সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের মামলার প্রধান পলাতক আসামি মোঃ রফিকুল ইসলাম ওরফে রাকিবুলকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাত পৌনে ৮টার দিকে ঢাকা জেলার আশুলিয়ার জামগড়া চৌরাস্তা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রফিকুল ইসলাম ওরফে রাকিবুল সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানার খামারশানিলা গ্রামের আজাহার প্রামানিকের ছেলে। সে শাহজাদপুর থানার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার (মামলা নং-০৮, তারিখ: ০৫/০৭/২০২৬ খ্রিঃ) এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি।
র্যাব জানায়, র্যাব-১২ সিরাজগঞ্জের অধিনায়কের নির্দেশনায় শনিবার রাত পৌনে ৮টায় আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় যৌথ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র্যাব-১২, সিপিসি-২ পাবনার কোম্পানি কমান্ডার লেঃ কমান্ডার ওয়াহিদুজ্জামান (এস), বিএন এবং র্যাব-৪, সিপিসি-২ নবীনগর ক্যাম্পের মেজর শেখ আরমান হোসাইন হৃদয় ও সিনিঃ এডি হালিউজ্জামান।
মামলা ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুন দুপুর দেড়টায় আসামি রফিকুল ইসলাম তার নিজ শয়নকক্ষে ১১ বছরের নাবালিকা মোছাঃ মার্জিয়া খাতুনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এর পরের দিন আসামি আবারও ওই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে সে কোনোমতে পালিয়ে আত্মরক্ষা করে।
এই জঘন্য ঘটনার জানাজানি হলে স্থানীয় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। উত্তেজিত জনতা আসামির বাড়িঘর ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরবর্তীতে র্যাব ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পর নাবালিকার মা মোছাঃ তাসলিমা খাতুন (৩৫) বাদী হয়ে শাহজাদপুর থানায় রফিকুলকে একমাত্র আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই আসামি পলাতক ছিল।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাত পৌনে ৮টার দিকে ঢাকা জেলার আশুলিয়ার জামগড়া চৌরাস্তা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রফিকুল ইসলাম ওরফে রাকিবুল সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানার খামারশানিলা গ্রামের আজাহার প্রামানিকের ছেলে। সে শাহজাদপুর থানার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার (মামলা নং-০৮, তারিখ: ০৫/০৭/২০২৬ খ্রিঃ) এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি।
র্যাব জানায়, র্যাব-১২ সিরাজগঞ্জের অধিনায়কের নির্দেশনায় শনিবার রাত পৌনে ৮টায় আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় যৌথ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র্যাব-১২, সিপিসি-২ পাবনার কোম্পানি কমান্ডার লেঃ কমান্ডার ওয়াহিদুজ্জামান (এস), বিএন এবং র্যাব-৪, সিপিসি-২ নবীনগর ক্যাম্পের মেজর শেখ আরমান হোসাইন হৃদয় ও সিনিঃ এডি হালিউজ্জামান।
মামলা ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুন দুপুর দেড়টায় আসামি রফিকুল ইসলাম তার নিজ শয়নকক্ষে ১১ বছরের নাবালিকা মোছাঃ মার্জিয়া খাতুনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এর পরের দিন আসামি আবারও ওই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে সে কোনোমতে পালিয়ে আত্মরক্ষা করে।
এই জঘন্য ঘটনার জানাজানি হলে স্থানীয় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। উত্তেজিত জনতা আসামির বাড়িঘর ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরবর্তীতে র্যাব ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পর নাবালিকার মা মোছাঃ তাসলিমা খাতুন (৩৫) বাদী হয়ে শাহজাদপুর থানায় রফিকুলকে একমাত্র আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই আসামি পলাতক ছিল।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক