বড় হোক বা বাড়ির খুদে সদস্য, আইসক্রিম খেতে ভালবাসেন না, এমন মানুষ কমই আছেন। আনন্দ উপভোগ করার জন্য আইসক্রিম অনেকেই খান, তবে দুঃখ ভোলাতেও অনেকে খুদেকে আইসক্রিম কিনে দেন। কিন্তু আইসক্রিমের বদলে ফ্রোজেন ডেসার্ট কিনছেন না তো? তফাত বুঝবেন কী করে?
বাজারে ফ্রোজেন ডেসার্টগুলি আইসক্রিমের কৌটোতেই বিক্রি করা হয়, এগুলিকে দেখতেও আইসক্রিমের মতো। স্বাদ চেখে দেখেও এদের আলাদা করা মুশকিল। এই সব ক্ষেত্রে ক্রেতাদের বোঝার একটাই উপায় হল কেনার আগে প্যাকেটের গায়ে ছোট ছোট অক্ষরে কী লেখা আছে, তা পড়ে নেওয়া। পুষ্টিবিদ মঞ্জিরা সান্যাল বলেন, ‘‘আইসক্রিম তৈরি হয় মিল্ক সলিড, মিল্ক ফ্যাট, চকোলেট, ড্রাই ফ্রুট, চিনি আর কিছু অতিরিক্ত স্বাদগন্ধ মিশিয়ে। অন্য দিকে, ফ্রোজেন ডেসার্ট তৈরি করা হয় ভেজিটেবিল অয়েল যেমন, পাম অয়েল বা সানফ্লাওয়ার অয়েল দিয়ে। এই প্রকার ডেসার্টে দুধের অস্তিত্ব প্রায় থাকে না বললেই চলে। ডেসার্টে দুধের মালাইয়ের মতো থকথকে ভাব আনতে স্টেবিলাইজার আর ইমালসিফায়ার ব্যবহার করা হয়। আর এই কারণেই ফ্রোজেন ডেসার্টের দাম আইসক্রিমের তুলনায় কম হয়।’’
আইসক্রিমে ফ্যাট আর ক্যালোরি দুইই বেশি থাকে। এখন অবশ্য বাজারে অনেক স্বাস্থ্যকর উপকরণ দিয়ে কম ক্যালোরির আইসক্রিমও পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে, ফ্রোজেন ডেসার্টে ফ্যাট কম থাকলেও অত্যধিক মাত্রায় চিনি আর কৃত্রিম সামগ্রী থাকে। মঞ্জিরার মতে, ‘‘মাঝেমধ্যে অল্প পরিমাণ আইসক্রিম খাওয়া যেতে পারে, তবে ফ্রোজেন ডেসার্ট একেবারেই খাওয়া যাবে না। আর আইসক্রিম কেনার আগে তাতে কী কী উপকরণ আছে, তা ভাল করে পড়ে নিয়ে তবেই কিনুন। নইলে আইসক্রিম ভেবে ফ্রোজেন ডেসার্ট খেয়ে ফেললে ধরতেও পারবেন না।’’
বাজারে ফ্রোজেন ডেসার্টগুলি আইসক্রিমের কৌটোতেই বিক্রি করা হয়, এগুলিকে দেখতেও আইসক্রিমের মতো। স্বাদ চেখে দেখেও এদের আলাদা করা মুশকিল। এই সব ক্ষেত্রে ক্রেতাদের বোঝার একটাই উপায় হল কেনার আগে প্যাকেটের গায়ে ছোট ছোট অক্ষরে কী লেখা আছে, তা পড়ে নেওয়া। পুষ্টিবিদ মঞ্জিরা সান্যাল বলেন, ‘‘আইসক্রিম তৈরি হয় মিল্ক সলিড, মিল্ক ফ্যাট, চকোলেট, ড্রাই ফ্রুট, চিনি আর কিছু অতিরিক্ত স্বাদগন্ধ মিশিয়ে। অন্য দিকে, ফ্রোজেন ডেসার্ট তৈরি করা হয় ভেজিটেবিল অয়েল যেমন, পাম অয়েল বা সানফ্লাওয়ার অয়েল দিয়ে। এই প্রকার ডেসার্টে দুধের অস্তিত্ব প্রায় থাকে না বললেই চলে। ডেসার্টে দুধের মালাইয়ের মতো থকথকে ভাব আনতে স্টেবিলাইজার আর ইমালসিফায়ার ব্যবহার করা হয়। আর এই কারণেই ফ্রোজেন ডেসার্টের দাম আইসক্রিমের তুলনায় কম হয়।’’
আইসক্রিমে ফ্যাট আর ক্যালোরি দুইই বেশি থাকে। এখন অবশ্য বাজারে অনেক স্বাস্থ্যকর উপকরণ দিয়ে কম ক্যালোরির আইসক্রিমও পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে, ফ্রোজেন ডেসার্টে ফ্যাট কম থাকলেও অত্যধিক মাত্রায় চিনি আর কৃত্রিম সামগ্রী থাকে। মঞ্জিরার মতে, ‘‘মাঝেমধ্যে অল্প পরিমাণ আইসক্রিম খাওয়া যেতে পারে, তবে ফ্রোজেন ডেসার্ট একেবারেই খাওয়া যাবে না। আর আইসক্রিম কেনার আগে তাতে কী কী উপকরণ আছে, তা ভাল করে পড়ে নিয়ে তবেই কিনুন। নইলে আইসক্রিম ভেবে ফ্রোজেন ডেসার্ট খেয়ে ফেললে ধরতেও পারবেন না।’’
ফারহানা জেরিন