রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের (ইউপি) বামইন চিনোড়া গ্রামে সেচ নীতিমালা লঙ্ঘন করে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) কমান্ড এরিয়ায় অবৈধভাবে অগভীর নলকূপ (এসটিডব্লিউ) স্থাপনের অনুমোদন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা বলছে, বিএমডিএ'র সহকারী প্রকৌশলী আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে অবৈধ অগভীর নলকুপ স্থাপনে সহযোগীতা করেছে। তা না হলে এটার অনুমোদন মিলতো না, এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করেও প্রতিকার কেনো মিলছে না।এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে স্থানীয় কৃষকগণ।
ভুক্তভোগী কৃষক মৃত আবুল কাসেমের পুত্র অলিউল্লাহ জানান, ২০১০ সালে তিনি বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষের সব ধরনের নিয়মকানুন অনুসরণ করে এসটিডব্লিউ স্থাপনের অনুমোদন পান। এরপর দীর্ঘদিন ধরে নিজ স্কীমের আওতায় কৃষকদের সেচসেবা দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু প্রায় নয় বছর পর, ২০১৯ সালে একই গ্রামের টিমারু বর্মনের পুত্র সাধন বর্মন তার স্কীমের কমান্ডিং এরিয়ার মাত্র ৫০০ ফুট দূরে নতুন একটি এসটিডব্লিউ স্থাপনের অনুমোদন পান, যা বরেন্দ্রর প্রচলিত নীতিমালার পরিপন্থী বলে তিনি দাবি করেন।
অলিউল্লাহর অভিযোগ, নতুন সংযোগ চালুর পর তার স্কীমের আওতাভুক্ত জমিতে জোরপূর্বক পানি সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি তার সঙ্গে থাকা কৃষকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে তুলনামূলক বেশি মূল্যে অন্য উৎস থেকে পানি নিতে বাধ্য করা হয়েছে। ফলে তিনি দীর্ঘদিন ধরে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং অভিযোগ করার কারণে তিনি বিভিন্ন ধরনের হয়রানি, মিথ্যা মামলা এবং হামলার আশঙ্কার মধ্যে রয়েছেন বলেও দাবি করেন।
স্থানীয় কৃষক আব্দুল ওয়াব বলেন, আমরা চাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হোক। যদি নীতিমালা লঙ্ঘন করে সংযোগ দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এতে কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা হবে। একই গ্রামের কৃষক মুকুল বলেন, এই সংযোগের কারণে স্থানীয় কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিক। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত সাধন বর্মনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নিয়ম মেনেই তিনি কাজ করছেন।
এ বিষয়ে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তারিক আজিজ মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সেচ কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয়রা বলছে, বিএমডিএ'র সহকারী প্রকৌশলী আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে অবৈধ অগভীর নলকুপ স্থাপনে সহযোগীতা করেছে। তা না হলে এটার অনুমোদন মিলতো না, এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করেও প্রতিকার কেনো মিলছে না।এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে স্থানীয় কৃষকগণ।
ভুক্তভোগী কৃষক মৃত আবুল কাসেমের পুত্র অলিউল্লাহ জানান, ২০১০ সালে তিনি বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষের সব ধরনের নিয়মকানুন অনুসরণ করে এসটিডব্লিউ স্থাপনের অনুমোদন পান। এরপর দীর্ঘদিন ধরে নিজ স্কীমের আওতায় কৃষকদের সেচসেবা দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু প্রায় নয় বছর পর, ২০১৯ সালে একই গ্রামের টিমারু বর্মনের পুত্র সাধন বর্মন তার স্কীমের কমান্ডিং এরিয়ার মাত্র ৫০০ ফুট দূরে নতুন একটি এসটিডব্লিউ স্থাপনের অনুমোদন পান, যা বরেন্দ্রর প্রচলিত নীতিমালার পরিপন্থী বলে তিনি দাবি করেন।
অলিউল্লাহর অভিযোগ, নতুন সংযোগ চালুর পর তার স্কীমের আওতাভুক্ত জমিতে জোরপূর্বক পানি সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি তার সঙ্গে থাকা কৃষকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে তুলনামূলক বেশি মূল্যে অন্য উৎস থেকে পানি নিতে বাধ্য করা হয়েছে। ফলে তিনি দীর্ঘদিন ধরে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং অভিযোগ করার কারণে তিনি বিভিন্ন ধরনের হয়রানি, মিথ্যা মামলা এবং হামলার আশঙ্কার মধ্যে রয়েছেন বলেও দাবি করেন।
স্থানীয় কৃষক আব্দুল ওয়াব বলেন, আমরা চাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হোক। যদি নীতিমালা লঙ্ঘন করে সংযোগ দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এতে কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা হবে। একই গ্রামের কৃষক মুকুল বলেন, এই সংযোগের কারণে স্থানীয় কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিক। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত সাধন বর্মনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নিয়ম মেনেই তিনি কাজ করছেন।
এ বিষয়ে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তারিক আজিজ মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সেচ কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আলিফ হোসেন