সারা দেশের ন্যায় জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেল ৫টায় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে পৌর শহরের কুয়েত মসজিদ সংলগ্ন দলীয় কার্যালয় থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য গণমিছিল বের হয়। মিছিলটি পৌর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শিবদিঘি যাত্রী ছাউনি জিরোপয়েন্ট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
পরে সেখানে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মিন্নাতুল্লাহ পাঠানের সঞ্চালনায় এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মিজানুর রহমান মাস্টার, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মতিউর রহমান, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আনিস আহম্মেদ এবং উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি মোকাররম হোসাইন।
এ সময় উপজেলা জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এবং সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হলে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট ও হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের পথ রুদ্ধ হবে। তাদের ভাষ্য, এ কারণেই সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আন্তরিক নয়। বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপস করতে চায়, স্বাধীন গুম কমিশন গঠনের বিরোধিতা করে এবং জুলুম-নির্যাতনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায়, তারাই গণভোটের রায় বাস্তবায়নে অনাগ্রহী। বক্তারা অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
তারা আরও বলেন, দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ গণভোটের মাধ্যমে সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সেই সংস্কার বাস্তবায়ন না হওয়ায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তাই জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান জানিয়ে দ্রুত দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান বক্তারা।
সবশেষে সমাবেশের সভাপতি পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেল ৫টায় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে পৌর শহরের কুয়েত মসজিদ সংলগ্ন দলীয় কার্যালয় থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য গণমিছিল বের হয়। মিছিলটি পৌর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শিবদিঘি যাত্রী ছাউনি জিরোপয়েন্ট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
পরে সেখানে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মিন্নাতুল্লাহ পাঠানের সঞ্চালনায় এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মিজানুর রহমান মাস্টার, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মতিউর রহমান, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আনিস আহম্মেদ এবং উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি মোকাররম হোসাইন।
এ সময় উপজেলা জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এবং সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হলে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট ও হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের পথ রুদ্ধ হবে। তাদের ভাষ্য, এ কারণেই সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আন্তরিক নয়। বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপস করতে চায়, স্বাধীন গুম কমিশন গঠনের বিরোধিতা করে এবং জুলুম-নির্যাতনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায়, তারাই গণভোটের রায় বাস্তবায়নে অনাগ্রহী। বক্তারা অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
তারা আরও বলেন, দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ গণভোটের মাধ্যমে সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সেই সংস্কার বাস্তবায়ন না হওয়ায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তাই জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান জানিয়ে দ্রুত দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান বক্তারা।
সবশেষে সমাবেশের সভাপতি পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি