স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, এমপি বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। টেকসই উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত রাখা হবে। তিনি বলেন, বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা কোনো রাজনৈতিক পর্যায় থেকে পুলিশের নিয়োগ, বদলি বা অন্য কোনো প্রশাসনিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না।
রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে রাজশাহী পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে রাজশাহীর বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজশাহী রেঞ্জ ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতে রাজনৈতিক স্বার্থে পুলিশকে ব্যবহার করায় বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমান সরকার পুলিশকে একটি পেশাদার, নিরপেক্ষ ও জনগণের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে কাজ করছে।
তিনি জানান, পুলিশ বাহিনীতে পেশাদারিত্ব ও সততার মূল্যায়নে ‘পুরস্কার ও শাস্তি’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। যারা সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের পদক, সনদ ও আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হবে। পাশাপাশি পদোন্নতির ক্ষেত্রেও এসব বিষয় গুরুত্ব পাবে।
পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রতিটি জেলায় প্রয়োজন অনুযায়ী সাইবার ল্যাব স্থাপন করা হবে। ডার্ক ওয়েব ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশকে আরও দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট কেস ডকেট পুলিশের কাছেই সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যাতে সরকার পরিবর্তনের পরও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সুরক্ষিত থাকে এবং বিচার কার্যক্রম ব্যাহত না হয়।
তিনি আরও বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে আধুনিক অস্ত্র, প্রশিক্ষণ, ড্রোন ও ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ দমনে আইনের সংজ্ঞা ও বয়সসীমা পুনর্মূল্যায়নের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে। একই সঙ্গে ‘মব কালচার’ বা গণপিটুনির মতো অপরাধ কঠোরভাবে দমন করে এ ধরনের ঘটনার সংখ্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নারী পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে বিভাগীয় হাসপাতালগুলোতে গাইনোকোলজি ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আবাসন সংকট নিরসনে ১০০টির বেশি মডেল থানা নির্মাণের প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া জনবল সংকট কাটিয়ে উঠতে ১০ হাজার কনস্টেবল এবং ৪ হাজার সাব-ইন্সপেক্টর (সরাসরি ও পদোন্নতির মাধ্যমে) নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসব নিয়োগ সম্পন্ন হলে পর্যায়ক্রমে ৮ ঘণ্টার শিফটভিত্তিক ডিউটি ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার এবং দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি এ কে এম আওলাদ হোসেন ও খন্দকার রফিকুল ইসলাম। এছাড়া রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আশিক সাঈদ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবীর, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানসহ বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দেন।
রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে রাজশাহী পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে রাজশাহীর বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজশাহী রেঞ্জ ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতে রাজনৈতিক স্বার্থে পুলিশকে ব্যবহার করায় বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমান সরকার পুলিশকে একটি পেশাদার, নিরপেক্ষ ও জনগণের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে কাজ করছে।
তিনি জানান, পুলিশ বাহিনীতে পেশাদারিত্ব ও সততার মূল্যায়নে ‘পুরস্কার ও শাস্তি’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। যারা সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের পদক, সনদ ও আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হবে। পাশাপাশি পদোন্নতির ক্ষেত্রেও এসব বিষয় গুরুত্ব পাবে।
পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রতিটি জেলায় প্রয়োজন অনুযায়ী সাইবার ল্যাব স্থাপন করা হবে। ডার্ক ওয়েব ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশকে আরও দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট কেস ডকেট পুলিশের কাছেই সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যাতে সরকার পরিবর্তনের পরও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সুরক্ষিত থাকে এবং বিচার কার্যক্রম ব্যাহত না হয়।
তিনি আরও বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে আধুনিক অস্ত্র, প্রশিক্ষণ, ড্রোন ও ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ দমনে আইনের সংজ্ঞা ও বয়সসীমা পুনর্মূল্যায়নের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে। একই সঙ্গে ‘মব কালচার’ বা গণপিটুনির মতো অপরাধ কঠোরভাবে দমন করে এ ধরনের ঘটনার সংখ্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নারী পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে বিভাগীয় হাসপাতালগুলোতে গাইনোকোলজি ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আবাসন সংকট নিরসনে ১০০টির বেশি মডেল থানা নির্মাণের প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া জনবল সংকট কাটিয়ে উঠতে ১০ হাজার কনস্টেবল এবং ৪ হাজার সাব-ইন্সপেক্টর (সরাসরি ও পদোন্নতির মাধ্যমে) নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসব নিয়োগ সম্পন্ন হলে পর্যায়ক্রমে ৮ ঘণ্টার শিফটভিত্তিক ডিউটি ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার এবং দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি এ কে এম আওলাদ হোসেন ও খন্দকার রফিকুল ইসলাম। এছাড়া রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আশিক সাঈদ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবীর, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানসহ বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :