ওজন কমাতে গেলে জিমে যেতেই হবে, কঠিন শারীরচর্চা করতেই হবে— এমন ধারণা এখনও অনেকের মধ্যে রয়েছে। কিন্তু অভিনেত্রী রশ্মি দেশাইয়ের অভিজ্ঞতা ভিন্ন কথা বলছে। জিমের বদলে নিয়মিত হাঁটা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং মানসিক শান্তিও ওজন কমানোর পথে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। সম্প্রতি নিজের ওজন হ্রাসের কাহিনি জানালেন টেলিভিশনের অভিনেত্রী।
একসময় কাজের চাপে তিনি নিজের শরীরের দিকে তেমন নজর দিতে পারতেন না। ফলে ওজনও বেড়ে গিয়েছিল। রশ্মির কথায়, ‘‘পরে সব কিছু ছেড়ে প্রায় দেড় মাসের জন্য বেড়াতে যাই। কাজ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু মানসিক শান্তিরও তো প্রয়োজন রয়েছে!’’ সেই সময়ে নিয়মিত অনেকটা হাঁটতেন, নানা জায়গায় ঘুরতে যেতেন, স্বাস্থ্যকর খাবার খেতেন এবং নিজের জন্য সময় বার করতেন। ফলে মাত্র ২৫ দিনের মধ্যে তাঁর প্রায় সাড়ে ৪ কেজি ওজন কমে যায়। তাঁর কথায়, ‘‘সেই সময়ে আমি বুঝতে পারি, ওজন হ্রাস করার একমাত্র রাস্তা কেবল জিমে যাওয়া বা ভারোত্তোলন করাই নয়। ওজন কমানোর জন্য নিজের পছন্দের কাজ করলেও একই কাজ দেয়। পাশাপাশি, মন ভাল থাকাও জরুরি।’’
পুষ্টিবিদদের মতে, হাঁটা সবচেয়ে সহজ ব্যায়ামগুলির মধ্যে অন্যতম। দীর্ঘ দিন অনুশীলন করা যায়, এমন শারীরচর্চাগুলির মধ্যে একটি এটি। নিয়মিত দ্রুত হাঁটলে শরীরের ক্যালোরি খরচ বাড়ে, হৃদ্যন্ত্র ভাল থাকে, ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ে এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে। যাঁদের অস্থিসন্ধির সমস্যা রয়েছে বা খুব কঠিন শারীরচর্চা করা সম্ভব নয়, তাঁদের জন্যও হাঁটা একটি নিরাপদ বিকল্প হতে পারে।
তবে শুধু হাঁটলেই ওজন কমবে, এমন ভাবারও কারণ নেই। চিকিৎসকদের মতে, এর সঙ্গে সুষম আহার, পর্যাপ্ত প্রোটিন, পরিমাণমতো খাবার খাওয়া, ভাল ঘুম এবং নিয়মিত একই অভ্যাস বজায় রাখাও সমান জরুরি। ওজন কমার পরে পেশির শক্তি ধরে রাখতে ধীরে ধীরে শক্তিবর্ধক ব্যায়ামও যোগ করা উচিত রুটিনে।
রশ্মির এই অভিজ্ঞতাই মনে করিয়ে দেয়, সুস্থ থাকার অর্থ শুধু জিমে গিয়ে ভারোত্তোলন বা প্রবল কায়িক শ্রম করা নয়। বরং এমন শারীরচর্চা বেছে নেওয়া, যা করতে ভাল লাগে এবং দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত করা যায়, সেটিই সবচেয়ে কার্যকর। হাঁটা, বেড়ানো, খোলা হাওয়ায় সময় কাটানো এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া— এই ছোট ছোট অভ্যাস অনেক সময়ে ওজন কমানোর পাশাপাশি মনকেও ভাল রাখতে সাহায্য করে।
একসময় কাজের চাপে তিনি নিজের শরীরের দিকে তেমন নজর দিতে পারতেন না। ফলে ওজনও বেড়ে গিয়েছিল। রশ্মির কথায়, ‘‘পরে সব কিছু ছেড়ে প্রায় দেড় মাসের জন্য বেড়াতে যাই। কাজ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু মানসিক শান্তিরও তো প্রয়োজন রয়েছে!’’ সেই সময়ে নিয়মিত অনেকটা হাঁটতেন, নানা জায়গায় ঘুরতে যেতেন, স্বাস্থ্যকর খাবার খেতেন এবং নিজের জন্য সময় বার করতেন। ফলে মাত্র ২৫ দিনের মধ্যে তাঁর প্রায় সাড়ে ৪ কেজি ওজন কমে যায়। তাঁর কথায়, ‘‘সেই সময়ে আমি বুঝতে পারি, ওজন হ্রাস করার একমাত্র রাস্তা কেবল জিমে যাওয়া বা ভারোত্তোলন করাই নয়। ওজন কমানোর জন্য নিজের পছন্দের কাজ করলেও একই কাজ দেয়। পাশাপাশি, মন ভাল থাকাও জরুরি।’’
পুষ্টিবিদদের মতে, হাঁটা সবচেয়ে সহজ ব্যায়ামগুলির মধ্যে অন্যতম। দীর্ঘ দিন অনুশীলন করা যায়, এমন শারীরচর্চাগুলির মধ্যে একটি এটি। নিয়মিত দ্রুত হাঁটলে শরীরের ক্যালোরি খরচ বাড়ে, হৃদ্যন্ত্র ভাল থাকে, ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ে এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে। যাঁদের অস্থিসন্ধির সমস্যা রয়েছে বা খুব কঠিন শারীরচর্চা করা সম্ভব নয়, তাঁদের জন্যও হাঁটা একটি নিরাপদ বিকল্প হতে পারে।
তবে শুধু হাঁটলেই ওজন কমবে, এমন ভাবারও কারণ নেই। চিকিৎসকদের মতে, এর সঙ্গে সুষম আহার, পর্যাপ্ত প্রোটিন, পরিমাণমতো খাবার খাওয়া, ভাল ঘুম এবং নিয়মিত একই অভ্যাস বজায় রাখাও সমান জরুরি। ওজন কমার পরে পেশির শক্তি ধরে রাখতে ধীরে ধীরে শক্তিবর্ধক ব্যায়ামও যোগ করা উচিত রুটিনে।
রশ্মির এই অভিজ্ঞতাই মনে করিয়ে দেয়, সুস্থ থাকার অর্থ শুধু জিমে গিয়ে ভারোত্তোলন বা প্রবল কায়িক শ্রম করা নয়। বরং এমন শারীরচর্চা বেছে নেওয়া, যা করতে ভাল লাগে এবং দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত করা যায়, সেটিই সবচেয়ে কার্যকর। হাঁটা, বেড়ানো, খোলা হাওয়ায় সময় কাটানো এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া— এই ছোট ছোট অভ্যাস অনেক সময়ে ওজন কমানোর পাশাপাশি মনকেও ভাল রাখতে সাহায্য করে।
ফারহানা জেরিন