নরসিংদীতে এক বালু ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে মারধর এবং কানে কামড় দিয়ে আহত করার ঘটনায় অভিযুক্ত বিএনপি নেতাসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া এ মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দিবাগত রাতে জেলার পলাশ থানায় মামলাটি দায়ের করেন মেসার্স সজিব ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. সজিব মিয়া।
মামলার বাদীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়, দেশের স্বনামধন্য টিকে গ্রুপের নির্মাণাধীন সাইটে বালু সরবরাহের দায়িত্ব পান পার্শ্ববর্তী গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জের ব্যবসায়ী সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে দায়িত্ব পালন শেষে তিনি ঘোড়াশাল পৌর এলাকার বাংলাদেশ জুটমিলের সামনে পৌঁছান। এ সময় অভিযুক্ত ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মহিউদ্দিন চিশতিয়ার নির্দেশে একদল সন্ত্রাসী সাখাওয়াত হোসেনকে তুলে নিয়ে ওই বিএনপি নেতার বাড়িতে যায়।
সেখানে তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে আহত করা হয়। একপর্যায়ে বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন চিশতিয়া নিজেই ওই ব্যবসায়ীর কানে কামড় দিয়ে গুরুতর আহত করেন।
মারধর ও কানে কামড় দেয়ার পাশাপাশি দ্রুত সময়ের মধ্যে ড্রেজার মেশিন সরিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই বিএনপি নেতা ব্যবসায়ী সাখাওয়াত হোসেনকে অস্ত্র উঁচিয়ে হত্যার হুমকিও দেন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়।
ইতিমধ্যেই কানে কামড় দেয়ার এই ঘটনাটি সংবাদমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং দেশজুড়ে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রাণনাশের হুমকি ও সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় ভুক্তভোগী পক্ষ আইনের আশ্রয় নিয়েছে।
এ বিষয়ে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল-মামুন বলেন, ‘ব্যবসায়ীকে আহত করার ঘটনায় পলাশ থানায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন চিশতিয়াকে প্রধান করে আরও ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত ১৫-২০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এখনো কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি, তবে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দিবাগত রাতে জেলার পলাশ থানায় মামলাটি দায়ের করেন মেসার্স সজিব ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. সজিব মিয়া।
মামলার বাদীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়, দেশের স্বনামধন্য টিকে গ্রুপের নির্মাণাধীন সাইটে বালু সরবরাহের দায়িত্ব পান পার্শ্ববর্তী গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জের ব্যবসায়ী সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে দায়িত্ব পালন শেষে তিনি ঘোড়াশাল পৌর এলাকার বাংলাদেশ জুটমিলের সামনে পৌঁছান। এ সময় অভিযুক্ত ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মহিউদ্দিন চিশতিয়ার নির্দেশে একদল সন্ত্রাসী সাখাওয়াত হোসেনকে তুলে নিয়ে ওই বিএনপি নেতার বাড়িতে যায়।
সেখানে তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে আহত করা হয়। একপর্যায়ে বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন চিশতিয়া নিজেই ওই ব্যবসায়ীর কানে কামড় দিয়ে গুরুতর আহত করেন।
মারধর ও কানে কামড় দেয়ার পাশাপাশি দ্রুত সময়ের মধ্যে ড্রেজার মেশিন সরিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই বিএনপি নেতা ব্যবসায়ী সাখাওয়াত হোসেনকে অস্ত্র উঁচিয়ে হত্যার হুমকিও দেন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়।
ইতিমধ্যেই কানে কামড় দেয়ার এই ঘটনাটি সংবাদমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং দেশজুড়ে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রাণনাশের হুমকি ও সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় ভুক্তভোগী পক্ষ আইনের আশ্রয় নিয়েছে।
এ বিষয়ে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল-মামুন বলেন, ‘ব্যবসায়ীকে আহত করার ঘটনায় পলাশ থানায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন চিশতিয়াকে প্রধান করে আরও ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত ১৫-২০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এখনো কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি, তবে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
অনলাইন ডেস্ক