মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় এক তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর স্থানীয় একটি ধানের মিলে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাতজনকে অভিযুক্ত করে সিরাজদিখান থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের বালিয়াকান্দা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর দাবি, বালিয়াকান্দা এলাকার তারামিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস শুরু করার পর থেকেই বাড়ির মালিকপক্ষের নাতি তামিম (১৮) ও তার সহযোগীরা তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন, কুপ্রস্তাব এবং হয়রানি করে আসছিল।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত তামিম বিভিন্ন উপায়ে ভুক্তভোগীর মোবাইল নম্বর ও ফেসবুক আইডি সংগ্রহ করে একাধিকবার কুপ্রস্তাব দেন এবং তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। বিষয়টি বাড়ির এক সদস্যকে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে উল্টো মারধরের শিকার হন তিনি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অভিযুক্তরা তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন চালায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এছাড়া গত ১৭ জুলাই গভীর রাতে তার কক্ষের বাইরে উঁকিঝুঁকি দেওয়ার প্রতিবাদ করলে চুল ধরে টেনে-হিঁচড়ে মারধর করা হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৯ জুলাই দুপুরে অভিযুক্তদের একজন প্রকাশ্যে তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে তাকে ভাড়া বাসায় প্রবেশ করতে না দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও মালামাল পুড়িয়ে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। একই সময়ে অপর এক অভিযুক্ত ফোন করেও এক লাখ টাকা দাবি করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, ওইদিনই স্থানীয় বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার ধানের মিলে তাকে আটকে রেখে মারধর করা হয়। পরে জীবন বাঁচাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, “ঘটনার সময় আমি মুন্সীগঞ্জে ছিলাম। একটা খারাপ মেয়েকে মারছে, তাতে কী হয়েছে? বিষয়টি এমপি সাহেবকে জানিয়েছি।”
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন বলেন, “ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের বালিয়াকান্দা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর দাবি, বালিয়াকান্দা এলাকার তারামিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস শুরু করার পর থেকেই বাড়ির মালিকপক্ষের নাতি তামিম (১৮) ও তার সহযোগীরা তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন, কুপ্রস্তাব এবং হয়রানি করে আসছিল।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত তামিম বিভিন্ন উপায়ে ভুক্তভোগীর মোবাইল নম্বর ও ফেসবুক আইডি সংগ্রহ করে একাধিকবার কুপ্রস্তাব দেন এবং তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। বিষয়টি বাড়ির এক সদস্যকে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে উল্টো মারধরের শিকার হন তিনি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অভিযুক্তরা তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন চালায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এছাড়া গত ১৭ জুলাই গভীর রাতে তার কক্ষের বাইরে উঁকিঝুঁকি দেওয়ার প্রতিবাদ করলে চুল ধরে টেনে-হিঁচড়ে মারধর করা হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৯ জুলাই দুপুরে অভিযুক্তদের একজন প্রকাশ্যে তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে তাকে ভাড়া বাসায় প্রবেশ করতে না দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও মালামাল পুড়িয়ে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। একই সময়ে অপর এক অভিযুক্ত ফোন করেও এক লাখ টাকা দাবি করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, ওইদিনই স্থানীয় বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার ধানের মিলে তাকে আটকে রেখে মারধর করা হয়। পরে জীবন বাঁচাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, “ঘটনার সময় আমি মুন্সীগঞ্জে ছিলাম। একটা খারাপ মেয়েকে মারছে, তাতে কী হয়েছে? বিষয়টি এমপি সাহেবকে জানিয়েছি।”
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন বলেন, “ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয়।
অনলাইন ডেস্ক