নাটোরের লালপুর উপজেলায় অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এক ইটভাটা মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বিলমারিয়া ইউনিয়নের বন্দোবস্ত গোবিন্দপুর এলাকায় পদ্মা নদীর চর ও কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে ভরাট মাটি কাটার অভিযোগে এ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন।
অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ই. এস ইটভাটার মালিক মোঃ ইদবার আলীকে (৫৩) বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবীর হোসেন। এ সময় লালপুর থানা পুলিশ ও বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষিজমি, পরিবেশ ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে উপজেলার একই ইউনিয়নের বাকনাই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটার কারণে একটি সচল বৈদ্যুতিক খুঁটি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ইটভাটার জন্য খুঁটির চারপাশ থেকে গভীরভাবে মাটি সরিয়ে নেওয়ায় সেটি যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খুঁটিটি ভেঙে পড়লে পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকদের দুর্ভোগে পড়তে হতে পারে।
বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর লালপুর জোনাল অফিসকে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবীর হোসেন বলেন, অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। জননিরাপত্তা, কৃষিজমি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরো জোরদার করা হবে।
রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বিলমারিয়া ইউনিয়নের বন্দোবস্ত গোবিন্দপুর এলাকায় পদ্মা নদীর চর ও কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে ভরাট মাটি কাটার অভিযোগে এ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন।
অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ই. এস ইটভাটার মালিক মোঃ ইদবার আলীকে (৫৩) বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবীর হোসেন। এ সময় লালপুর থানা পুলিশ ও বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষিজমি, পরিবেশ ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে উপজেলার একই ইউনিয়নের বাকনাই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটার কারণে একটি সচল বৈদ্যুতিক খুঁটি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ইটভাটার জন্য খুঁটির চারপাশ থেকে গভীরভাবে মাটি সরিয়ে নেওয়ায় সেটি যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খুঁটিটি ভেঙে পড়লে পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকদের দুর্ভোগে পড়তে হতে পারে।
বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর লালপুর জোনাল অফিসকে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবীর হোসেন বলেন, অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। জননিরাপত্তা, কৃষিজমি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরো জোরদার করা হবে।
আবু তালেব, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি :