যুক্তরাষ্ট্রে নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় বন্ড জমার বিধান স্থায়ী করতে যাচ্ছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত ৫০টি দেশের বি-১ (ব্যবসায়িক) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসা আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে বলা হতে পারে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) অনলাইনে প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টারের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তালিকাভুক্ত ৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকার দেশ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বন্ড জমা দেওয়া সব আবেদনকারীর জন্য বাধ্যতামূলক নয়। কনস্যুলার কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করলে নির্দিষ্ট অ-অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীদের ভিসা প্রদানের শর্ত হিসেবে বন্ড নির্ধারণ করতে পারবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ভাষ্য, ২০২৫ সালের ভিসা বন্ড পাইলট কর্মসূচির অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বন্ডভিত্তিক ব্যবস্থা ভিসার শর্ত মেনে চলা নিশ্চিত করতে কার্যকর হতে পারে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে পররাষ্ট্র দপ্তর, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ (ডিএইচএস) এবং অর্থ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এ ব্যবস্থার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করেছে।
এর আগে পাইলট কর্মসূচির আওতায় ৫ হাজার, ১০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড নির্ধারণ করা যেত। তবে নতুন চূড়ান্ত নিয়মে ৫ হাজার ডলারের বিকল্প বাতিল করা হয়েছে এবং সর্বোচ্চ বন্ডের পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে।
ফেডারেল রেজিস্টারে ৩ আগস্ট নিয়মটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই এটি কার্যকর হবে।
এদিকে, অভিবাসন অধিকারকর্মীরা নতুন এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তাদের দাবি, বন্ডের পরিমাণ বৃদ্ধি বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে আগ্রহী অনেক আবেদনকারীর জন্য অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি করবে এবং বৈধ ভ্রমণকেও নিরুৎসাহিত করতে পারে।