রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুরের ধোপাঘাটা অবৈধভাবে সরকারি সার সরিয়ে রাখার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ ঘটনায় সার বের করতে বাধা দিতে গিয়ে ব্যবসায়ীর প্রহারে এক কৃষক আহত হয়েছেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে অনুমোদনহীনভাবে সার মজুদ করার দায়ে মেসার্স অদ্বিতী এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আলাউদ্দিনকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। গত মঙ্গলবার (২৮জুলাই) উপজেলার ধোপাঘাটা বাজারে এই ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) অনুমোদিত বীজ ও সার ডিলার মেসার্স অদ্বিতী এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সরকারি ডিএপি ও পটাশ সার দোকান থেকে সরিয়ে অন্যত্র মজুদ করার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে ৬৫ বস্তা সার তাঁর ভাতিজা ও কীটনাশক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম তুহিনের দোকানে নেওয়া হয়।
অভিযোগের পর মঙ্গলবার সকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুল মতিন ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলারের প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের তুলনায় সারের ঘাটতি দেখতে পান। একই সঙ্গে কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশক জব্দ করে মাটিতে পুঁতে রাখার পর দোকানিকে সতর্ক করেন। এ সময় স্থানীয় কৃষকেরা অভিযোগ করা সার উদ্ধার এবং জব্দের দাবি জানান। তবে তুহিনের দোকান তালাবদ্ধ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সার উদ্ধার সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা কয়েকজন কৃষককে দোকানটি নজরদারিতে রাখার দায়িত্ব দিয়ে চলে যান। পরে জাহাঙ্গীর আলম তুহিন দোকান থেকে সার বের করার চেষ্টা করলে কৃষকেরা বাধা দেন। এ সময় কৃষক সরফরাজ শাহকে মোটরসাইকেল দিয়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে মারধর ও হাতুড়ি পেটা করার হুমকির অভিযোগ ওঠে। এতে তিনি আহত হন। সরফরাজ শাহ ধোপাঘাটা গ্রামের মৃত আনিসুর রহমান শাহের পুত্র।
এদিকে খবর পেয়ে বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জোবায়দা সুলতানার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুল মতিনের প্রসিকিউশনে পরিচালিত ওই অভিযানে অনুমোদনহীনভাবে সার মজুদ করার দায়ে মেসার্স তুহিন ট্রেডার্সকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।স্থানীয়রা তুহিনকে ভেজাল কীটনাশক কারবারি আখ্যাদিয়ে তার দোকান বন্ধের দাবি জানান।
অভিযানের সময় অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মোমিনুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শুভ ভৌমিক, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. মকবুল আহম্মেদ, এসএপিপিও মোস্তফা কামাল এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কামারুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, সরকারি সার ডিলার আলাউদ্দিন কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সার সরবরাহ না করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেন। তাদের দাবি, কৃষি অফিসে সার বিক্রির ভুয়া তালিকা দেখিয়ে সার বিক্রি শেষ হয়েছে বলে দেখানো হয় এবং পরে ওই সার অধিক দামে অন্যত্র বিক্রি করা হয়।
এদিকে তুহিন সম্পর্কে স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে তার দোকানে আসল কীটনাশকের পাশাপাশি নকল কীটনাশকও বিক্রি করে আসছেন। তাদের ভাষ্য, এলাকায় তিনি নকল কীটনাশক বিক্রেতা হিসেবেই পরিচিত। এছাড়া, স্থানীয়দের দাবি, তিনি অত্যন্ত কৌশলী স্বভাবের ব্যক্তি।
এবিষয়ে অভিযুক্ত আলাউদ্দিন বলেন সারগুলি তিনি অন্য ডিলারের কাছ থেকে কিনে এনেছেন এবং তার ভাতিজার দোকানে মজুদ করেছেন।
এবিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম তুহিন রাগান্বিত হয়ে বলেন, যা শোনার দরকার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে যারা গিয়েছিলেন, তাদের জিজ্ঞেস করুন। এখন কথা বলার সময় নেই।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ ঘটনায় সার বের করতে বাধা দিতে গিয়ে ব্যবসায়ীর প্রহারে এক কৃষক আহত হয়েছেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে অনুমোদনহীনভাবে সার মজুদ করার দায়ে মেসার্স অদ্বিতী এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আলাউদ্দিনকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। গত মঙ্গলবার (২৮জুলাই) উপজেলার ধোপাঘাটা বাজারে এই ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) অনুমোদিত বীজ ও সার ডিলার মেসার্স অদ্বিতী এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সরকারি ডিএপি ও পটাশ সার দোকান থেকে সরিয়ে অন্যত্র মজুদ করার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে ৬৫ বস্তা সার তাঁর ভাতিজা ও কীটনাশক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম তুহিনের দোকানে নেওয়া হয়।
অভিযোগের পর মঙ্গলবার সকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুল মতিন ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলারের প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের তুলনায় সারের ঘাটতি দেখতে পান। একই সঙ্গে কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশক জব্দ করে মাটিতে পুঁতে রাখার পর দোকানিকে সতর্ক করেন। এ সময় স্থানীয় কৃষকেরা অভিযোগ করা সার উদ্ধার এবং জব্দের দাবি জানান। তবে তুহিনের দোকান তালাবদ্ধ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সার উদ্ধার সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা কয়েকজন কৃষককে দোকানটি নজরদারিতে রাখার দায়িত্ব দিয়ে চলে যান। পরে জাহাঙ্গীর আলম তুহিন দোকান থেকে সার বের করার চেষ্টা করলে কৃষকেরা বাধা দেন। এ সময় কৃষক সরফরাজ শাহকে মোটরসাইকেল দিয়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে মারধর ও হাতুড়ি পেটা করার হুমকির অভিযোগ ওঠে। এতে তিনি আহত হন। সরফরাজ শাহ ধোপাঘাটা গ্রামের মৃত আনিসুর রহমান শাহের পুত্র।
এদিকে খবর পেয়ে বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জোবায়দা সুলতানার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুল মতিনের প্রসিকিউশনে পরিচালিত ওই অভিযানে অনুমোদনহীনভাবে সার মজুদ করার দায়ে মেসার্স তুহিন ট্রেডার্সকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।স্থানীয়রা তুহিনকে ভেজাল কীটনাশক কারবারি আখ্যাদিয়ে তার দোকান বন্ধের দাবি জানান।
অভিযানের সময় অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মোমিনুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শুভ ভৌমিক, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. মকবুল আহম্মেদ, এসএপিপিও মোস্তফা কামাল এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কামারুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, সরকারি সার ডিলার আলাউদ্দিন কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সার সরবরাহ না করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেন। তাদের দাবি, কৃষি অফিসে সার বিক্রির ভুয়া তালিকা দেখিয়ে সার বিক্রি শেষ হয়েছে বলে দেখানো হয় এবং পরে ওই সার অধিক দামে অন্যত্র বিক্রি করা হয়।
এদিকে তুহিন সম্পর্কে স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে তার দোকানে আসল কীটনাশকের পাশাপাশি নকল কীটনাশকও বিক্রি করে আসছেন। তাদের ভাষ্য, এলাকায় তিনি নকল কীটনাশক বিক্রেতা হিসেবেই পরিচিত। এছাড়া, স্থানীয়দের দাবি, তিনি অত্যন্ত কৌশলী স্বভাবের ব্যক্তি।
এবিষয়ে অভিযুক্ত আলাউদ্দিন বলেন সারগুলি তিনি অন্য ডিলারের কাছ থেকে কিনে এনেছেন এবং তার ভাতিজার দোকানে মজুদ করেছেন।
এবিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম তুহিন রাগান্বিত হয়ে বলেন, যা শোনার দরকার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে যারা গিয়েছিলেন, তাদের জিজ্ঞেস করুন। এখন কথা বলার সময় নেই।
আলিফ হোসেন