প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাতের জেরে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে পৃথক দুই ঘটনায় এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও তিনজন। এছাড়া বজ্রপাতের আতঙ্কে একটি স্কুলের দুই শিক্ষিকা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
সোমবার দুপুরে সুতি থানার সরলা কিশোরপুর গ্রামের কয়েকজন কৃষক মাঠে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে চারজন আহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক কার্তিক মণ্ডল (৩৬) নামে এক কৃষককে মৃত ঘোষণা করেন। আহত নয়ন মণ্ডল (৪৫), সুশান্ত মণ্ডল (৩৬) ও মিঠুন মণ্ডল (৩৫) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
একই দিনে রঘুনাথগঞ্জের ওমরপুর পাবলিক স্কুলে তীব্র বজ্রপাতের বিকট শব্দ ও বিদ্যুতের ঝলকানিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় শিক্ষিকা সুলতানা পারভীন ও মতিজা খাতুন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদেরও জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, বজ্রপাতের তীব্র অভিঘাত ও আতঙ্কের কারণেই দুই শিক্ষিকা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বর্ষা মৌসুমে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে অবস্থান না করে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার আহ্বান জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
সোমবার দুপুরে সুতি থানার সরলা কিশোরপুর গ্রামের কয়েকজন কৃষক মাঠে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে চারজন আহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক কার্তিক মণ্ডল (৩৬) নামে এক কৃষককে মৃত ঘোষণা করেন। আহত নয়ন মণ্ডল (৪৫), সুশান্ত মণ্ডল (৩৬) ও মিঠুন মণ্ডল (৩৫) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
একই দিনে রঘুনাথগঞ্জের ওমরপুর পাবলিক স্কুলে তীব্র বজ্রপাতের বিকট শব্দ ও বিদ্যুতের ঝলকানিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় শিক্ষিকা সুলতানা পারভীন ও মতিজা খাতুন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদেরও জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, বজ্রপাতের তীব্র অভিঘাত ও আতঙ্কের কারণেই দুই শিক্ষিকা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বর্ষা মৌসুমে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে অবস্থান না করে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার আহ্বান জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
অনলাইন ডেস্ক