ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ , ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডানায় মোড়া রূপে নজর কাড়লেন হলিউড অভিনেত্রী জেনডেয়া মৌনী রায়ের ভিডিও ফাঁস! নিজের বোনকে জোরপূর্বক ধর্ষণ, ক্ষোভে ভাইকে হত্যা প্রাক্তন স্বামীর ছুরিকাঘাতে নারীর মৃত্যু মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে আগুন দিল জনতা কক্সবাজার সৈকতে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাত, ৫ মিনিটে যা ঘটলো অনলাইন জুয়া বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি বন্যার্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার: অর্থমন্ত্রী শিগগিরই আসছে দুই লম্বা ছুটির সুযোগ নতুন এক দেশে হামলা চালাল ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা ইরানের, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা হতদরিদ্র ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও হুইলচেয়ার বিতরণ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৭৮০ জনের মৃত্যু ‘শরীরের বিভিন্ন অংশ বড় করতে বলা হয়েছিল’: সমীরা চট্টগ্রামে আকস্মিক বন্যায় লন্ডভন্ড সাতকানিয়া নতুন এক দেশে হামলা চালাল ইরানের  নেত্রকোনায় ট্রেনে কাটা পোশাককর্মীর মরদেহ উদ্ধার সন্তানজন্মের পরেও ফিটনেসে আপসহীন আলিয়া রাণীনগরে গৃহবধুর আত্মহত্যা প্ররোচনায় মামলা প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকদের এগিয়ে যেতে হবে: পিআইবির মহাপরিচালক

‘শরীরের বিভিন্ন অংশ বড় করতে বলা হয়েছিল’: সমীরা

  • আপলোড সময় : ১৭-০৭-২০২৬ ০৫:৩২:২২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৭-২০২৬ ০৫:৩২:২২ অপরাহ্ন
‘শরীরের বিভিন্ন অংশ বড় করতে বলা হয়েছিল’: সমীরা ছবি: সংগৃহীত
চলতি বছরের শুরুতে প্রায় ১৪ বছর পর হিন্দি ছবিতে ফিরেছেন সমীরা রেড্ডী। রাজনৈতিক ছবি ‘আখরি সওয়াল’-এ সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে দেখা যায় তাঁকে। ‘ম্যায়নে দিল তুঝকো দিয়া’ ছবি থেকে অভিনয়ের সফর শুরু করেছিলেন। সম্প্রতি সমীরা জানিয়েছেন, কর্মজীবনের শুরুতে গায়ের রং নিয়ে তাঁকে বৈষম্যের মুখে পড়তে হয়েছিল।

সমীরা বলেন, “আমার প্রথম ছবি ‘ম্যায়নে দিল তুঝকো দিয়া’-তে আমার গায়ের রং ফর্সা করা হয়েছিল প্রসাধনীর মাধ্যমে। পর্দায় আমাকে প্রায় ধূসর রঙের দেখতে লাগছিল। মুখের রঙের সঙ্গে শরীরের রং মিলিয়ে দেখানোর জন্য সারা শরীরে প্রসাধনী লাগাতে হত।”

অভিনেত্রীর প্রশ্ন, “শুধু ছবিতেই নয়, অনেক মহিলাই নিজের বাড়িতেও এই ধরনের বৈষম্যের মুখে পড়েন। বাবা-মা বা শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলেন, ‘তুমি খুব কালো’ বা ‘তুমি মোটা’। কিন্তু সৌন্দর্যের সংজ্ঞা ঠিক করে দিয়েছে কে?” সমীরা জানান, নিজের চেহারা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ছিল, তা কাটিয়ে উঠতে তাঁর দু’দশকেরও বেশি সময় লেগেছে।

শুধু গায়ের রং নয়, নিজের চেহারার গড়ন নিয়েও দীর্ঘ দিন অস্বস্তিতে ভুগেছেন সমীরা। অভিনেত্রীর কথায়, “আমি কে, আমাকে কী ভাবে নিজেকে তুলে ধরতে হবে, এ সব নিয়ে খুব বিভ্রান্ত ছিলাম। ৪০ বছর পেরোনোর পরেই আমি এই মানসিকতা থেকে বেরোতে পেরেছি। প্রায় ২০ বছর ধরে আমি প্যাড দেওয়া ব্রা, নিতম্ব বড় দেখানোর প্যাড আর রঙিন কনট্যাক্ট লেন্স পরে থেকেছি।”

ছোটবেলা থেকেই ভারী চেহারা ছিল সমীরার। কিন্তু ওজন কমিয়েও স্বস্তি পাননি অভিনেত্রী। তিনি বলেন, “তখন বলা হল, ‘তোমার নিতম্ব খুব ছোট হয়ে গিয়েছে।’ এখন এ সব শুনে হাসি পায়। ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত আমি ভেবেই গিয়েছি, আমি খুব ফর্সা নই, আমার চোখ হালকা রঙের নয়। আমি খুব লম্বাও নই। নায়ক খাটো হওয়ায় আমাকেও কুঁজো হয়ে হাঁটতে বলা হত। এখন আমি বুঝি, এগুলো সমস্যাই নয়। কিন্তু তখন এ সব নিয়েই আমার মধ্যে হীনম্মন্যতা তৈরি করা হত।”

সমীরা জানান, মহিলা পরিচালকেরাও তাঁর শরীর নিয়ে কটাক্ষ করতেন। তিনি বলেন, “পোশাকশিল্পীরাও প্রথম থেকেই বলতেন, আমার চেহারা নিয়ে কিছু করতে হবে। তাই আমার প্রায় সব পোশাকের জন্যই প্যাড-সহ ব্রা বানানো থাকত। আমার কাছে এখনও নানা ধরনের প্যাডের বড় সংগ্রহ আছে। আমাকে বারবার বলা হত, ‘আর কত প্যাড ব্যবহার করবে সমীরা? এ বার কিছু একটা করো’।”

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকদের এগিয়ে যেতে হবে: পিআইবির মহাপরিচালক

প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকদের এগিয়ে যেতে হবে: পিআইবির মহাপরিচালক