গাজীপুরের জয়দেবপুরে চেতনানাশক পদার্থ মিশ্রিত দধি খাইয়ে এক মা ও তাঁর কিশোরী মেয়েকে অচেতন করার পর কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকার একটি রেস্টুরেন্ট থেকে অভিযুক্ত মো. রাশিদুল পালোয়ানকে (৪৫) আটক করা হয়। তিনি জয়দেবপুর থানার আরগড়িয়া এলাকার বাসিন্দা। অভিযানে নেতৃত্ব দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জয়দেবপুর থানার এসআই মাইকেল বনিক। এ সময় জিএমপি কোনাবাড়ী থানার এসআই মো. আব্দুল হামিদ মিয়াও অভিযানে অংশ নেন।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাইকেল বনিক জানান, এ ঘটনায় মো. রাশিদুল পালোয়ান এবং অভি কুমার দাসের বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বাদী সুমতি মজুমদারের ছেলে সজল মজুমদারের সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল। সেই পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে গত ৭ জুলাই গভীর রাতে অভিযুক্তদের একজন তাদের বাড়িতে দধি পাঠান। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই দধির সঙ্গে চেতনানাশক পদার্থ মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দধি খাওয়ার পর সুমতি মজুমদার ও তাঁর কিশোরী মেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন।
এজাহার অনুযায়ী, ভোররাতে মা-মেয়ে অচেতন থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। তবে কিশোরীর চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে উঠলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরে অসুস্থ অবস্থায় মা ও মেয়েকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং মামলার বাকি আসামিকে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকার একটি রেস্টুরেন্ট থেকে অভিযুক্ত মো. রাশিদুল পালোয়ানকে (৪৫) আটক করা হয়। তিনি জয়দেবপুর থানার আরগড়িয়া এলাকার বাসিন্দা। অভিযানে নেতৃত্ব দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জয়দেবপুর থানার এসআই মাইকেল বনিক। এ সময় জিএমপি কোনাবাড়ী থানার এসআই মো. আব্দুল হামিদ মিয়াও অভিযানে অংশ নেন।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাইকেল বনিক জানান, এ ঘটনায় মো. রাশিদুল পালোয়ান এবং অভি কুমার দাসের বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বাদী সুমতি মজুমদারের ছেলে সজল মজুমদারের সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল। সেই পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে গত ৭ জুলাই গভীর রাতে অভিযুক্তদের একজন তাদের বাড়িতে দধি পাঠান। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই দধির সঙ্গে চেতনানাশক পদার্থ মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দধি খাওয়ার পর সুমতি মজুমদার ও তাঁর কিশোরী মেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন।
এজাহার অনুযায়ী, ভোররাতে মা-মেয়ে অচেতন থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। তবে কিশোরীর চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে উঠলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরে অসুস্থ অবস্থায় মা ও মেয়েকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং মামলার বাকি আসামিকে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক