রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী গোদাগাড়ী পৌরসভার প্রায় ১০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ দ্রুত গতিয়ে এগিয়ে চলেছে।
এসব উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি পাবে,একইসঙ্গে এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নে বড় ভুমিকা রাখবে।এদিকে একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এসব উন্নযন প্রকল্পের কাজ নিয়ে মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে 'গোদাগাড়ী পৌরসভার ১০ কোটি টাকার সড়ক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ'শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এদিকে গোদাগাড়ী পৌর কর্তৃপক্ষ প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত দাবি করে বলেন,যেখানে সবেমাত্র কাজ শুরু হয়েছে,এখানো কাজের মেয়াদ শেষ হয়নি,এমনকি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কোনো বিল দেয়া হয়নি, এমতাবস্থায় উন্নয়ন কাজে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ করা কতটা যৌক্তিক ? অন্যদিকে এসব অপপ্রচার নিয়ে সচেতন মহল ও নাগরিকগণের মাঝে মিশ্রপ্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সুত্র জানায় ঠিকাদারী কার্যাদেশ না পেয়ে একটি মহল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সুনামক্ষুন্ন ও উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্ত করতে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এসব মিথ্যা এবং মনগড়া তথ্য সরবরাহ করেছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, উন্নয়ন কাজে সিডিউল না মেনে তিন নম্বর ইটের খোয়া, ভরাট বালু, এঁটেল মাটি ও নিম্নমানের পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি বৃষ্টির মধ্যেও ঢালাই কাজ চলেছে। আরো বলা হয়েছে, পৌরসভার সুলতানগঞ্জ এলাকায় সড়ক সংস্কার কাজে ব্যবহারের জন্য নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে ড্রেন নির্মাণ ও সড়ক সংস্কারে ব্যবহৃত সামগ্রীর মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সংবাদে আরো বলা হয়েছে, ঠিকাদারকে সহযোগিতা করছেন পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত সচিব ও সহকারী প্রকৌশলী সারওয়ার জাহান মুকুল, উপসহকারী প্রকৌশলী জাহিদুল হক, আরইউটিডি প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী মামুনুর রশিদ ও উপসহকারী প্রকৌশলী হারেস শেখ। অথচ এসব অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য উপাত্য কারো কাছে নাই, ফলে এসব মনগড়া ও ভিত্তিহীন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) আরইউটিডি প্রকল্পের আওতায় ১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ে চার কিলোমিটার ৯৮০ মিটার সড়ক এবং এক হাজার ২০০ মিটার ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে। কাজটির মূল ঠিকাদার ঢাকার এমএ ইঞ্জিনিয়ারিং হলেও সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করছে রাজশাহীর এলিজা এন্টারপ্রাইজ। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়।
এবিষয়ে এলজিইডি আরইউটিডি প্রকল্পের উপসহকারী প্রকৌশলী হারেস শেখ বলেন, “ঢালাইয়ের উপকরণ আগেই প্রস্তুত করা হয়েছিল, তাই কাজ চালিয়ে যেতে হয়েছে।” তবে এতে কাজের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
এবিষয়ে জানতে চাইলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারী প্রকৌশলী সারওয়ার জাহান মুকুল বলেন, “তিন নম্বর ইটের খোয়া বা নিম্নমানের বালু ব্যবহারের অভিযোগ সঠিক নয়। সিডিউল অনুযায়ী পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে। ইয়ার্ডে থাকা নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার না করার আশ্বাস দিয়েছে ঠিকাদার। প্রকৌশলীদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগও ভিত্তিহীন।”
এবিষয়ে এলিজা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আসাদুল ইসলাম বলেন, “বৃষ্টির কারণে ইটের রঙ নষ্ট হয়েছে। তিন নম্বর ইট বা নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ সত্য নয়। প্রকৌশলীদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
এ বিষয়ে এলজিইডি রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, “আমি বর্তমানে ঢাকায় সভায় আছি। রাজশাহীতে ফিরে অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করব। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসব উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি পাবে,একইসঙ্গে এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নে বড় ভুমিকা রাখবে।এদিকে একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এসব উন্নযন প্রকল্পের কাজ নিয়ে মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে 'গোদাগাড়ী পৌরসভার ১০ কোটি টাকার সড়ক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ'শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এদিকে গোদাগাড়ী পৌর কর্তৃপক্ষ প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত দাবি করে বলেন,যেখানে সবেমাত্র কাজ শুরু হয়েছে,এখানো কাজের মেয়াদ শেষ হয়নি,এমনকি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কোনো বিল দেয়া হয়নি, এমতাবস্থায় উন্নয়ন কাজে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ করা কতটা যৌক্তিক ? অন্যদিকে এসব অপপ্রচার নিয়ে সচেতন মহল ও নাগরিকগণের মাঝে মিশ্রপ্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সুত্র জানায় ঠিকাদারী কার্যাদেশ না পেয়ে একটি মহল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সুনামক্ষুন্ন ও উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্ত করতে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এসব মিথ্যা এবং মনগড়া তথ্য সরবরাহ করেছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, উন্নয়ন কাজে সিডিউল না মেনে তিন নম্বর ইটের খোয়া, ভরাট বালু, এঁটেল মাটি ও নিম্নমানের পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি বৃষ্টির মধ্যেও ঢালাই কাজ চলেছে। আরো বলা হয়েছে, পৌরসভার সুলতানগঞ্জ এলাকায় সড়ক সংস্কার কাজে ব্যবহারের জন্য নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে ড্রেন নির্মাণ ও সড়ক সংস্কারে ব্যবহৃত সামগ্রীর মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সংবাদে আরো বলা হয়েছে, ঠিকাদারকে সহযোগিতা করছেন পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত সচিব ও সহকারী প্রকৌশলী সারওয়ার জাহান মুকুল, উপসহকারী প্রকৌশলী জাহিদুল হক, আরইউটিডি প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী মামুনুর রশিদ ও উপসহকারী প্রকৌশলী হারেস শেখ। অথচ এসব অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য উপাত্য কারো কাছে নাই, ফলে এসব মনগড়া ও ভিত্তিহীন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) আরইউটিডি প্রকল্পের আওতায় ১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ে চার কিলোমিটার ৯৮০ মিটার সড়ক এবং এক হাজার ২০০ মিটার ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে। কাজটির মূল ঠিকাদার ঢাকার এমএ ইঞ্জিনিয়ারিং হলেও সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করছে রাজশাহীর এলিজা এন্টারপ্রাইজ। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়।
এবিষয়ে এলজিইডি আরইউটিডি প্রকল্পের উপসহকারী প্রকৌশলী হারেস শেখ বলেন, “ঢালাইয়ের উপকরণ আগেই প্রস্তুত করা হয়েছিল, তাই কাজ চালিয়ে যেতে হয়েছে।” তবে এতে কাজের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
এবিষয়ে জানতে চাইলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারী প্রকৌশলী সারওয়ার জাহান মুকুল বলেন, “তিন নম্বর ইটের খোয়া বা নিম্নমানের বালু ব্যবহারের অভিযোগ সঠিক নয়। সিডিউল অনুযায়ী পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে। ইয়ার্ডে থাকা নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার না করার আশ্বাস দিয়েছে ঠিকাদার। প্রকৌশলীদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগও ভিত্তিহীন।”
এবিষয়ে এলিজা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আসাদুল ইসলাম বলেন, “বৃষ্টির কারণে ইটের রঙ নষ্ট হয়েছে। তিন নম্বর ইট বা নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ সত্য নয়। প্রকৌশলীদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
এ বিষয়ে এলজিইডি রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, “আমি বর্তমানে ঢাকায় সভায় আছি। রাজশাহীতে ফিরে অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করব। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আলিফ হোসেন