নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বালুভরা ইউনিয়নের নিহনপুর গ্রামে স্বামী ও সন্তানকে হত্যার ভয় দেখিয়ে এক গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী জনতা রানী (২৮) অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত নুনি গোপাল চন্দ্র মণ্ডল (৬০) সম্পর্কে তাঁর কাকা হন। পারিবারিক সম্পর্ক ও প্রভাবের সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বামী ও সন্তানকে হত্যার ভয় দেখিয়ে তিনি তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। প্রাণনাশের আশঙ্কায় এতদিন বিষয়টি কাউকে জানাতে পারেননি বলেও দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর স্বামী নির্মল চন্দ্র দেবনাথ (৪৮) জানান, গত ১১ জুলাই রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নুনি গোপাল তাঁদের বাড়িতে প্রবেশ করে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে জোরপূর্বক ধস্তাধস্তি করেন। এ সময় স্ত্রীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অভিযুক্তকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে হেফাজতে নেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অতীতেও নারী নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নুনি গোপাল চন্দ্র মণ্ডল বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে।
বালুভরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমরান হোসেন বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। ভুক্তভোগী পক্ষ তাঁর কাছে এলে তিনি তাঁদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেন।
বদলগাছী থানায় ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৫ জুলাই দুপুরে অভিযুক্ত নুনি গোপাল চন্দ্র মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নূরনবী বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) নজরুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত)-এর ৯(৪)(খ) ধারায় ১৫ জুলাই মামলা নং-১৩ রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই সংস্করণটি দৈনিক পত্রিকার উপযোগী নিরপেক্ষ ও সংবাদধর্মী ভাষায় লেখা হয়েছে। এতে অভিযোগগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়েছে এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী জনতা রানী (২৮) অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত নুনি গোপাল চন্দ্র মণ্ডল (৬০) সম্পর্কে তাঁর কাকা হন। পারিবারিক সম্পর্ক ও প্রভাবের সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বামী ও সন্তানকে হত্যার ভয় দেখিয়ে তিনি তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। প্রাণনাশের আশঙ্কায় এতদিন বিষয়টি কাউকে জানাতে পারেননি বলেও দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর স্বামী নির্মল চন্দ্র দেবনাথ (৪৮) জানান, গত ১১ জুলাই রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নুনি গোপাল তাঁদের বাড়িতে প্রবেশ করে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে জোরপূর্বক ধস্তাধস্তি করেন। এ সময় স্ত্রীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অভিযুক্তকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে হেফাজতে নেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অতীতেও নারী নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নুনি গোপাল চন্দ্র মণ্ডল বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে।
বালুভরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমরান হোসেন বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। ভুক্তভোগী পক্ষ তাঁর কাছে এলে তিনি তাঁদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেন।
বদলগাছী থানায় ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৫ জুলাই দুপুরে অভিযুক্ত নুনি গোপাল চন্দ্র মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নূরনবী বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) নজরুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত)-এর ৯(৪)(খ) ধারায় ১৫ জুলাই মামলা নং-১৩ রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই সংস্করণটি দৈনিক পত্রিকার উপযোগী নিরপেক্ষ ও সংবাদধর্মী ভাষায় লেখা হয়েছে। এতে অভিযোগগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়েছে এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রতিনিধি :