যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসী ট্রাকচালকদের সরিয়ে তাদের জায়গায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রবীণ সদস্যদের নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছেন। তাঁর এ ঘোষণাকে কঠোর অভিবাসন নীতির নতুন পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বিপুলসংখ্যক ভারতীয় ট্রাকচালক, বিশেষ করে পাঞ্জাব ও হরিয়ানার অভিবাসীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পেনসিলভানিয়ায় সামরিক বিনিয়োগবিষয়ক এক সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, তাঁর প্রশাসন শিগগিরই অবৈধ অভিবাসী ট্রাকচালকদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, অনেক অভিবাসী চালকের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স নেই এবং তাদের কেউ কেউ মাদক বা মদ্যপ অবস্থায় ট্রাক চালান, যা সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
ট্রাম্প বলেন, আমরা অবৈধ অভিবাসী ট্রাকচালকদের জায়গায় গর্বিত মার্কিন প্রবীণ সেনাদের নিয়ে আসব। তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে ট্রাকচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, সামরিক বাহিনীতে ভারী যানবাহন চালানোর অভিজ্ঞতা থাকা সাবেক সেনাদের বাণিজ্যিক ড্রাইভিং লাইসেন্স (সিডিএল) পাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো নীতিমালা প্রকাশ করা হয়নি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চে বৈধভাবে বসবাস ও কাজের অনুমতি থাকা প্রায় দুই লাখ অভিবাসী চালক তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়েছেন। একই সঙ্গে বাধ্যতামূলক ইংরেজি দক্ষতা পরীক্ষা ও অভিবাসনসংক্রান্ত নতুন বিধিনিষেধের কারণে ট্রাকচালক হিসেবে কর্মরত বিদেশিদের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।
**নর্থ আমেরিকান পাঞ্জাবি ট্রাকার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার ভারতীয় বংশোদ্ভূত ট্রাকচালক কর্মরত, যাদের অধিকাংশই পাঞ্জাব ও হরিয়ানার বাসিন্দা। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এই বিপুলসংখ্যক কর্মজীবী সরাসরি কর্মসংস্থানের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।
সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি সড়ক দুর্ঘটনা ও মাদক পাচারের ঘটনায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত কয়েকজন ট্রাকচালকের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর অভিবাসী চালকদের ওপর নজরদারি আরও জোরদার করেছে মার্কিন প্রশাসন। ফলে ট্রাম্পের নতুন প্রস্তাবকে অভিবাসন নীতির আরও কঠোর প্রয়োগের পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
পেনসিলভানিয়ায় সামরিক বিনিয়োগবিষয়ক এক সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, তাঁর প্রশাসন শিগগিরই অবৈধ অভিবাসী ট্রাকচালকদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, অনেক অভিবাসী চালকের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স নেই এবং তাদের কেউ কেউ মাদক বা মদ্যপ অবস্থায় ট্রাক চালান, যা সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
ট্রাম্প বলেন, আমরা অবৈধ অভিবাসী ট্রাকচালকদের জায়গায় গর্বিত মার্কিন প্রবীণ সেনাদের নিয়ে আসব। তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে ট্রাকচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, সামরিক বাহিনীতে ভারী যানবাহন চালানোর অভিজ্ঞতা থাকা সাবেক সেনাদের বাণিজ্যিক ড্রাইভিং লাইসেন্স (সিডিএল) পাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো নীতিমালা প্রকাশ করা হয়নি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চে বৈধভাবে বসবাস ও কাজের অনুমতি থাকা প্রায় দুই লাখ অভিবাসী চালক তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়েছেন। একই সঙ্গে বাধ্যতামূলক ইংরেজি দক্ষতা পরীক্ষা ও অভিবাসনসংক্রান্ত নতুন বিধিনিষেধের কারণে ট্রাকচালক হিসেবে কর্মরত বিদেশিদের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।
**নর্থ আমেরিকান পাঞ্জাবি ট্রাকার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার ভারতীয় বংশোদ্ভূত ট্রাকচালক কর্মরত, যাদের অধিকাংশই পাঞ্জাব ও হরিয়ানার বাসিন্দা। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এই বিপুলসংখ্যক কর্মজীবী সরাসরি কর্মসংস্থানের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।
সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি সড়ক দুর্ঘটনা ও মাদক পাচারের ঘটনায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত কয়েকজন ট্রাকচালকের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর অভিবাসী চালকদের ওপর নজরদারি আরও জোরদার করেছে মার্কিন প্রশাসন। ফলে ট্রাম্পের নতুন প্রস্তাবকে অভিবাসন নীতির আরও কঠোর প্রয়োগের পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
আন্তজার্তিক ডেস্ক