মাদারীপুরের শিবচরে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মোস্তাক হোসেন (৩০) নামে এক মাদরাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৯ জুলাই) রাতে ওই মাদরাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মোস্তাক হোসেনের বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায়। প্রায় এক মাস আগে তিনি শিবচরের ওই মাদরাসার শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।
জানা গেছে, গত কয়েকদিন মাদরাসায় ক্লাস শেষে শিশুটিকে শিক্ষক মোস্তাক তার কক্ষে নিয়ে যেতেন। পরে রোববার ক্লাস শেষে মোস্তাক তার কক্ষে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে সে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানায়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে রোববার সন্ধ্যায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ওই মাদরাসায় গিয়ে মোস্তাক হোসেনকে আটক করে মারধর করেন। এ সময় তিনি দোষ স্বীকার করেন। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে পুলিশ ওই রাতে মাদরাসা থেকে মোস্তাক হোসেনকে আটক করে শিবচর থানায় নিয়ে যায়। পরে শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে শিবচর থানায় মামলা করা হয়। সোমবার (২০ জুলাই) তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।
শিশুটির বাবা বলেন, আমার ছোট্ট ছেলেটার সঙ্গে একজন শিক্ষক এই ধরনের জঘন্য কাজ করতে পারে, তা চিন্তা করতে পারি নাই। আর যেন কোনো মাদরাসায় এ ধরনের অপকর্ম না ঘটে। থানায় মামলা করেছি। আমি ওই শিক্ষকের সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
এ সম্পর্কে জানতে চাইলে শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার দিনই অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করেছি। পরে ওই শিশুর পরিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা করেছে। এ ঘটনায় আইন অনুযায়ী তার বিচার নিশ্চিত করা হবে।
রোববার (১৯ জুলাই) রাতে ওই মাদরাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মোস্তাক হোসেনের বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায়। প্রায় এক মাস আগে তিনি শিবচরের ওই মাদরাসার শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।
জানা গেছে, গত কয়েকদিন মাদরাসায় ক্লাস শেষে শিশুটিকে শিক্ষক মোস্তাক তার কক্ষে নিয়ে যেতেন। পরে রোববার ক্লাস শেষে মোস্তাক তার কক্ষে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে সে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানায়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে রোববার সন্ধ্যায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ওই মাদরাসায় গিয়ে মোস্তাক হোসেনকে আটক করে মারধর করেন। এ সময় তিনি দোষ স্বীকার করেন। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে পুলিশ ওই রাতে মাদরাসা থেকে মোস্তাক হোসেনকে আটক করে শিবচর থানায় নিয়ে যায়। পরে শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে শিবচর থানায় মামলা করা হয়। সোমবার (২০ জুলাই) তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।
শিশুটির বাবা বলেন, আমার ছোট্ট ছেলেটার সঙ্গে একজন শিক্ষক এই ধরনের জঘন্য কাজ করতে পারে, তা চিন্তা করতে পারি নাই। আর যেন কোনো মাদরাসায় এ ধরনের অপকর্ম না ঘটে। থানায় মামলা করেছি। আমি ওই শিক্ষকের সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
এ সম্পর্কে জানতে চাইলে শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার দিনই অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করেছি। পরে ওই শিশুর পরিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা করেছে। এ ঘটনায় আইন অনুযায়ী তার বিচার নিশ্চিত করা হবে।
অনলাইন ডেস্ক