খাগড়াছড়ির রামগড়ে ১৩ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে কিশোরীর দুলাভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) সকালে খাগড়াছড়ির আমলি আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে রোববার (১৯ জুলাই) রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে রামগড় থানা-পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম সাকিবুল ইসলাম রাজু (২৯)। তিনি রামগড় উপজেলার ১ নম্বর রামগড় ইউনিয়নের লামকুপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং ভুক্তভোগী কিশোরীর বড় বোনের স্বামী।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ জুন সকাল পৌনে ৮টার দিকে রামগড় গণিয়াতুল উলুম ফাজিল মাদরাসার সামনে থেকে ওই ছাত্রী নিখোঁজ হয়। সেদিন সে বাড়ি থেকে মাদরাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময়েও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরে তার মা রামগড় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
ঘটনার ২৭ দিন পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রোববার রামগড়ের সোনাইপুল বাজার এলাকা থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়ার পর কিশোরী অভিযোগ করে, তার ভগ্নীপতি প্রেমের সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে মাদরাসার সামনে থেকে কৌশলে ঢাকার উত্তরায় নিয়ে যান। সেখানে একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম বলেন, ঘটনার পর অভিযুক্ত মোবাইল ফোনসহ ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগের সব মাধ্যম বন্ধ রাখেন। দীর্ঘ চেষ্টার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
সোমবার (২০ জুলাই) সকালে খাগড়াছড়ির আমলি আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে রোববার (১৯ জুলাই) রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে রামগড় থানা-পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম সাকিবুল ইসলাম রাজু (২৯)। তিনি রামগড় উপজেলার ১ নম্বর রামগড় ইউনিয়নের লামকুপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং ভুক্তভোগী কিশোরীর বড় বোনের স্বামী।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ জুন সকাল পৌনে ৮টার দিকে রামগড় গণিয়াতুল উলুম ফাজিল মাদরাসার সামনে থেকে ওই ছাত্রী নিখোঁজ হয়। সেদিন সে বাড়ি থেকে মাদরাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময়েও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরে তার মা রামগড় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
ঘটনার ২৭ দিন পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রোববার রামগড়ের সোনাইপুল বাজার এলাকা থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়ার পর কিশোরী অভিযোগ করে, তার ভগ্নীপতি প্রেমের সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে মাদরাসার সামনে থেকে কৌশলে ঢাকার উত্তরায় নিয়ে যান। সেখানে একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম বলেন, ঘটনার পর অভিযুক্ত মোবাইল ফোনসহ ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগের সব মাধ্যম বন্ধ রাখেন। দীর্ঘ চেষ্টার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
অনলাইন ডেস্ক