চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ইব্রাহিম ভূঁইয়া (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ সময় আসামিকে নগদ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে চাঁদপুরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রেজাউল করিম এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৭ জুলাই মতলব উত্তর উপজেলার গজরা এলাকায় ধর্ষণের শিকার হয় সাত বছরের এক শিশু। ঘটনার সময় শিশুটি তার বাড়িতে একাই ছিল। এমন সুযোগ পেয়ে প্রতিবেশী ইব্রাহিম ভূঁইয়া নামে এক বৃদ্ধ নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে।
পরে শিশুটির চিৎকারে ধর্ষণের বিষয় জানাজানি হয়। এমন পরিস্থিতিতে রক্তাক্ত শিশুকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা এবং একইসঙ্গে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এতে ধর্ষণের আলামত মেলে। এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানা মামলা হয়। এরপরই অভিযুক্ত ইব্রাহিম ভূঁইয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
এ দিকে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মো. মোবারক আলী আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ ৫ বছর পর বুধবার আসামির উপস্থিতিতে বিচারক রায় ঘোষণা করেন। পরে আসামিকে চাঁদপুর জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন স্পেশাল পিপি শিরিন সুলতানা মুক্তা। আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন কামরুল ইসলাম প্রধান।
অন্যদিকে, ধর্ষকের শাস্তি নিশ্চিত হওয়ায় মামলার বাদীপক্ষ তাদের সন্তুষ্টির কথা জানান। ঘটনার শিকার শিশুটির পরিবারের এক সদস্য বলেন, এখন চূড়ান্ত শাস্তি দেখতে চান তারা।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে চাঁদপুরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রেজাউল করিম এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৭ জুলাই মতলব উত্তর উপজেলার গজরা এলাকায় ধর্ষণের শিকার হয় সাত বছরের এক শিশু। ঘটনার সময় শিশুটি তার বাড়িতে একাই ছিল। এমন সুযোগ পেয়ে প্রতিবেশী ইব্রাহিম ভূঁইয়া নামে এক বৃদ্ধ নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে।
পরে শিশুটির চিৎকারে ধর্ষণের বিষয় জানাজানি হয়। এমন পরিস্থিতিতে রক্তাক্ত শিশুকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা এবং একইসঙ্গে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এতে ধর্ষণের আলামত মেলে। এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানা মামলা হয়। এরপরই অভিযুক্ত ইব্রাহিম ভূঁইয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
এ দিকে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মো. মোবারক আলী আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ ৫ বছর পর বুধবার আসামির উপস্থিতিতে বিচারক রায় ঘোষণা করেন। পরে আসামিকে চাঁদপুর জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন স্পেশাল পিপি শিরিন সুলতানা মুক্তা। আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন কামরুল ইসলাম প্রধান।
অন্যদিকে, ধর্ষকের শাস্তি নিশ্চিত হওয়ায় মামলার বাদীপক্ষ তাদের সন্তুষ্টির কথা জানান। ঘটনার শিকার শিশুটির পরিবারের এক সদস্য বলেন, এখন চূড়ান্ত শাস্তি দেখতে চান তারা।
অনলাইন ডেস্ক