রাজশাহী নগরীর পবা থানার তালগাছি এলাকায় এক নারী যাত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য মালামাল ছিনতাইয়ের ঘটনায় সিএনজি (মাহিন্দ্রা) চালকসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার দুপুরে নগর পবা থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আরএমপির মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মামলার প্রধান আসামি ও মাহিন্দ্রা চালক মোঃ ফরহাদ হোসেন (২৬), সে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার আলীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা এবং পবা থানার বায়া (পালপাড়া) এলাকার বাসিন্দা মোঃ তরিকুল ইসলাম (২৫)।
পুলিশ জানায়, বাগমারা উপজেলার বাসিন্দা মনি বেগম (৩৮) গত ১২ জুলাই শরীয়তপুরে বাবার বাড়ি থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন। ১৩ জুলাই সকাল ৭টার দিকে রাজশাহী রেলস্টেশনে পৌঁছে তিনি মাহিন্দ্রাযোগে বাগমারার উদ্দেশে যাত্রা করেন। সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে পবা থানার বড়গাছি ইউনিয়নের তালগাছি ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে যাত্রীর ছদ্মবেশে থাকা ছিনতাইকারী ও চালক মিলে তাকে চলন্ত গাড়ি থেকে নামিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা ও পিঠে আঘাত করে।
এরপর তার কাছে থাকা নগদ ৫ হাজার টাকা, একটি মোবাইল ফোন, একটি কালো ট্রাভেল ব্যাগ, কাপড়-চোপড় ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পাশের একটি ধানক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার পর আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের নির্দেশনায় পবা থানা পুলিশ ও সাইবার ক্রাইম ইউনিট যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের শনাক্ত করে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানার আলীগঞ্জ এলাকা থেকে প্রধান আসামি ফরহাদ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।
ফরহাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়ি থেকে ভুক্তভোগীর ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোন, কাপড়-চোপড়, ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত মাহিন্দ্রা (সিএনজি) উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার দেখানো স্থান থেকে হামলায় ব্যবহৃত একটি চাকুও জব্দ করা হয়েছে।
একই মামলার অপর আসামি তরিকুল ইসলামকে নওগাঁ সদর উপজেলার চকপ্রসাদ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে পবা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ফরহাদ হোসেন ও তরিকুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার দুই আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার দুপুরে নগর পবা থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আরএমপির মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মামলার প্রধান আসামি ও মাহিন্দ্রা চালক মোঃ ফরহাদ হোসেন (২৬), সে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার আলীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা এবং পবা থানার বায়া (পালপাড়া) এলাকার বাসিন্দা মোঃ তরিকুল ইসলাম (২৫)।
পুলিশ জানায়, বাগমারা উপজেলার বাসিন্দা মনি বেগম (৩৮) গত ১২ জুলাই শরীয়তপুরে বাবার বাড়ি থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন। ১৩ জুলাই সকাল ৭টার দিকে রাজশাহী রেলস্টেশনে পৌঁছে তিনি মাহিন্দ্রাযোগে বাগমারার উদ্দেশে যাত্রা করেন। সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে পবা থানার বড়গাছি ইউনিয়নের তালগাছি ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে যাত্রীর ছদ্মবেশে থাকা ছিনতাইকারী ও চালক মিলে তাকে চলন্ত গাড়ি থেকে নামিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা ও পিঠে আঘাত করে।
এরপর তার কাছে থাকা নগদ ৫ হাজার টাকা, একটি মোবাইল ফোন, একটি কালো ট্রাভেল ব্যাগ, কাপড়-চোপড় ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পাশের একটি ধানক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার পর আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের নির্দেশনায় পবা থানা পুলিশ ও সাইবার ক্রাইম ইউনিট যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের শনাক্ত করে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানার আলীগঞ্জ এলাকা থেকে প্রধান আসামি ফরহাদ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।
ফরহাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়ি থেকে ভুক্তভোগীর ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোন, কাপড়-চোপড়, ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত মাহিন্দ্রা (সিএনজি) উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার দেখানো স্থান থেকে হামলায় ব্যবহৃত একটি চাকুও জব্দ করা হয়েছে।
একই মামলার অপর আসামি তরিকুল ইসলামকে নওগাঁ সদর উপজেলার চকপ্রসাদ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে পবা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ফরহাদ হোসেন ও তরিকুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার দুই আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :