রাজশাহীতে কিছুক্ষণ ভারী বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতায় ডুবে যায় রাজশাহী সাহেববাজার বানিজ্যিক এলাকা, মহানহরীর বিভিন্ন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও রামেক হাসপাতালের সামনের সড়ক। এতে নগরবাসী-সাধারণ পথচারী, রামেকে আগত রোগী, তাঁদের স্বজন, চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, কয়েক দফায় এলাকাটি উঁচু করা হলেও নর্দমার (ড্রেনেজ) ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। একই অবস্থা সাহেববাজার বড়মসজিদ এলাকার।
মঙ্গলবার বিকেলে টানা বৃষ্টির পর সাহেববাজার এলাকা ও মহাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ও প্রধান ফটকসংলগ্ন সড়কে হাঁটুপানি জমে যায়| নিচু এলাকা হওয়ায় আশপাশের বৃষ্টির পানিও সেখানে জমা হয়| কয়েক ঘণ্টা ধরে পানি নামতে দেখা যায়নি। সন্ধ্যা সাতটার দিকেও সেখানে হাঁটুপানি ছিল।
সরেজমিন দেখা যায়, হাসপাতাল থেকে বের হওয়া ও হাসপাতালে প্রবেশ করা রোগী-স্বজনদের কাপড় গুটিয়ে বা জুতা হাতে নিয়ে পানির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। জরুরি বিভাগে রোগী আনা-নেওয়াও হয়েছে পানি মাড়িয়ে। কয়েকজনকে পানিতে পিছলে পড়তেও দেখা যায়।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে ৬২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
রোগী নিয়ে হাসপাতালে আসা মাসুম আলী বলেন, এটি দীর্ঘদিনের সমস্যা| সামান্য বৃষ্টিতেই হাসপাতালের সামনে পানি জমে যায়।
রোগী দেখতে আসা মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, পুরো সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় হাসপাতালে পৌঁছাতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। বছরের পর বছর একই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।
সাহেববাজর কাপড়পট্রির মোঃ সাহেব আলী বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই বড়মসজিদের সামনে সড়কে হাঁটুপানি জমে থাকায় পথচারী, ও মসজিদে আসা মুসল্লিরা পড়েন চরম ভোগান্তীতে। তিনি আরও বলেন, রাজশাহী শহরকে বলা হতো পুকুরের শহর। বর্তমানে এই শহরে পূকুর শূণের কোঠায়। এই সুখি, শান্তির নগরী থেকে পুকুর, মাইঠ্যাল, ভরাট করে সেখানে বহুতল ভবন নির্মান হয়েছে। আর এই ভরাট কাজগুলি কিছু অসাধু নেতা, পাতি নেতা, ভূমি দস্যুরা গত ১৫/২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি করেছে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র শেখ শামীম আহমেদ বলেন, হাসপাতালের সামনের সড়কে জলাবদ্ধতার সমস্যা নতুন নয়। গত কয়েক বছরে অন্তত দুই থেকে তিন দফা সড়ক উঁচু করা হয়েছে। কিন্তু ভারী বৃষ্টির সময় এখনো পানি জমে। হাসপাতালের কিছু নিজস্ব নর্দমা থাকলেও সেগুলো সিটি করপোরেশনের নর্দমা নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত। তাই স্থায়ী সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি বলেন, ড্রেনে ময়লা বা পলিথিন জমে থাকলে তা পরিষ্কারের জন্য সিটি করপোরেশনকে জানানো হবে। পাশাপাশি হাসপাতালের সামনের অংশ আরও উঁচু করা যায় কি না, সেটিও বিবেচনা করা হচ্ছে। রোগীদের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এদিকে একই বৃষ্টিতে রাজশাহী নগরীর, লক্ষ্মীপুর, বাকির মোড়, ডিঙ্গাডোবা ও বহরমপুরসহ কয়েকটি নিচু এলাকায়ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন বলেন, হাসপাতালের সামনে ফুটপাতে অবৈধ দোকানপাট গড়ে ওঠে। উচ্ছেদের পরও তারা আবার বসে এবং নর্দমায় ময়লা-আবর্জনা ফেলায় অনেক সময় পানিনিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হয়। তবে জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তাঁর দাবি, সাধারণত দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যেই পানি নেমে যায়। নগরীর পানি নিষ্কাশনের পথগুলো সচল ও পরিষ্কার রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, কয়েক দফায় এলাকাটি উঁচু করা হলেও নর্দমার (ড্রেনেজ) ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। একই অবস্থা সাহেববাজার বড়মসজিদ এলাকার।
মঙ্গলবার বিকেলে টানা বৃষ্টির পর সাহেববাজার এলাকা ও মহাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ও প্রধান ফটকসংলগ্ন সড়কে হাঁটুপানি জমে যায়| নিচু এলাকা হওয়ায় আশপাশের বৃষ্টির পানিও সেখানে জমা হয়| কয়েক ঘণ্টা ধরে পানি নামতে দেখা যায়নি। সন্ধ্যা সাতটার দিকেও সেখানে হাঁটুপানি ছিল।
সরেজমিন দেখা যায়, হাসপাতাল থেকে বের হওয়া ও হাসপাতালে প্রবেশ করা রোগী-স্বজনদের কাপড় গুটিয়ে বা জুতা হাতে নিয়ে পানির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। জরুরি বিভাগে রোগী আনা-নেওয়াও হয়েছে পানি মাড়িয়ে। কয়েকজনকে পানিতে পিছলে পড়তেও দেখা যায়।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে ৬২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
রোগী নিয়ে হাসপাতালে আসা মাসুম আলী বলেন, এটি দীর্ঘদিনের সমস্যা| সামান্য বৃষ্টিতেই হাসপাতালের সামনে পানি জমে যায়।
রোগী দেখতে আসা মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, পুরো সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় হাসপাতালে পৌঁছাতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। বছরের পর বছর একই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।
সাহেববাজর কাপড়পট্রির মোঃ সাহেব আলী বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই বড়মসজিদের সামনে সড়কে হাঁটুপানি জমে থাকায় পথচারী, ও মসজিদে আসা মুসল্লিরা পড়েন চরম ভোগান্তীতে। তিনি আরও বলেন, রাজশাহী শহরকে বলা হতো পুকুরের শহর। বর্তমানে এই শহরে পূকুর শূণের কোঠায়। এই সুখি, শান্তির নগরী থেকে পুকুর, মাইঠ্যাল, ভরাট করে সেখানে বহুতল ভবন নির্মান হয়েছে। আর এই ভরাট কাজগুলি কিছু অসাধু নেতা, পাতি নেতা, ভূমি দস্যুরা গত ১৫/২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি করেছে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র শেখ শামীম আহমেদ বলেন, হাসপাতালের সামনের সড়কে জলাবদ্ধতার সমস্যা নতুন নয়। গত কয়েক বছরে অন্তত দুই থেকে তিন দফা সড়ক উঁচু করা হয়েছে। কিন্তু ভারী বৃষ্টির সময় এখনো পানি জমে। হাসপাতালের কিছু নিজস্ব নর্দমা থাকলেও সেগুলো সিটি করপোরেশনের নর্দমা নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত। তাই স্থায়ী সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি বলেন, ড্রেনে ময়লা বা পলিথিন জমে থাকলে তা পরিষ্কারের জন্য সিটি করপোরেশনকে জানানো হবে। পাশাপাশি হাসপাতালের সামনের অংশ আরও উঁচু করা যায় কি না, সেটিও বিবেচনা করা হচ্ছে। রোগীদের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এদিকে একই বৃষ্টিতে রাজশাহী নগরীর, লক্ষ্মীপুর, বাকির মোড়, ডিঙ্গাডোবা ও বহরমপুরসহ কয়েকটি নিচু এলাকায়ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন বলেন, হাসপাতালের সামনে ফুটপাতে অবৈধ দোকানপাট গড়ে ওঠে। উচ্ছেদের পরও তারা আবার বসে এবং নর্দমায় ময়লা-আবর্জনা ফেলায় অনেক সময় পানিনিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হয়। তবে জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তাঁর দাবি, সাধারণত দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যেই পানি নেমে যায়। নগরীর পানি নিষ্কাশনের পথগুলো সচল ও পরিষ্কার রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :