ইরানে শিশুদের ক্যানসার হাসপাতালের কাছে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এমনটাই অভিযোগ তুলল তেহরান। তাদের দাবি, পশ্চিম ইরানের আহওয়াজ শহরে এক হাসপাতালের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। ওই হাসপাতালে শিশুদের ক্যানসার চিকিৎসার বিশেষ বিভাগও রয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানাচ্ছে, হামলার জেরে হাসপাতাল খালি করে দিতে হয়েছে। হাসপাতালের বাইরে রাস্তায় জড়ো হয়েছেন অসুস্থ শিশুদের অভিভাবকেরা।
আমেরিকা-ইরান শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে পশ্চিম এশিয়া জুড়ে ফের উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে ইরানকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে আমেরিকা। চলছে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ। বৃহস্পতিবারও ইরানের বন্দর আব্বাস, সিরিক, চাবাহার, খোন্দাব, খোরমবাদ-সহ বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গিয়েছে। পশ্চিম ইরানের আহওয়াজ শহরেও বিস্ফোরণ হয়েছে। ইরানি সংবাদসংস্থা মেহর জানাচ্ছে, ওই হামলার জেরে শাহিদ বাঘেই হাসপাতাল খালি করে দেওয়া হয়েছে।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জনসংযোগ কেন্দ্রের প্রধান হোসেন কেরমানপোরও জানিয়েছেন, হাসপাতালের কাছেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। সমাজমাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, আপাতত শুধু অত্যন্ত সঙ্কটজনক রোগীদেরই হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই দক্ষিণ ইরানের মিনাবে একটি স্কুলে হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হানায় ১৭৫ জনের মৃত্যু হয়, তার মধ্যে বেশির ভাগই ছিল ছোট ছোট পড়ুয়া। পরে ওই হামলার দায়স্বীকারও করে আমেরিকা। জানায়, ভুলবশত ওই হামলা হয়েছিল। বুধবার রাতে ইরানের একটি সেনাছাউনিতেও হামলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত ইরানের হাসপাতালের কাছে হামলার অভিযোগ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি মার্কিন বাহিনী। আমেরিকার সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তারা ইরানের সামরিক ঘাঁটিগুলিতে হামলা করছে। মার্কিন সেনা আরও জানিয়েছে, ইরানমুখী একটি খালি ট্যাঙ্কারেও তারা হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা করেছে। হামলার জেরে জাহাজটি অচল হয়ে গিয়েছে। সেটি বর্তমানে আর ইরানের দিকে এগোচ্ছে না বলে দাবি আমেরিকার। অন্য দিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী (আইআরজিসি)-র দাবি, তারা আমেরিকার একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস করেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানাচ্ছে, হামলার জেরে হাসপাতাল খালি করে দিতে হয়েছে। হাসপাতালের বাইরে রাস্তায় জড়ো হয়েছেন অসুস্থ শিশুদের অভিভাবকেরা।
আমেরিকা-ইরান শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে পশ্চিম এশিয়া জুড়ে ফের উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে ইরানকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে আমেরিকা। চলছে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ। বৃহস্পতিবারও ইরানের বন্দর আব্বাস, সিরিক, চাবাহার, খোন্দাব, খোরমবাদ-সহ বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গিয়েছে। পশ্চিম ইরানের আহওয়াজ শহরেও বিস্ফোরণ হয়েছে। ইরানি সংবাদসংস্থা মেহর জানাচ্ছে, ওই হামলার জেরে শাহিদ বাঘেই হাসপাতাল খালি করে দেওয়া হয়েছে।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জনসংযোগ কেন্দ্রের প্রধান হোসেন কেরমানপোরও জানিয়েছেন, হাসপাতালের কাছেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। সমাজমাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, আপাতত শুধু অত্যন্ত সঙ্কটজনক রোগীদেরই হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই দক্ষিণ ইরানের মিনাবে একটি স্কুলে হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হানায় ১৭৫ জনের মৃত্যু হয়, তার মধ্যে বেশির ভাগই ছিল ছোট ছোট পড়ুয়া। পরে ওই হামলার দায়স্বীকারও করে আমেরিকা। জানায়, ভুলবশত ওই হামলা হয়েছিল। বুধবার রাতে ইরানের একটি সেনাছাউনিতেও হামলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত ইরানের হাসপাতালের কাছে হামলার অভিযোগ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি মার্কিন বাহিনী। আমেরিকার সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তারা ইরানের সামরিক ঘাঁটিগুলিতে হামলা করছে। মার্কিন সেনা আরও জানিয়েছে, ইরানমুখী একটি খালি ট্যাঙ্কারেও তারা হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা করেছে। হামলার জেরে জাহাজটি অচল হয়ে গিয়েছে। সেটি বর্তমানে আর ইরানের দিকে এগোচ্ছে না বলে দাবি আমেরিকার। অন্য দিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী (আইআরজিসি)-র দাবি, তারা আমেরিকার একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস করেছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক