করা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইউপির প্রায় দেড় কিলোমিটার একটি খাল পুনঃখননের জন্য প্রায় ৩৮ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়।কিন্ত্ত তাদের অভিযোগ মাত্র ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার কাজ করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
অথচ খাল পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ একাধিক প্রতিনিধি দল খাল পুনঃখনন প্রকল্প পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।তাদের মতামতের ভিত্তিতে বিল পরিশোধ করা হয়েছে। তাহলে এখানে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রশ্ন আসছে কেন ?
অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে তো প্রতিনিধি দল সেটা ধরে ব্যবস্থা নিতে পারতেন।যেখানে একাধিক প্রতিনিধি দল কাজ পরিদর্শন করে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির সন্ধান পায়নি, সেখানে সাধারণ মানুষ কিভাবে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ আনে ? এটাতো হাস্যকর।
এছাড়াও ড্রেন, কালভার্ট, টিআর, কাবিখা, কাবিটাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের অর্থ যথাযথ কাজ না করেই উত্তোলনের অভিযোগ তোলেন বক্তারা। তারা বলেন, এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রত্যাশিত সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।অথচ এসব কাজের সঙ্গে চেয়ারম্যানের কোনো সম্পৃক্ততা নাই এগুলো সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যরা করে থাকেন। তাহলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ কি উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত নয় ?
স্থানীয়রা বলছে,একটি গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এসব প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।
এদিকে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রিশিকুল ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান টিটু বলেন, খাল খনন প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন এবং কাজের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান বলেন, তিনি মাত্র দুই মাস আগে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে (পিআইও) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
আলিফ হোসেন