ঢাকার কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির একটি কারখানার সন্ধান পেয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। সেখানে অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বাহিনীটি। এসময় তৈরিকৃত ১ হাজার ৯৬৮ পিস ইয়াবাসহ ইয়াবা তৈরির বিভিন্ন ধরণের পাউডার সদৃশ কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি, পাঁচটি মোবাইল ফোন ও একটি ওজন পরিমাপক যন্ত্র জব্দ করা হয়েছেন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এ বিষয়ে ব্রিফিংয়ে কথা বলেন র্যাব-১০ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মধ্যচর দক্ষিণ বালুচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে তথ্য দেন তিনি।
গ্রেপ্তারকৃত হলেন, ঢাকার বংশাল থানার চাঙ্গেরপুল এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলমগীর ওরপে আন্ডে (৪০), মোহাম্মদপুর থানার বাবর রোড এলাকার মোঃ আলী আরমান (৩৬), সাভার থানার মোঃ শাহজাহান (৪০) ও আদাবর থানার রিংরোড এলাকার বাসিন্দা সোনিয়া (৩০)।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কারখানাটি থেকে ১ হাজার ৯৬৮টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৫ লাখ ৯০ হাজার ৪০০ টাকা। এ ছাড়া ইয়াবা তৈরির বিভিন্ন ধরনের পাউডার, উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং একটি ডিজিটাল ওজন মাপার যন্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত জানিয়েছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উৎস থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করে ইয়াবা তৈরি করে আসছিলেন। পরে এসব ইয়াবা রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হতো।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আলমগীরের বিরুদ্ধে রামপুরা, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া জিজ্ঞাসাবাদে আরও কয়েকটি ইয়াবা তৈরির কারখানার তথ্য পাওয়া গেছে।
ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান বলেন, ইয়াবা তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামালগুলো বৈধ এবং বিভিন্ন শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত হয়। তবে চক্রটি এসব উপকরণ ব্যবহার করে মাদক তৈরির কৌশল রপ্ত করেছে। কাঁচামাল সংগ্রহের উৎস ও মাদক তৈরির পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
তিনি বলেন, চক্রটির নেটওয়ার্ক কামরাঙ্গীরচর, পুরান ঢাকা এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিস্তৃত। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
Copied from: https://rtvonline.com/
শুক্রবার (৩১ জুলাই) কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এ বিষয়ে ব্রিফিংয়ে কথা বলেন র্যাব-১০ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মধ্যচর দক্ষিণ বালুচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে তথ্য দেন তিনি।
গ্রেপ্তারকৃত হলেন, ঢাকার বংশাল থানার চাঙ্গেরপুল এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলমগীর ওরপে আন্ডে (৪০), মোহাম্মদপুর থানার বাবর রোড এলাকার মোঃ আলী আরমান (৩৬), সাভার থানার মোঃ শাহজাহান (৪০) ও আদাবর থানার রিংরোড এলাকার বাসিন্দা সোনিয়া (৩০)।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কারখানাটি থেকে ১ হাজার ৯৬৮টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৫ লাখ ৯০ হাজার ৪০০ টাকা। এ ছাড়া ইয়াবা তৈরির বিভিন্ন ধরনের পাউডার, উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং একটি ডিজিটাল ওজন মাপার যন্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত জানিয়েছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উৎস থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করে ইয়াবা তৈরি করে আসছিলেন। পরে এসব ইয়াবা রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হতো।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আলমগীরের বিরুদ্ধে রামপুরা, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া জিজ্ঞাসাবাদে আরও কয়েকটি ইয়াবা তৈরির কারখানার তথ্য পাওয়া গেছে।
ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান বলেন, ইয়াবা তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামালগুলো বৈধ এবং বিভিন্ন শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত হয়। তবে চক্রটি এসব উপকরণ ব্যবহার করে মাদক তৈরির কৌশল রপ্ত করেছে। কাঁচামাল সংগ্রহের উৎস ও মাদক তৈরির পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
তিনি বলেন, চক্রটির নেটওয়ার্ক কামরাঙ্গীরচর, পুরান ঢাকা এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিস্তৃত। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
Copied from: https://rtvonline.com/
অনলাইন ডেস্ক